কানেকটিকাটে ডাঃ উমা রানী মধুসূদনা কোরুনা মহামারীর ফ্রন্টলাইনের যুদ্ধা। তার অক্লান্ত পরিশ্রমের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ তাকে সম্মান জানিয়ে পুলিশ, ফায়ার ফাইটার, সর্স্তরের জনতা বাড়ির সম্মুখে ধন্যবাদ সাইন প্রোথিত করে, এবং পুলিশ, ফায়ার ফাইটার সাইরেন বাজিয়ে তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে!!

ডাঃ উমা মাদুসুদানা নিউইয়র্কে একটি হসপিটালের কাজ করেন। উনার নিরলস প্রচেষ্টায় অনেক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রুগী সুস্থ হয়েছে। তার কৃতজ্ঞতা স্বরূপ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, কমিউনিটি কর্মী আর সুস্থ হওয়া রুগী ও তাদের স্বজনদের মোটর শোভাযাত্রা ডাক্তারের বাড়ির সামনে।

 

নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী নোমানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনের অভিযান।। বিপুল পরিমান টিসিবি পণ্য আটক!!

নবীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ভিজিডির আত্মসাতকৃত চাল নিয়ে জনতার হাতে আটক!!

‘৫০ বছরের বিরতিহীন যাত্রা। ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০ থেকে অদ্যাবধি। যাত্রাপথে কতশত আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখ, আশা-হতাশা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, বাধা-বিপত্তি—সবকিছু আমরা বিশ্বাস, আস্থা আর ভালোবাসায় হাসিমুখে ভাগ করে নিয়েছি। সত্যি, জীবন কত চ্যালেঞ্জিং এবং মধুময়!’ দাম্পত্য জীবনের ৫০ বছর পেরোনো আবুল হায়াত সংক্ষেপে এভাবেই তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করলেন।

মাহফুজা খাতুন শিরিনকে অভিনেতা আবুল হায়াত বিয়ে করেন ৫০ বছর আগের এই দিনে। সেই দাম্পত্য জীবনের আজ ৫০ বছর পার হলো। সুখে–দুঃখে একজন মানুষের সঙ্গে ৫০ বছর পার করে দেওয়াটা আজকালকার হুটহাট সংসার ভাঙার এই সমাজে দারুণ এক দৃষ্টান্ত, উৎসবের উপলক্ষ।

 

সারা দিনই নানা আয়োজনে আবুল হায়াত ও মাহফুজা শিরিনের ৫০ বছর পূর্তি কেটেছে। সন্ধ্যায় ঘরোয়া আয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন। সেখান থেকে প্রথম আলোকে আবুল হায়াত বলেন, ‘সুখ হচ্ছে মানুষের চাওয়া। আকাঙ্ক্ষা। এটার একটা সীমাবদ্ধতা থাকা উচিত। চাওয়া কম থাকলে একটা মানুষের প্রাপ্তিটা বেশি হয়। আমি আমার বাবার কাছ থেকে শিখেছি—চাইবা কম, তাহলে দেখবে সব সময় পাবে বেশি। আর বেশি চাইলে দেখবে নিরাশ হতে হচ্ছে। যা তোমার জীবনে একটা নেতিবাচক দিক চলে আসবে। সারা জীবন আমি সেটাই অনুসরণ করেছি। আমার চাওয়াটা সব সময় খুবই অল্প ছিল, কিন্তু সারা জীবন সবচেয়ে বেশিই পেয়েছি।’

স্ত্রীকে নিয়ে সাইকেল চালাচ্ছেন আবুল হায়াত। ছবি: ফেসবুকস্ত্রীকে নিয়ে সাইকেল চালাচ্ছেন আবুল হায়াত। ছবি: ফেসবুকবিনোদন অঙ্গনে ইদানীং সংসার ভাঙার কথা বেশি শোনা যায়। বিষয়টিতে তারকাদের ঘিরে নেতিবাচক একটি ভাবমূর্তি তৈরিও হয়। নতুন প্রজন্মের জন্য আবুল হায়াত বললেন, ‘আমি সবাইকে বলতে চাই বিশ্বাস, আস্থা ও ভালোবাসা নিয়েই এগিয়ে যেতে। চাওয়ার সীমাবদ্ধতাও যেন থাকে। কোনো কিছুতে ক্রেজি হলে চলবে না। এমন মানসিকতা পোষণ করব না যে আমার এটা পেতেই হবে। এটা করতে হবে। অমুকের মতো হতে হবে। অমুকের মতো করতে হবে। নিজের মতো করে ভালোবেসে কাজ করে যেতে হবে। স্বামী কিংবা স্ত্রীর কেউ কাউকে যেন না বলে, কেন আমার মতো হতে পারছ না—এসব অস্থির মানসিকতা দুজনকে পরিহার করতে হবে। তা না হলে কোনো সম্পর্কই টিকবে না। এখনকার প্রজন্ম অনেক বেশি অস্থিরতায়ও ভোগে। কোনো ধরনের অ্যাফোর্ট দেওয়া ছাড়া তাঁরা যেকোনো কিছু পেতে চায়—এটাও সবচেয়ে বড় সমস্যা।

অনেক সময় সুখী দম্পতিরা বলে থাকেন ভুল মানুষকে বিয়ে করেছেন। আপনার কি কখনো তেমন কিছু মনে হয়েছে? ‘এমন প্রশ্নে আবুল হায়াত বলেন, ‘আমার কখনোর মনে হয়নি ভুল মানুষকে বিয়ে করেছি। আমি সব সময় মনে করি, দাম্পত্য জীবনে দুজন মানুষ দুটি অপরিচিত জায়গা থেকে একটা জায়গায় একত্র হয়েছি। ছোটবেলা থেকে একটি মেয়ে কী পরিবেশে বেড়ে উঠেছে। তাঁর মানসিকতা কেমন—একজন পুরুষকে শুরুতে এটা বুঝার চেষ্টা করতে হবে। বিয়ের পর একটা মেয়ে একেবারে নতুন একটা পরিবেশে আসে। একদিনে সে নিজেকে বদলে ফেলবে, এমনটা হতে পারে না। আমি মনে করি, স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলেই একটা আলাদা সংস্কৃতি তৈরি করবে। দুজনে মিলে যে সংস্কৃতি তৈরি করে, সেটাই দাম্পত্য জীবন টিকে থাকার সেরা উপায়। আমরা সেভাবেই নিজেদের গড়ে নিয়েছি। আমার সন্তানদের বড় করে তোলা, মানুষ হিসেবে তৈরি করার পুরো কাজটি আমার স্ত্রী একাই করেছে। আমি চাকরি করেছি, সিনেমায় অভিনয় করেছি, টেলিভিশন নাটক করেছি, মঞ্চের কাজ করেছি—পরিবারকে সে একাই সামলেছে। ঘরের সব বিষয় সুন্দরভাবে সামলেছে—এটা অনেক বিরাট ব্যাপার।’

আবুল হায়াত ও মাহফুজা খাতুন শিরিন। ছবি: ফেসবুকআবুল হায়াত ও মাহফুজা খাতুন শিরিন। ছবি: ফেসবুকআবুল হায়াত এ–ও বলেন, ‘আজকের আমার আমি ৭৫ শতাংশ তাঁর অবদানে। নাটকের প্রতি আমার ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা, ভালো লাগা, ভালোবাসা—এটার পেছনের অবদান, সমর্থনটা আমার স্ত্রীর ছিল সবচেয়ে বেশি। আমি দেশের বাইরে ছিলাম। বললাম চলে যাব দেশে—এটা বলার পর সে আমাকে বলেছে, তোমার যদি ভালো না লাগে তুমি চলে আসো। নাটক করতে আসলাম। সরকারি চাকরিতে থেকে নাটক করতে অসুবিধা হয়, বলল ছেড়ে দাও। এই সাপোর্টগুলো আমরা সব সময় জীবনসঙ্গীর কাছ থেকে প্রত্যাশা করি। আর সত্যিকারের জীবনসঙ্গীরাই এমনটা করে থাকে।’
আবুল হায়াত ও মাহফুজা শিরিন দম্পতির দুই সন্তান—বিপাশা হায়াত ও নাতাশা হায়াত। রাতেই তাঁরা মা-বাবার দাম্পত্য জীবনের ৫০ বছর পূর্তির জন্য শুভেচ্ছা জানান। এ ছাড়া ফেসবুকে বিনোদন অঙ্গনের অনেকের পাশাপাশি তাঁর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভকামনা জানিয়েছেন। জীবনের সুন্দর দিনে তিনি তাঁর ও স্ত্রী-সন্তানদের জন্য দোয়া চেয়েছেন সবার কাছে।

৫ জানুয়ারী রোজ রবিবার বিকেলে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সিনিয়র দলিল লিখক  তোফাজ্জল হোসেন ও দৈনিক হবিগঞ্জের মুখ পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি নুরুজ্জামান ফারুকীর মাতা আজিজুন নেছার ১ম মৃত্যু বাষির্কী পালন করা হয়েছে। মৃত্যু বাষির্কী উপলক্ষে সাংবাদিকদ্বয়ের পৌর এলাকার মদনপুর গ্রামের নিজ বাস ভবনের মিলাদ মাহফিল ও কোরআন খানি  অনুষ্টিত হয়। উক্ত মিলাদ মাহফিলে সাংবাদিক জনপ্রতিনিধি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য তিনি গত ১৮ সালের ৫ই জানুয়ারী বার্ধক্যজনিত কারনে নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল করেন।

চিকিৎসার জন্য রাজশাহীর  বাড়ি  বিক্রি করলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। এ সংগীতশিল্পী বর্তমানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অসুস্থ অবস্থায় গত ৯ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন তিনি। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এ পর্যন্ত তার তিনটি সাইকেলে ১২টি কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর থেকে কেমোথেরাপির পরবর্তী সাইকেল শুরু হয়েছে। আরও তিনটি সাইকেলে ১২টি কেমোথেরাপি দিতে হবে বলে জানান চিকিৎসকরা। এখন চলছে সেই কেমোথেরাপি। প্রত্যেকটি কেমোর জন্য লাগছে ৯ লাখ টাকা। এন্ড্রু কিশোর প্রথমত তার চিকিৎসার জন্য কারো কাছে হাত পাততে চাননি। নিজের জমানো টাকা দিয়ে চিকিৎসা শুরু হয়। অবশেষে এবার নিজের ফ্ল্যাটটিও বিক্রি করে দেন। ঢাকার তুলনায় রাজশাহী শহরে ফ্ল্যাটের দাম কম। ৩০ লাখ টাকার মতো দাম পেয়েছেন এই ফ্ল্যাটের। এখন সম্বল বলতে আছে তার মিরপুরের ফ্ল্যাটটি। সিঙ্গাপুর হাসপাতাল থেকে এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসার বাজেট দেওয়া হয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। এরই মধ্যে শিল্পীর পরিবার খরচ করেছে এক কোটি টাকারও বেশি। প্রয়োজন আরও অনেক টাকা। এরইমধ্যে শিল্পীর পাশে দাঁড়িছেন অনেকেই। কিংবদন্তি এই শিল্পীর ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য সংগ্রহ হয়েছে ৫০ লাখ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃতে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে সর্বাত্বক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে। এটা সরকারের বড় সাফল্য। বর্তমান সরকার শিক্ষা প্রতিষ্টানের উন্নয়নে যুগান্তরকারী সকল উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পরিকল্পনা মন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান এমপি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, সিলেট বিভাগের উন্নয়নের জন্য  আমার হাতে ৫শত কোটি টাকা আছে। এসব টাকার একটি অংশ জগন্নাথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ব্যয় করা হয়েছে এবং বাকি টাকা বিভাগের প্রতিটি উপজেলায় পর্যায়ক্রমে ব্যয় করা হবে। প্রতিষ্টানের ছাত্রীদের উদ্দ্যেশ করে তিনি আরো বলেন, তুমার লন্ডনের আশা বাদ দিয়ে ভাল করে লেখা পড়া করো। কোন অভিভাবক যাহাতে লেখা- পড়া বাদ দিয়ে লন্ডনের আশায় বিয়ে না দেন সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। একদিন এই শিক্ষার্থীরাই হতে পারে এদেশের এমপি, মন্ত্রী। তিনি বিদ্যালয়ে প্রতিষ্টিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কর্ণারের উদ্বোধন করেন।
পরে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন, নবীগঞ্জ বাহুবল আসনের সাংসদ দেওয়ান শাহ নওয়াজ মিলাদ গাজী, সুনামগঞ্জ ১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সংসদ সদস্য জয়া সেন গুপ্ত, সুনামগঞ্জ চার আসনের সাংসদ মুহিবুর রাহমান মানিক এমপি, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার সংরক্ষিত আসনের এমপি শামীমা আক্তার খানম, নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আকমল হোসেন, নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইমদাদুর রাহমান মকুল, নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী সহ আরো অনেকেই।
ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মখলুছ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ইনাতগঞ্জ  উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদরুল আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পুলিশ সুপার নবীগঞ্জ বাহুবল সার্কেল পারভেজ আলম চৌধুরী, নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ বিন হাসান, জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুম, নবীগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমান।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে নবীগঞ্জে জনতার বাজার গরুর হাট

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular