Items filtered by date: Friday, 19 June 2020

কক্সবাজার পৌর এলাকায় উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা একটি সেতু পানিতে ভেসে গেছে। দুই দিনের বৃষ্টিতে পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কুতুব বাজার এলাকায় বুধবার সেতুটি ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

কক্সবাজার পৌরসভার দরপত্রে সেতুটির নির্মাণ কাজ পেয়েছিলেন পৌরসভার ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এস আই এম আক্তার কামাল আজাদ। সম্প্রতি সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। সংযোগ সড়ক তৈরি করে আগামী মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল।এক নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি আতিকুল্লাহ কোম্পানি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ব্রিজটি নির্মাণে কোনো রড ব্যবহার করা হয়নি।

বুধবার বিকেল চারটার দিকে ব্রিজটি ভেঙে অর্ধেক অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। বাকি অংশে আমরা কোনো রডের ব্যবহার দেখিনি। শুধু সিমেন্ট দেখেছি।

স্থানীয়রা জানান, ভেঙে যাওয়া ব্রিজটি থেকে মাত্র ৪০ ফুট দূরে জাপানের দাতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে আরও একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। সেটি অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।

নির্মাণ কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় এটা ঘটেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

জানতে চাইলে সেতুর ঠিকাদার হিসেবে নিজেকে অস্বীকার করেন কাউন্সিলর আক্তার কামাল আজাদ। তবুও তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘সাগরের পানি যাতে ব্রিজের গোড়ায় না আসে সে জন্য আমরা একটা বাঁধ দিয়েছিলাম। প্রচণ্ড বৃষ্টিতে বাধের মধ্যে সাত-আট ফুট পানি জমে যায়। পানি সরানোর জন্য বাঁধটির একটা অংশ কেটে দিলে স্রোত সৃষ্টি হয়। সেই স্রোতে সেতুটি ভেঙে গেছে।’

তাহলে সেতুটির ঠিকাদার কে জানতে চাইলে তিনি নাম জানাতে পারেননি।

 

 

 

 

https://www.thedailystar.net/bangla/%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%96%e0%a6%ac%e0%a6%b0/%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%81-157365#.XuzDq44yAD4.facebook

Published in সংবাদ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলির অন্যতম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, প্রয়াত জননেতা মোহাম্মদ নাসিম, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্, আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ্ এর সহধর্মিণী বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহান আরা বেগম ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত জননেতা বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান সাহেবের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ১৯ জুন শুক্রবার বাদ আছর নবীগঞ্জ শহরের মদিনা জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন দেওয়ান ফরিদ গাজী স্মৃতি সংসদের সভাপতি মুহিতুর রহমান রনি ও সাধারণ সম্পাদক আরাফাত চৌধুরী আজাদ। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদ মিলু, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক খয়রুল বশর চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুর রহমান, এটিএম রুবেল, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম অপু, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইকবাল আহমেদ বেলাল, পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান মিলন, দপ্তর সম্পাদক অনিক মিয়া সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও মুসল্লীগণ। দোয়া পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম সাহেব। ইমাম সাহেব মোনাজাতে প্রয়াত নেতাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন আল্লাহ্ সুবহানাহু তা'লা তাঁদেরকে জান্নাতবাসী করুন এবং বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সকল মানুষের সুস্থতা চেয়ে দোয়া করেন।

 নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরীর প্রচেষ্টায় নবীগঞ্জ উপজেলার বিজনা নদীর জলমহাল নিয়ে বাউসা ইউনিয়নের বাঁশডর গ্রামের দু পক্ষের লোকের চলমান বিরোধ নিষ্পত্তি করার ৩দিন পরই আবারো উত্তেজনা বিরাজ করছে বাশড়র গ্রাববাসীর মধ্যে।এ খবর  পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী আবারো থানা পুলিশের মাধ্যমে বাহুবলে তার কার্যালয়ে গত রবিবারে খবর দিয়ে নিয়ে দু পক্ষ নেতৃত্বে প্রদানকারী লোকদের সাথে বসে বৈঠক করেন। এসময় সহকারী পুলিশ সুপার বাহুবলের ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের মাধ্যমে বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য ৩ দিনের সময় নেওয়া হয়। ২ দিন পর রাজা মেম্বার পক্ষের লোকজন শালিস বিচার বসতে পারবেন না বলে তাজুল ইসলামকে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তাজুল ইসলাম পরে কথা বলবেন বলে ফোন রেখে দেন।এ খবর গ্রামের উপর পক্ষের লোকজনের মধ্যে জানাজানি হয়ে গেলে বিষয়টি নিয়ে গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে। একাধিক বার সালিশ বিচারের বসলেও বিষয়টির কোন সূরহা না হওয়ায় অজনা আতংকে উৎকন্ঠের মধ্যে রয়েছেন ওই গ্রামের নিরহ লোকজন। যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে রক্তক্ষয়ী  সংঘষের ঘটনা।
জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে বিজনা নদীর জলমহাল পুরো বাঁশডর গ্রামবাসী সম্মিলিত ভাবে ভোগদখল করে আসছিল। কয়েকমাস পূর্বে বাঁশডর গ্রামের সফিক মিয়া স্থানীয় ২শত ৫০জন মৎসজীবি নিয়ে বিজনা নদীর জলমহাল পাওয়ার জন্য আবেদন করে। প্রক্ষান্তরে বাঁশডর গ্রামবাসীর পক্ষে রাজা মেম্বার,কাচন মিয়াসহ ২৩৪জন মৎসজীবি বিজনা নদীর জলমহাল পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। এরই প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষের মধ্যে দেখা দেয় চরম উত্তেজনা। দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র প্রস্তুত করে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার প্রস্ততি নেয়। এ খবর পেয়ে বড় ধরণের সংঘাত এড়াতে উভয় পক্ষের সাথে আলাপ করে বিষয়টি সুষ্ঠভাবে নিষ্পত্তি করে দেয়ার আশ্বাস দেয় নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। এর প্রেক্ষিতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নবীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গনে শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উভয় পক্ষের সর্বসম্মতিক্রমে পূর্বের ন্যায় পুরো বাঁশডর গ্রামবাসী উক্ত বিজনা নদীর জলমহাল ভোগদখল করবেন এবং উভয় পক্ষের দেয়া পৃথক আবেদন প্রত্যাহার করে পুরো বাঁশডর গ্রামবাসী সকলে মিলেমিশে একটি আবেদন পুনরায় দিবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। এতে উভয় পক্ষই সন্তুষ্ট হয়। তৎকালীন  শালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশসুপার পারভেজ আলম চৌধুরী,নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান, ওসি (তদন্ত) উত্তম কুমার দাশ, ওসি (অপারেশন) মো. আমিনুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। শালিস বৈঠকের রায় হওয়ার পর থেকেই গ্রামে গিয়ে রাজা মিয়া, কাচন মিয়াগংরা রায় অমান্য করে গিয়ে গ্রামে মিটিং করে ফের  বিজনা নদীতে  গ্রামের  কিছু সংখ্যক মানুষ মিলে মাছ ধরে বিক্রি করতেছে। এখবর গ্রামের অপর পক্ষের সফিক মিয়ার লোকজন জানতে পেরে বিষয়টি পুলিশ ও শালিস বিচারকদের জানালে শালিস বিচারকগং উভয় পক্ষের লোকজনকে আবারো ডাকেন। শালিস বিচারকদের ডাকে আসেননি রাজা মিয়া ও কাচন মিয়ার পক্ষের লোকজন। এ খবর সহকারী পুলিশ সুপার  অবগত হওয়ার পর আবারো তিনি তাদেরকে নিয়ে বাহুবল অফিসে বসেন। ওই বৈঠকে  উপস্থিত হয়ে সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম তিনি বিষয়টি  ৩ দিনের সময় নিয়ে সমধানের আশ্বাস  প্রদান করেন। ৩ দিন হওয়ার আগে গ্রামের রাজা মেম্বার,কাচন মিয়াগং পক্ষ সালিসে বসবেন না বলে জানান।  উল্লেখ্য যে প্রতিবার সালিস বিচার বসার কথা বলে সময় নিয়ে ওই মহল তাদের নিজ স্বার্থ শালিশের রায় অমান্য করে মাছ ধরে বিক্রি করায় ফের উত্তেজনায় দেখা দিয়েছে বাশড়র গ্রামে। যে কোন সময়ে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। সরকারী খাল থেকে বিনা অনুমতিতে মাছ ধরে বিক্রি কারীদের বিরোদ্ধে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আইননুক ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীর।


তিন বারের প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দুর্নীতিবাজ হিসাবে জনগণের কাছে প্রমান করানোর জন্য বর্তমান সরকার 'কাট এন্ড পেস্ট' আর কম্পিউটারের মাধ্যমে ভয়েজ সৃষ্টির এই ভিডিও ক্লিপটি তৈরী করে।

আলজাজিরার লগোর সাথে 'দি ন্যাশনাল' এবং 'জি.আই.এন' নাম দুটো মনগড়া চ্যানেলের নামে ঢুকিয়ে এই ভিডিও ক্লিপটি তৈরী করে। যদিও এই দুই নাম বিশ্বের কোথাও কোন টিভি চ্যানেল নাই এবং এই ভিডিও ক্লিপটি বিশ্বের কোন টেলিভিশন চ্যানেলে চলেনি ।

চতুর্ভুজ প্রেমের সম্পর্কের কথা ফাঁস করে দেওয়ায় প্রেমিকা আরিফার নির্দেশেই খুন করা হয় বড়াইগ্রামের ইকোরি গ্রামের কৃষক মোবারক হোসেনকে। পুলিশ ঘটনার মাত্র ২দিনের মাথায় এ হত্যা রহস্য উদঘাটন করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপর তিন প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এসব তথ্য তুলে ধরেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে লিটন কুমার সাহা জানান, গত ১৫ জুন বড়াইগ্রাম উপজেলার ইকোরি গ্রামের মৃত খয়ের উদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন (৩৮) খুন হন। মোবারককে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।  এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী রানী বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ তদন্তে নামে। ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়ে সোনাবাজুর কাচু খার স্ত্রী আরিফা বেগমকে (৩০) গ্রেপ্তার করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আরিফা এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অবগত বলে স্বীকার করেন এবং অপর তিনজন প্রেমিকের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা জানান। পরে পুলিশ ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন- সোনাবাজু গ্রামের ইমরুল প্রামাণিকের ছেল রশিদ প্রামাণিক (৩৮), একই গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে জিহাদ আলী (৩২) এবং ইকোরি গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে আসাদুল ইসলাম (৩৫)। পুলিশ সুপার জানান, এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড ছিলেন আরিফা। তিনি নিহত মোবারকসহ ৪ জনের সাথেই অবৈধ মেলামেশা করতেন ও তাদের কাছে থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিতেন। মোবারক ঠিকমত  আরিফাকে টাকা না দেওয়া এবং তিনিসহ অন্যদের সাথে আরিফার সম্পর্কের কথা ফাঁস করে দেন। এতে আরিফা ক্ষুদ্ধ হয় এবং অপর তিন প্রেমিককে নিয়ে উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করে। ঘটনার দিন মোবারক গরু চড়াতে গেলে আরিফা বেগম শারীরিক মেলামেশার প্রলোভন দিয়ে মোবারককে পাটক্ষেতে ডেকে নিয়ে যান। এরপর কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মোবারককে হত্যা করেন এবং এরপর স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে থাকেন। পুলিশ সুপার আরো জানান, হত্যার পরে আসামিরা মোবাইল ফোনে কোনরূপ যোগাযোগ করেননি। কিন্তু পারপার্শ্বিকতা বিবেচনায় পুলিশ বিচক্ষণতার সাথে আরিফাকে টার্গেট করে আটক করে। প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আকরামুল ইসলাম, নাটোর সদর সার্কেলের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত, বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলিপ কুমার দাস, ডিবির ওসি আনারুল ইসলাম প্রমুখ।

Published in সংবাদ

করোনা সঙ্কটের মাঝেই ফিরে এল দিল্লির বুরারির ঘটনা। ২০১৮ সালের ১ জুলাইয়ে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছিল বুরারির চুন্দাবত পরিবারের ১১ জন সদস্যের। ঘটনার প্রায় দু'‌বছর পর গুজরাটের আমেদাবাদেও একই ঘটনা ঘটল। একটি বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হলো একই পরিবারের ছ'‌জনের ঝুলন্ত মৃতদেহ। মৃতদের মধ্যে চারজন নাবালক-নাবালিকাও রয়েছে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আমেদাবাদের ভাতভা জিআইডিসি এলাকার একটি বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে ছ'জনের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতদের নাম অমরীশ প্যাটেল, গৌরাঙ্গ প্যাটেল, ১২ বছরের মূয়র ও ধ্রুব এবং কীর্তি (৯) ও সানভী (৭)। পুলিশ জানিয়েছে, গত বুধবার অমরীশ ও গৌরাঙ্গ চার ছেলে-মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পরই ফিরে আসবেন বলে জানিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত স্বামী ও সন্তানদের কোনো খোঁজ না পেয়ে, ভাতভা জিআইডিসি এলাকায় থাকা পরিবারের অন্য একটি ফ্ল্যাটে আসেন তাদের স্ত্রীরা। সেখানে আসার পর দেখেন ফ্ল্যাটটি ভিতর থেকে বন্ধ রয়েছে। অনেক ধাক্কাধাক্কি দেওয়ার পরও কেউ দরজা খোলেনি।বাধ্য হয়ে স্থানীয় ভাতভা জিটিডিসি থানায় যান দুই নারী। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে ৬ জনের মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। দুই ব্যক্তির দেহ বসার ঘরে, বাচ্চা ছেলে দুটির দেহ শোয়ার ঘরে ও মেয়ে দুটির রান্না ঘরে ঝুলছিল। প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে অমরীশ ও গৌরাঙ্গ সন্তানদের বিষ খাইয়ে মারার পরে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন।পরে নিজেরা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্তও। এর পেছনে কুংসস্কার নাকি খুন করা হয়েছে ছ'‌জনকে, তাই নিয়ে ধোঁয়াশায় পুলিশ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মানুষের দিন কাটছে করোনাভাইরাস আতঙ্কে। মানুষ এখন বিপর্যস্ত ও আতঙ্কিত। করোনা ভীতিতে আচ্ছন্ন দেশের জনগণ। মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল অবস্থায় জনমনে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছে।আজ শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ভিডিও কনফারান্সে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ও করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা সারাবিশ্বের মধ্যে সর্বনিম্ন। করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে ১৫ দিন পর্যন্ত সময় লাগছে। ল্যাবে নমুনার স্তুপ জমা হয়ে আছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান দুর্দশায় প্রমাণিত হয়েছে, এই সরকার জনগণের সঙ্গে বছরের পর বছর ধরে ধাপ্পাবাজী করেছে। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪৭টি জেলাতেই ইনটেন্সিভ কেয়ার ইউনিট নেই।তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ২৩ নভেম্বর রবিবার দেশের তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরহুম মোহাম্মদ নাসিম জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, চলতি মাসেই অর্থাৎ ২০১৪ সালের নভেম্বর মাস থেকেই জেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালগুলোতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও হৃদরোগীদের জন্য বিশেষ পরিচর্যা কেন্দ্র (সিসিইউ) এর কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। মোহাম্মদ নাসিমের প্রতিশ্রুতির ঠিক ছয় বছর পর ২০২০ সালে এসেও আওয়ামী সরকারের মুখে সেই একই কথা। একই প্রতিশ্রুতি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৮ এপ্রিল শনিবার জাতীয় সংসদে বলেছেন, প্রতিটি জেলা হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) স্থাপন করা হবে। আওয়ামী সরকারের বারবার একইরকম প্রতিশ্রুতি ‘কাজীর গরু কেতাবেই থাকছে, গোয়ালে নেই’-এর মতো।

তিনি বলেন, আমরা যখনই আওয়ামী লীগের দুর্নীতি-দুরাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছি, আমাদের পেছনে লেলিয়ে দেয়া হয়েছে র‌্যাব-পুলিশ। উল্টো বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেই রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করা হচ্ছে নির্দয় নিষ্ঠুরভাবে, আর অপবাদ দেয়ার জন্য গণমাধ্যমকে বাধ্য করা হচ্ছে রক্তচক্ষু প্রদর্শন করে। বিরোধী দল, স্বাধীন চিন্তা ও মতের মানুষদেরকে হেনস্তা আর হয়রানির গতি এই করোনাকালেও আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকারের চরম ব্যর্থতার কথাও বলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কালাকানুন করে মানুষের সত্য প্রকাশের কণ্ঠ বাজেয়াপ্ত করে দিয়েছে সরকার। সরকারের সীমাহীন জুলুম, মামলার কারনে সারাদেশের মানুষ মজলুমে পরিণত হয়েছে। তবে অচিরেই ঐক্যবদ্ধ মজলুমের আওয়াজ এই নিশিরাতের সরকারের চরম পরিণতি ডেকে আনবে বলেও তিনি বলেন।

Published in সংবাদ

দশ বছরের অধিক সময় ধরে ফিটনেসবিহীন মোটরযান চলাচল বন্ধ করতে চাইছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। সংস্থাটি বলছে, যেসব মোটরযানের ফিটনেস নেই ১০ বছর বা বা তারও বেশি সময় ধরে, তাদের আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ফিটনেস নবায়ন করতে হবে। নতুবা রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে।সম্প্রতি সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। শুক্রবার বিআরটিএ এর ফেসবুক পেজেও এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছে।দশ বছরের অধিক সময়ের ফিটনেসবিহীন মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন বাতিল সংক্রান্ত বিআরটিএ’র পরিচালক (ইঞ্জিঃ) স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ২৫ ধারা মোতাবেক বিআরটিএ হতে মোটরযানের ফিটনেস সার্টিফিকেট গ্রহণের আবশ্যকতা থাকা সত্ত্বেও বিআরটিএ’র ডাটাবেজ পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, ১০ বছরের অধিককাল যাবৎ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মোটরযানের ফিটনেস নবায়ন করা হয়নি।এমতাবস্থায়, এ সকল মোটরযানের মালিকগণকে চলতি মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে তাদের স্ব-স্ব মোটরযানের ফিটনেস নবায়নের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।অন্যথায় ১ জুলাই তারিখের পর ১০ বছরের অধিককালের ফিটনেসবিহীন মোটরযানসমূহকে ধ্বংসপ্রাপ্ত বা চিরতরে ব্যবহারের অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ২৪ ধারা মোতাবেক সংশ্লিষ্ট মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে।

Published in সংবাদ

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন এক হাজার ৩৮৮ জন। একই সময়ে আরও তিন হাজার ২৪৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৩৫ জন।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা অনলাইনে বুলেটিন পড়েন।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ হাজার ৩২৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৫ হাজার ৪৫টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো পাঁচ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৮টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ২৪৩ জনের মধ্যে। ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ পাঁচহাজার ৫৩৫ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৪৫ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হলো এক হাজার ৩৮৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও দুই হাজার ৭৮১ জন। সব মিলিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৪২ হাজার ৯৪৫ জন।

বুলেটিনে বরাবরের মতো করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান ডা. নাসিমা

Published in সংবাদ

সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় আরও ৮৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে ৫ চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সাধারণ মানুষ রয়েছেন। এদের মধ্যে সিলেট জেলায় ৪১ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলায় ৪৭ জন রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তাদের করোনা শনাক্ত হয়।

ওসমানী হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওসমানীর ল্যাবে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪১ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৫জন চিকিৎসকও রয়েছেন। আক্রান্তদের বেশির ভাগ সিলেট মহানগর ও সদর উপজেলার বাসিন্দা।

আজ সকাল পর্যন্ত সিলেট জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬০০ জন। নতুন আরও ৪১ জন শনাক্ত হওয়ায় এ সংখ্যা এখন ১ হাজার ৬৪১ জন।

এছাড়া আজ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় সুনামগঞ্জ জেলার আরও ৪৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটি· ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাম্মাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে ২৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তন্মধ্যে ৪৭টি নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তরা সবাই সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে সুনামগঞ্জে ৭৫৮ জনের করোনা শনাক্ত হলো।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৮০১ জন। রাতে শনাক্ত হওয়া ৮৮ জন মিলে এ সংখ্যা দাঁড়ালো ২ হাজার ৮৮৯ জনে। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ১ হাজার ৬৪১ জন, সুনামগঞ্জে ৭৫৮ জন, হবিগঞ্জে ২৬১ জন ও মৌলভীবাজারে ২২৯ জন রয়েছেন।

Page 1 of 2
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular