Login to your account

Username *
Password *
Remember Me

Create an account

Fields marked with an asterisk (*) are required.
Name *
Username *
Password *
Verify password *
Email *
Verify email *
Captcha *
Reload Captcha

নবীগঞ্জ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় নবীগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪টি কেবিন প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানানো হয়। করোনা ভাইরাস সন্দেহভাজন রোগীদের রাখা হবে আইসোলেশনে। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জনসচেতনতা বাড়াতে জনগনকে সর্তক থাকার পরামর্শ চিকিৎসকদের। হবিগঞ্জ ১ (নবীগঞ্জ বাহুবল) আসনের এমপি গাজী মোহাম্মাদ শাহনওয়াজ এর সভাপতিত্বে ও নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমটিইপি আই আবুল ফয়েজ সৈয়দ তোয়াহার পরিচালনায় শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হল রুমে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রথমেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাসপাতাল মসজিদের ইমাম শামছুল ইসলাম। প্রধান অথিতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নবীগঞ্জ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি গাজী মোহাম্মাদ শাহনওয়াজ এমপি। বক্তব্য রাখেন, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার পাল, পঃ পঃ কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ চম্পক কুমার সাহা, প্রিয়াংকা পাল চৌধুরী, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতির পক্ষে সাংবাদিক মোঃ নাবেদ মিয়া, হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এডঃ আবুল ফজল চৌধুরী, নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সল তালুকদার, সাবেক সহ-সভাপতি সালমান চৌধুরী। সভায় বক্তরা বলেন, নবীগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৪ লক্ষ মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত ডাক্তার, হাসপাতালের স্টাফসহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের গেইটের ভেতরে সন্ধ্যার পর মাদকাশক্ত যুবকদের আড্ডায় বিশেষ নজরদারি রাখতে পুলিশ প্রশাসনকে আহবান করা হয়। যাতে করে প্রয়োজন ছাড়া অযতা হাসপাতাল এড়িয়াতে কেউ ঘুরাঘুরি করতে না পারে। এছাড়া ও হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়। সমস্যা গুলো সমাধানে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এমপি শাহনওয়াজ মিলাদ। এরপুর্বে প্রজেক্টর এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয় হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যার চিত্র। এর মধ্যে অন্যতম হল হাসপাতালের সামনে বর্জ পরিস্কার, ডাম্পিং ব্যবস্থা। কোয়াটারে অবস্থানরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের রান্নার জন্য গ্যাস ব্যবস্থা প্রদানসহ সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা দেয়া।

“আম্মা গো আমারে দেশে নেও, সৌদির অবস্থা একেবারে খারাপ। বেটিনতে কালি কান্দে, (নারীরা শুধু কাঁদে)। দেশে থাকতে ইন্টারনেটে যে দেখতাম সৌদিতে মানুষরে মারে, বেইজ্জত করে (নারীদের যৌন নির্যাতন করে), বাংলাদেশে থাকতে ইন্টারনেটের দেখা সকল দৃশ্যই বাস্তব, কিছুই ভুল নায়। অফিসে দিনের পর দিন যায়, রাইতের পর রাইত যায়, কেউ খানি (খাবার) দেয় না। দালালরা কয় (বলে) তোমরারে ২ লাখ টেকা (টাকা) দি কিইন্না (কিনে) আনছি। বাংলাদেশের অফিস থাকি কল দিয়া কয় আমরারে মারার লাগি, মাগনা আনছি নি, টেকা দি কিইন্না আনছি। একটা পুয়া (ছেলে) যে মাইর মারছে গো আম্মা, পরে কইছি আমারে যা কইবে তা করমু। পরে আমারে দিয়া ভিডিও করাইয়া দেশে দিছে। আম্মাগো আমারে বাচাঁও, সালামের লগে যোগাযোগ করো। আমারে দেশে নেও।
নবীগঞ্জের ইভা বেগমের টেলিফোনে কথোপকথন এটি। এভাবেই সৌদি থেকে বাংলাদেশী নারী শ্রমিক ইভা বেগম দেশে ফেরার জন্য স্বজনদের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে আকুতি জানাচ্ছেন। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় স্থানীয় দালালের মাধ্যমে প্রায় ৩ মাস পূর্বে মরুর দেশ সৌদি আরবে পাড়ি জমান নবীগঞ্জের এই নারী। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর তাকে বিক্রি করে দেয় দালালরা। এরপর থেকেই শুরু হয় তার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। সুযোগ পেলেই কল দিয়ে দেশে থাকা স্বজনদের কাছে আকুতি জানায় দেশে ফেরানোর জন্য। নির্যাতনের শিকার ইভা বেগম নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর গ্রামের নূর হোসেনের স্ত্রী। বার বার মানবপাচারকারীর বাড়ী গিয়েও স্ত্রীকে ফেরত আনতে না পেরে হতাশ স্বামী নূর হোসেন হবিগঞ্জ মানব পাচার ট্রাইব্যুনালের মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নূর হোসেনের বাড়ীতে প্রায়ই যাতায়েত করতো তাদের পূর্ব পরিচিত নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা টুনাকান্দি গ্রামের সালাম মিয়া। আসা যাওয়ার সুবাধে ইভা বেগমকে প্রায়ই মোটা অংকের টাকার লোভ দেখাত। বিদেশ গেলে পরিবারের আর কোন অভাব অনটন থাকবে না বলেও প্রলোভন দেখাত সালাম। দালাল চক্রের পাল্লায় পড়ে গেল বছরের ২৮ ডিসেম্বর মরুর দেশ সৌদি আরবে পাড়ি জমায় ইভা বেগম।
সূত্রে জানা গেছে-সালাম মিয়া ভ্যালি ইন্টারন্যাশনাল নামের রাজধানীর এক ট্র্যাভেল্স এজন্সির মাধ্যমে দুই সন্তানের জননী ইভা বেগমকে নারী কর্মি হিসেবে সৌদি আরব পাঠায়। সেখানে চাকরির পরিবর্তে তাকে বিক্রি করা হয়েছে অন্য এক দালাল চক্রের কাছে। দালাল চক্রের সদ্যসদের কথামতো অনৈতিক কাজ না করলে তার উপর চালানো হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। মোবাইল ফোনে ইভা বেগম দেশে থাকা স্বজনদের কাছে নির্যাতনের বর্ণনা দেন এবং থাকে দ্রুত দেশে ফেরাতে আকুতি জানান। নির্যাতিত ইভা বেগমের স্বামী নূর হোসেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রাম্য শালিস বিচারদের কাছে বিষয়টি জানালেও কারো ডাকে সাড়া দেয়নি সালাম।
নূর হোসেন জানান- তিনি পেশায় একজন গাড়ী চালক। তাকে না জানিয়েই দালালদের পাল্লায় পড়ে হঠাৎ শ্বশুর বাড়ী গিয়ে সেখান থেকে সৌদি পাড়ি জমায় তার স্ত্রী ইভা। নূর হোসেনের অভিযোগ- স্ত্রীকে দেশে ফেরাতে বললে নারী পাচারকারী সালাম ও জাহাঙ্গীর উল্টো ২ লক্ষ টাকা দাবি করছে। এ ঘটনায় তিনি ৩ জনকে আসামী করে হবিগঞ্জ মানব পাচার ট্রাইব্যুনালের মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামীরা হলো-উপজেলার লতিবপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়া ও প্রজাতপুর গ্রামের মামুন মিয়া।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান-নির্যাতনের শিকার ইভা বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে যদি কেউ তথ্যসহ অভিযোগ দেয় প্রশাসন তাকে দেশে ফেরাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এবং দালালদের ব্যবস্থা নেয়ারও আইন রয়েছে বলে জানান তিনি।

হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২০ উপলক্ষে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক অবহিত করন সভা অনুষ্টিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যেগে আয়োজিত সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে ও ইপি আই মেডিকেল কেনোলজিস্ট আবুল ফয়েজ সৈয়দ তোয়াহা’র পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সুমাইয়া মুমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শাহাদাত হোসেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ চম্পক কিশোর সাহা সুমন, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ সরওয়ার শিকদার, সাধারন সম্পাদক মোঃ আলমীগর মিয়া, দৈনিক সময় পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সেলিম তালুকদার, প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি মহিতোষ দাশ, তালুকদার,  উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ ফয়ছল আহমদ, মা-মনির উপজেলা কো-অর্ডিনেটর হুমায়ুন কবির, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ সুলাইমান প্রমুখ। অনুষ্টান শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, হাসপাতাল জামে সমজিদের ঈমাম হাফেজ শামছুল ইসলাম। গীতা পাঠ করেন প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি মহিতোষ দাশ। সভায় আগামী ১৮ মার্চ ২০২০ইং তারিখ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত ১ সপ্তাহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্টানে ও ২৮মার্চ থেকে ১১এপ্রিল পর্যন্ত ২য় ও ৩য় সপ্তাহে নিয়মিত স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র সমুহে হাম রুবেলা টিকা দেয়া অনুষ্টিত হবে। এতে সকলকে টিকা দেয়া ও সহযোগীতা করার জন্য আহবান জানানো হয়েছে।

নবীগঞ্জে গ্রামীণ ঐতিহ্যের মধ্যে অন্যতম ছিল গরুবারী প্রথা। কালের বিবর্তনে নবীগঞ্জ অঞ্চল থেকে গ্রাম বাংলার এই প্রথাটি হারিয়ে গেছে। আগেকার দিনে নিয়মনুযায়ী প্রতিদিন গ্রামের ঘর ভিত্তিক একেকজন রাখাল সংশ্লিষ্ট গ্রামের গৃহস্থদের গরু গুলোকে একত্রিত করে মাঠে চরিয়ে ঘাস খাওয়ানোর দয়িত্ব পালন করতেন। আবার বিকেল হলে নিজ দায়িত্বে গরু গুলোকে মালিকদের কাছে সমঝিয়ে দিতেন। শুষ্ক মৌসুমে প্রতিদিন গ্রামের ঘর বা বাড়ি ভিত্তিক পালাক্রমে একজন রাখালের দায়িত্বে গ্রামের গৃহস্তদের ছোট বড় হালের বলদ দুধের গাভী ও বাচ্চা সহ কয়েক শতাধিক গরু একত্রিত করে এক সাথে খোলা আকাশের নিচে মাঠে চরানোকে ‘গরুবারী’ বলা হত। আর যিনি গরু চরানোর কাজ করতেন তাকে বলা হত ‘গরু বারীদার’। এভাবে নবীগঞ্জের প্রতিটি গ্রামে এক প্রাান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে গরুবারী দেয়ার রেওয়াজ ছিল।এক কালে নবীগঞ্জ অঞ্চলের প্রতিটি এলাকায় এই গরুবারী প্রথা চালু ছিল। তখনকার দিনে সংশ্লিষ্ট গ্রামটির আয়তন বড় হলে বড় গ্রাম হলে কিংবা গ্রামের গৃহস্থদের বেশি সংখ্যক গরু থাকলে সে ক্ষেত্রে দু’ ঘর বা দুই পরিবারের দুই জন যৌথভাবে রাখাল বা গরুবারীদারের দায়িত্ব পালন করতেন।ছোট গ্রাম হলে বা গরুর সংখ্যা কম হলে ওই গ্রামের একজনই গরু বারীদারের দায়িত্ব পালন করতেন। সে নিয়ম অনুযায়ী ধারাবাহিক ভাবে প্রতিটি গ্রামের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত সবাইকে পর্যায়ক্রমে (যাদের গরু আছে) গরুবারীদারের দায়িত্ব পালন করতে হত। সকাল বেলা গ্রামের গৃহস্থ গোয়াল ঘরের দরজা খুলে গরু গুলোকে ঘর থেকে বের করে নিজ দায়িত্বে মাঠে নিয়ে বারীদারের কাছে সমজিয়ে দিয়ে আসতেন। আবার ঠিক সন্ধ্যা হবার পূর্ব মুহূর্তে গরুগুলোকে নিজ দায়িত্বে বারীদারের কাছ থেকে নিয়ে এসে ঘরে তুলতেন। পল্লী কবি জসীমউদদীন রচিত ‘রাখাল ছেলে’ কবিতায়- ‘রাখাল গরু চরায় কেটে যায় বেলা, চাষি ভাই করে চাষ কাজে নাহি হেলা। আনম বজলুর রশীদ রচিত ‘আমাদের দেশ’ কবিতায়- ‘রাখাল ছেলে! রাখাল ছেলে! বারেক ফিরে চাও, বাঁকা গাঁয়ের পথটি বেয়ে কোথায় চলে যাও। এভাবে কবিতা, গল্প ও উপন্যাসে গ্রামীন জনপদের রাখাল ছেলের অপরিসীম গুরুত্ব ও তাৎপর্য ফুটে ওঠেলেও কালের বিবর্তনে সেই অস্থিত্ব খুঁজে পাওয়া দূস্কর। ফলে হারিয়ে গেছে গ্রামীন ঐতিহ্য গরুবারী প্রথা। আগেকার দিনে সমাজের দরিদ্র পরিবারের থেকে আসা রাখালেরা ছিলো পেটের দায়ে গৃহস্থ বাড়ির অলিখিত চুক্তি ভিত্তিক দাস। রাখালের সাথে গৃহস্থ বাড়ির সস্পর্কের ভিন্ন মাত্রা অন্য কিছুর সাথে তুলনা হতো না। অনেক পরিবারেই রাখালের ওপর থাকতো সংসারের গোটা দায়িত্ব।রাখালের বীরত্বের কাহিনী গ্রাম ছাপিয়ে ছড়িয়ে যেতো গ্রাম-গ্রামান্তরে। গৃহস্থ পরিবারের ছোট ছেলে-মেয়েদের প্রথম বন্ধু ছিলো রাখাল। কালের বিবর্তনে গরুবারী প্রথা বিলুপ্ত হওয়ায় রাখালদের কদরও পুরিয়ে গেছে। ফলে রাখালের দায়িত্বে গ্রামের সবার গরুগুলোকে একত্রিত করে ঘাস খাওয়ার সেই চিরচেনা চিত্র হয়তো আর কোনো দিনই চোখে পড়বে না। এর কারণ হিসেবে উল্লেখযোগ্য হল অনাবাদি পতিত ভুমি অবৈধ্য ভাবে দখল, অনাবাদি জমিগুলো প্রযুক্তির সুবিধায় চাষাবাদের আওতায় নিয়ে আসা, জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপে অনাবাদি জমিতে বসতি স্থাপন এবং হাওরাঞ্চল সংকুচিত হওয়ায় খালি মাঠ না থাকায় গবাদী পশু গুলোকে উন্মক্ত স্থানে চরিয়ে ঘাস খাওয়ার মত পর্যাপ্ত জায়গা না থাকা।অন্যদিকে কৃষকদের এখন গরু দিয়ে হাল চাষ বা ধান মাড়ায়ের কাজ করতে হয় না। এর বিকল্প হিসেবে কৃষকরা আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির মাধ্যমে এই সুবিধা পাচ্ছেন। এতে কৃষক পরিবার আগের মতো এখন আর গরু পালনের প্রয়োজন মনে করছেন না। এক সময়ে কৃষি জমির উর্বরতার প্রধান নিয়ামক হিসেবে গরুর গোবরেই একমাত্র ভরসা ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে কৃষকরা জমির উর্বরশক্তি বাড়ানোর জন্য জমিতে রাসায়নিক সার ব্যবহার করছেন। গ্রামের হতদরিদ্র পরিবার গরুর গোবর দিয়ে গুঁই বানিয়ে (নবীগঞ্জের ভাষায় যেটাকে মুটিয়া বলা হত) বানিয়ে উনুনে জ্বালিয়ে রান্নাবান্নার কাজ সারতেন।তৎকালীন সময়ে গরুবারী দিয়েছেন এমন কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, গরুবারী দেয়ার মতো যাদের নিজের মানুষ ছিল না তারা টাকার বিনিময়ে অন্য একজনকে বারীদারের দায়িত্ব দিতেন। গরুবারীর মাধ্যমে আয়েরও একটা সুযোগ ছিল। গ্রামের অনেক বেকার যুবকরাই রাখালের দায়িত্ব পালন করতেন। পালাক্রমে গরুবারী আসলে এবং এতে কারো বিশেষ অসুবিধা হলে তার পরিবর্তে অন্য আরেক জন ওই দায়িত্বটুকু পালন করতেন। গৃহস্থ পরিবারের কয়েকজন বলেন, ছোটবেলায় তারা লেখা পড়ার ফাঁকে প্রায় সময় গরুবারী দিয়েছেন। এমনকী সকাল-বিকাল গরুগুলোকে মাঠে আনা-নেয়ার কাজ করেছেন। এই কাজে গাফিলাতি হলে অভিভাবকদের কড়া শাসনও মানতে হয়েছে।

প্রজন্ম হোক সমতার সকল নারীর অধিকার এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের উদ্যেগে ও ব্রাকের সহযোগীতায় আর্ন্তজাতিক নারী দিবস ২০২০ উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার সকালে শুরতেই উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামন থেকে একটি র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি শহরে প্রদক্ষিন শেষ করে উপজেলা হল রুমে নারীর ক্ষমতায়নে বঙ্গবন্ধুর ভুমিকা নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সুমাইয়া মুমিন এর সভাপতিত্বে ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুসরাত ফেরদৌসীর পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, প.প কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার জিল্লুর রহমান পজিপ কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ সরওয়ার  শিকদার, সাধারন সম্পাদক মোঃ আলমগীর মিয়া, নবীগঞ্জ পৌরসভার সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পারুল আক্তার, রোখেয়া বেগম, ব্রাক ক্ষুদ্র্নের ফিল্ড সুপারভাইসার আব্দুর রহিম, কৃষি উপ-সহকারী কামরুন্নাহার সুমা প্রমুখ।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে মাইক্রোবাসের এক নারীসহ ৮ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা সবাই নারায়গঞ্জের বাসিন্দা বলে জানা গেলে তাদেও পরিচয় জানা যায় নাই। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার গোপলার বাজার কান্দিগাঁও এলাকায় এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুর রহমান। তিনি বলেন- ঢাকা মেট্রাঃ চ-১৯-৫৪৬২ একটি মাইক্রোবাস নারায়নগঞ্জ থেকে সিলেট যাওয়ার পথে নবীগঞ্জের কান্দিগাঁও এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় মাইক্রোবাসটি রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে একজন নারীসহ ৮ জন নিহত হন।  শেরপুর হাইওয়ে ও শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশের প্রচেষ্টায় বর্তমানে উদ্ধার কাজ শেষ হলে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যাননি। হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান সিলেট যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে  গাড়ী থামিয়ে উদ্ধার কাজে নিজে উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন। এবং আহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। আহতদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আংশকাজনক। দুঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পাল। শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি এরশাদুল  হক ভূইয়া  জানান ড্রাইভার ঘুমের মধ্যে গাড়ীটি চালিয়ে যাচ্ছিল এসময় রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে গাড়ীর ৮ যাত্রী নিহত ও অপর যাত্রী আহত হন। আহতের উদ্ধার করে সিলেট পাঠানো হয়েছে। নিহতের মরা দেহ ও দুর্ঘটনায় কবলিত গাড়ীটি থানায়  রয়েছে। নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

নদী সচল ও প্রবাহমান রাখতে নবীগঞ্জ উপজেলার শাখা বরাক নদীতে আগামী মঙ্গলবার এবং হবিগঞ্জ শহরের পুরাতন খোয়াই নদীতে বৃহস্পতিবার থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে ঘোষনা করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল রবিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান এই তথ্য জানান।জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় থেকে ২৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছে। পুরাতন খোয়াই নদীতে পূর্বে অভিযানের পর এখন সেখানে ৫টি মসজিদ, ১টি মাদ্রাসা ও একটি মন্দির রয়েছে। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধাদের কলোনী ও পূর্ণবাসনকৃত ১৯টি পরিবার রয়েছে। বিষয়গুলো মানবিক হওয়ায় বিকল্প ব্যবস্থার সুযোগ দিতে কিছুটা ধীর গতিতে উচ্ছেদ পরিচালনা করা হয়েছিল। কিন্তু এবারের অভিযানে সবাইকে উচ্ছেদ করা হবে। নবীগঞ্জের শাখা বরাক নদীর ১০১টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। ইতোমধ্যে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।মামলা সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে তিনি বলেন, যেখানে সমস্যা থাকবে সেখানে মামলা নিস্পত্তি করেই উচ্ছেদ হবে। আর যেখানে সর্বোচ্চ আদালতের ডিক্রি রয়েছে সেখানকার জায়গা অধিগ্রহণ করে হলেও উচ্ছেদ করা হবে। অর্থাৎ সরকারী যায়গা পুনরায় ক্রয় করেও নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে।ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি মর্জিনা খাতুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক অমিতাভ পরাগ তালুকদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী এম এল সৈকত।এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নবীগঞ্জ উপজেলার ‘হাট নবীগঞ্জ, শিবপাশা ও রিফাতপুর মৌজার অন্তর্গত শাখা বরাক নদীর তীরবর্তী চরগাঁও ব্রীজ হতে রিফাতপুর, বরাকনগর এলাকায় অবৈধ বসবাসকারীদের সরকারী ভ‚মিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা বসত ভিটি/দোকানভিটি উচ্ছদকল্পে নির্মাণকারীদের নামের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়- তালিকাতে নাম রয়েছে- হাট বাজার মৌজার আবু কালাম চৌধুরীর টং দোকান, সিএনজি স্ট্যান্ড (আধা পাকা ঘর), আলম চৌধুরীর টং দোকান, আল-আমিন চৌধুরীর টং দোকান ২ টি, খুর্শি মিয়ার আধা পাকা ঘর, অসিত পালের ৩ তলা ভবন, লিটন রায়ের চালের গুদাম, রাজু মিয়ার টয়লেট ও টিনসেট, আব্দুর রহমানের ৫ তলা ভবন, প্রতিমা হালদারের টিনসেট ও মুরগির দোকান, তপন রায়ের দোকান ঘর, সমির হালদারের দোকান ও আলুর গুদাম, নবীগঞ্জ পৌরসভার ৬টি আধা পাকা সবজির দোকান ঘর, ফয়সল শোয়েব চৌধুরীর ২ তলা বিল্ডিং, খাবার হোটল আধাপাকা, অসিত মেডিকেল হল আধা পাকা, স্বর্ণা মেডিকেল হল আধাপাকা, কর্ণেল সিকে দাশ এর পাকা দোকান, বাথরুম ও সাইড ওয়াল, আলহাজ আবুল কাশেমের বিল্ডিং, টিপলু ভট্টাচার্জের টিনসেট ও ওয়াল, আখড়ার ৪ অংশে পাকা ওয়াল, বাথরুম, ট্যাংকি, বাথরুম।শিবপাশা মৌজার- আনোয়ার রহমানের ২ টি আধাপাকা, রাহেল মিয়ার পাকা ওয়াল, শেরপুর রোডের মসজিদের পাকা বাথরুম, আনোয়ার রহমানের আধাপাকা নুরানী মার্কেটের ঘর ১০টি ও পাকা ওয়াল, আনমনু মসজিদের পুকুর, আফাজ উদ্দিনের টিনসেড ১টি, আধাপাকা ২টি ঘর ও টয়লেট, কালা মিয়ার আধাপাকা ঘর, টয়লেট, রান্না ঘর, মহরম আলীর আধা পাকা ঘর ও টয়লেট, সানু মিয়ার ওয়াল, ২টি বাথরুম, আধাপাকা ঘর, খলিলুর রহমানের ১টি টিনসেট, কিম্মত আলীর ১টি টিনসেট, মগল আলীর ১টি টিনসেট, আপন মিয়ার ১টি টিনসেট, মমতা বেগমের ১টি টিনসেট, ছত্তার মিয়ার ১টি টিনসেট, জমাদার মিয়ার ১টি টিনসেট, আঃ ছালামের ১টি টিনসেট, আ: মুকিদের ১টি টিনসেট, জহিরুল ইসলাম সোহেলের ১টি টিনসেট, আঃ মন্নাফের ১টি টিনসেট।রিফাতপুর মৌজার- কাজল মোহন ঘোষের ওয়াল, দেওয়ান বিউটি খানের ওয়াল ও ২তলা বিল্ডিং, নেপআলমের ১ তলা বিল্ডিং, অজ্ঞাত ব্যক্তির ১টি ওয়াল, আঃ আওয়ালের আধাপাকা ঘর, শাহ ফজলুল করিমের ১ তলা বিল্ডিং ও টিনসেট, হাজী আব্দুল বশিরের আধাপাকা ঘর, রুশিয়া বেগমের ওয়াল, আজগর আলীর ওয়াল, সিএনজি স্ট্যান্ড, আফাজ মিয়ার ১টি টিনসেট, শওকত আলীর ১টি টিনসেট ও আধাপাকা, হাজি আব্দুর রাজ্জাকের ২ তলা ভবন, ফরহাদ মিয়ার ২ তলা ভবন, জুনায়েদ মিয়ার ১ তলা ভবন, ডাঃ শফিকুল ইসলামের ১ তলা ভবন, মকদ্দুছ আলীর ১টি পাকা ঘর, মোঃ রহিমা খাতুনের ১ তলা ভবন, তারা মিয়ার পুকুর ও টিন সেট, শাহেব আলীর ১টি টিনসেট, জাহির উদ্দিনের পুকুর, ইসলাম উদ্দিনের টয়লেট ও পুকুর, আঃ জব্বারের ২টি ওয়াল ও টয়লেট, আজমান আলীর ওয়াল-টয়লেট, আফাজ উদ্দিনের পুকুর, অফসর উদ্দিনের টয়লেট ও পুকুর পাড়, আবু সালের ১টি পুকুর, মোঃ নোমান মিয়ার ১টি পুকুর, মুকিম উল্লার ১টি পুকুর, ছালিক মিয়ার ১টি পুকুর, বাছিত মিয়ার টয়লেট ও পুকুর পাড়, হিরন মিয়ার ওয়াল, আব্দুল হাফিজ পাকা ওয়াল, মোঃ খানের পাকা ওয়াল, ছালেক মিয়ার পুকুর, ছত্তার মিয়ার পুকুর। হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (অঃদাঃ) এম এল সৈকত স্বাক্ষরিত এক তালিকায় উপরোল্লিতদের নামের তালিকা দেয়া হয়। ওই তালিকায় অবৈধ স্থাপনার পরিমান, দাগ নং, ঘরের বিবরণ, অবস্থান ও মন্তব্য রয়েছে। যে যতটুকু জায়গা দখল করেছেন ততটুকুই উচ্ছেদ করা হবে।

ইতিমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড, নবীগঞ্জ ভূমি অফিস ও পৌরসভার সার্ভেয়াররা সরেজমিনে দখলদারের নাম তালিকাভূক্ত করে বিভিন্ন বাসা-মার্কেটে লাল রঙ দ্বারা চিহ্নিত করে রেখেছেন।

ভোটার হয়ে ভোট দিব দেশ গড়ায় অংশ নেব এই শ্লোগান কে সামনে রেখে নবীগঞ্জ  জাতীয় ভোটার দিবস পালিত হয়েছে।এ উপলক্ষে গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা নিবার্চন কার্যালয়ের উদ্যোগে এক র‌্যালি আয়োজন করা হয়।র‌্যালিতে অংশ নেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পাল, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দেবশ্রী দাশ পার্লি, নবীগঞ্জ প্রেস-ক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ আলমগীর মিয়া, নবীগঞ্জ আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আমজদ মিলন,সাংবাদিক মোঃ হাসান চৌধুরী প্রমুখ। 

নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের রিফাতপুর গ্রামে একটি সরকারী গোপাট দখল করে নিচ্ছে কতিপয় প্রভাবশালী।এ নিয়ে দুটি পক্ষের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি প্রতিকারের জন্য গ্রামের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকেরা নিকট অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগে জানা যায়, দীর্ঘকাল থেকে রিফাতপুর গ্রামের সরকারী গোপাট দিয়ে বর্ষা মৌসুমে নৌকা চলাচল করতো। ওই গোপাট দিয়ে বড় বিল এবং হাওরে নৌকাযোগে গরুর ঘাস কাটাসহ নিত্যপ্রয়োজনে নৌকা চলাচল করতো। কিন্তু রিফাতপুর গ্রামের ইনছান উল্লাহ পুত্র সুমন মিয়া ও ছাবই মিয়ার পুত্র আব্দুল হাই গোপাটটি ভরাট করে দখল করে নিয়েছেন। সুমন মিয়া গোপাটের উত্তর দিকে এবং আব্দুল হাইয়ের দক্ষিন  দিকেও মাটি ভরাট করছে। গ্রামবাসীর বাধা উপেক্ষা করে মাটি ভরাট করে কাজ করায় এলাকায়  উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা স্থানীয় জনগণের। দখলবাজ সুমন ও আব্দুল হাই এর কবল থেকে সরকারী গোপাটটি রক্ষা করতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিদের্শে সদর ইউনিয়নের তহশিদারের নেতৃত্বে  একদল লোক ঘটনাটি তদন্তে সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। এবং ওই তদন্তকারী কর্মকর্তা বিষুপদ ভট্রাচায্য  গত বৃহস্পতিবার সরকারী গোপাট শ্রেণী ভ’মি উদ্ধারের জন্য একটি প্রতিবেদন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিকট উপস্থাপন করেছেন।

নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের খনকারীপাড়ার গ্রামের কৃতি সন্তান ইউরোপের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল এন টিভির সিলেটের আঞ্চলিক ভাষার প্রোগাম মায়ার সিলেটের উপস্থাপক গাতিকবি কতুব আফতাবকে এক সংসর্ধনা প্রদান করেছে নবীগঞ্জ উপজেলার কুশি ইউনিয় পরিষদের সদস্য বৃন্দ। গতকাল রবিবার দুপুরে ইউনিয়ন অফিসের হলরুমে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পারছু মিয়ার  সভাপতিত্বে ও কুশি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কামাল হাসান চৌধুরীর  পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন  উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব  সাইফুল জাহান চৌধুরী,বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ সরওয়ার শিকদার,সাধারন সম্পাদক মোঃ আলমগীর মিয়া, ইউপি আওয়ামীলীগের সভাপতি নুর হোসেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লন্ডন প্রবাসী আব্দুল গফুর,ইউপি সদস্য শাহ সামসুল আলম সুজন, জামাল খান, রাজিয়া বেগম,ছদর উদ্দিন চৌধুরী,নজরুল আমিন, ডাঃ অমেলেন্দু সূত্রধর, সৈয়দ হায়দার আলী মীর, এনামুল হক এনাম প্রমুখ।  সংবর্ধনা অনুষ্টানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন  গোলাম হোসেন গীতাপাঠ করেন অমেলেন্দু সূত্রধর। আলোচনা সভা শেষে  সংবর্ধিত ব্যাক্তিকে ফুল ও ক্রেষ্ট দিয়ে সম্মান বরন করা হয়।

  1. Popular
  2. Trending
  3. Comments

Calender

« June 2020 »
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
1 2 3 4 5 6 7
8 9 10 11 12 13 14
15 16 17 18 19 20 21
22 23 24 25 26 27 28
29 30