October 5, 2022
নিজস্ব প্রতিনিধি

নিজস্ব প্রতিনিধি

দৈনিক নবীগঞ্জের ডাক 

নবীগঞ্জে শাখা বরাক গবাদি পশু খামার দিয়ে সফল উদ্যোক্তা জামশেদ চৌধুরী।তিনি দেশি বিদেশি গবাদি পশু গরু,ছাগল,হাঁস,মুরুগ,বিভিন্ন প্রজাতির পাখি লালন পালন করছেন বলে সরজমিনে গিয়ে জানাযায়।তিনি তার খামারে ৫০-৬০ টি উপর দেশি বিদেশি গরু রয়েছে এছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির হাঁস, মুরগি, পাখি দেখা যায় । গবাদি পশু পালনের পাশাপাশি কৃষি কাজের সাথে জড়িত রয়েছেন।জামশেদ মিয়া নবীগঞ্জ পৌর এলাকার চরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।

 

র‌্যাব-৯ এর একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৈতন্যপুর এলাকা থেকে সৈয়দ শামসুল ইসলাম আতিক (২৬) নামের এক যুবককে ১টি রিভলবার, কার্তুজসহ তাকে আটক করে নবীগঞ্জ থানা পুলিশে সোর্পদ করেছেন। ধৃত আতিক মৌলভীবাজার জেলার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত সৈয়দ এখলেছুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তারা চৈতন্যপুর বসবাস করেন। এ ব্যাপারে র‌্যাব-৯ এর কর্মকর্তা মোঃ গোলাম সারওয়ার বাদী হয়ে থানায় মামলা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়, র‌্যাব-৯ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামের চৌধুরী বাড়ীতে ধর্তব্য অপরাধ সংগঠনের জন্য মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রসহ কতিপয় লোক অবস্থান করিতেছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিদের্শে র‌্যাব-৯ এর ডিএডি মোঃ গোলাম সরওয়ার সিপিসি-১, শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জের একদল র‌্যাব সদস্য রবিবার দিবাগত রাতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় সৈয়দ শামসুল ইসলাম আতিক (২৬) কে আটক করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি ও নিজ হাতে বের করে দেয়া মতে তার বসত ঘর থেকে গোলাপী রংয়ের ছোট শপিং ব্যাগের ভিতর রক্ষিত একটি লোহার তৈরী কালো রংয়ের দেশীয় তৈরী রিভলবার. যাহার কাঠের বাটসহ ১০ ইঞ্চি লম্বা, ২টি ফায়ারকৃত বুলেটের কার্তুজ এবং ৩টি ফায়ারকৃত বুলেটের সামনের অংশ ধৃত সৈয়দ শামসুল ইসলাম আতিকের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় ধৃত সৈয়দ শামসুল ইসলাম আতিক কে অস্ত্র ও কার্তুজসহ থানা পুলিশে সোর্পদ করেছেন র‌্যাব-৯। এ ব্যাপারে র‌্যাব-৯ এর কর্মকর্তা মোঃ গোলাম সরওয়ার বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা নং ১৭, তারিখ ২৬-০৯-২০২২ইং দায়ের করেছেন।

নবীগঞ্জ উপজেলার বিশিষ্ট শালিস বিচারক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব বাউসা ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত প্রাক্তন চেয়ারম্যান সকলের পরিচিত মূখ আলহাজ্ব আব্দুল হাই আর নেই (ইন্নালিল্লাহি—- রাজিউন)। গত বৃস্পতিবার সকাল ৭ টায় ঢাকাস্থ ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে তিনি ৭ সেপ্টেম্বর নিজ বাসায় সিড়িঁ থেকে পা পিচলে পড়ে গিয়ে মাথায় আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তিনি ঢাকাস্থ ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হসপিটালে আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। দীর্ঘদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে বৃহস্পতিবার সকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তার মৃত্যুর খবর নবীগঞ্জ পৌছলে উপজেলার সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে। তিনি এক সময় নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া এই বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল হাই নবীগঞ্জ পৌরসভার ১ম নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন। পরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের সংঘাত, সংঘর্ষ, দাঙ্গা-হাঙ্গামার ঘটনায় সৃষ্ট সালিশ বিচারে অংশ নিয়ে বিচক্ষনতার সহিত দায়িত্ব পালন করে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। মরহুমের ১ম জানাজার নামাজ আজ সকাল ১১ টায় চৌধুরী বাজার ধুলচাতল তাজিয়া মুবাশি^রিয়া মাদ্রাসা মাঠে, ২য় জানাজা বেলা ২ টায় নবীগঞ্জ জেকে হাই স্কুল মাঠে এবং ৩য় জানাজা মরহুমের গ্রামের বাড়ি বদরদী মাঠে অনুষ্টিত হবে। ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী, ৬ কন্যা ও একমাত্র পুত্র সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান।

সারাদেশে কেন্দ্রীয় বিএনপির কর্মসূচির অংশ হিসেবে নবীগঞ্জ পৌর বিএনপির শুক্রবার  জুম্মার পর ছিল বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি। পৌর বিএনপির শান্তিপূন প্রোগ্রাম ঠেকাতে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করায় কর্মসূচি বাতিল করার তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলন করেন নবীগঞ্জ পৌর বিএনপি। শুক্রবার বিকেলে সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়ার বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন,নবীগঞ্জ-বাহুবলের সাবেক সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া,পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির  আহবায়ক ছালিক আহমদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ডাঃ আব্দুল আলীম ইয়াছিন যুগ্ম আহব্বায়ক জয়নাল আবেদীন,নুরুল আমিন,বিএনপি নেতা সাবেক কাউন্সিল রহুল আমিন রফু, সুন্দর আলী,মুশফিজ্জামান নোমান,সাইফুর রহমান মালিক,পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ আলমগীর মিয়া,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছায়েদ আহমেদসহ, বিএনপি,ছাত্রদল,,যুবদল,মহিলাদল, কৃষকদল, শ্রমিকদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় সাংবাদিক এম, মুজিবুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অস্ত্রধারীরা চালায সন্ত্রাসী তান্ডব৷ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- গত (৩১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে নির্বাচনী প্রতিহিংসা ও গ্রাম্য বিরোধের জের ধরে দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর এলাকায় দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি ও ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য শাহ সুলতান আহমেদকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য ফখরুল ইসলাম জুয়েলের বাড়িতে গোপন মিটিং করে সংঘবদ্ধ দূর্বৃত্তরা হামলা চালায়৷ জুয়েলের ভাই জুনেদ মিয়াসহ ৫জনকে আসামী করে সুলতান হামলার ঘটনার জেরধরে ও সংবাদ প্রকাশ এবং প্রতিবাদ করায় এ হামলার ঘটনা ঘটে৷ । এদিকে সাংবাদিক শাহ সুলতানের উপর হামলার প্রতিবাদে ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ জানান দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি ও নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান। এ ঘটনার জের ধরে সোমবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দীঘলবাক ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জুয়েল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়ে জুয়েলসহ ২০/২৫ জন সাংবাদিক মুজিবুর রহমানের বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়। সাংবাদিক মুজিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন- আমি জরুরি কাজে সুনামগঞ্জে আছি, আমার অনুপস্থিতি সাবেক মেম্বার জুয়েলের নেতৃত্বে আমার বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে, পুলিশের যথাযথ সহযোগীতা না পাওয়ার অভিযোগ করেন সাংবাদিক মুজিব। এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ডালিম আহমেদ জানান- খবর পেয়েছি, ঘটনাস্থলে পুলিশ যাচ্ছে, যাতায়াত ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় পুলিশ যেতে সময় লাগছে।

নবীগঞ্জ উপজেলার বিশিষ্ট সমাজ সেবক হিরা মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা মরহুম আব্দুল মন্নাফের ১৭তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ শুক্রবার(০২ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে ছিলো কোরআন খতম, কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল ও শিরনী বিতরণ। মরহুমের বাসভবন ও মসজিদে এসব কর্মসূচী পালিত হয়। মরহুম আব্দুল মন্নাফ নবীগঞ্জ উপজেলা জাসদের প্রতিষ্টাতা সভাপতি ছিলেন। নবীগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মোতায়ল্লী, নবীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের গর্ভনিং বডির সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তিনি লন্ডনে মুক্তিযোদ্ধের সংগঠকের দায়িত্বও পালন করেন। তিনি দৈনিক সিলেট মিরর পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি,দৈনিক হবিগঞ্জের মুখ ও দৈনিক শায়েস্তাগঞ্জ এর বিশেষ প্রতিনিধি এবং নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও নবীগঞ্জ প্রয়াত সাংবাদিক স্মৃতি সংসদ এর সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিঠুর পিতা। সাংবাদিক মিঠু সকলের কাছে তার পিতার জন্য দোয়া কামনা করেছেন।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন- রাজপথে বিএনপিকে মোকাবেলার করার শক্তি ও সামর্থ আওয়ামীলীগের নেই। একটি ফেস্টুন ছিড়ে ফেলার মত তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাধবপুর থেকে নবীগঞ্জ, আজমিরীগঞ্জ থেকে হবিগঞ্জের ত্যাগী ও মাঠের কর্মীদের আসামীভুক্ত করে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করার মধ্য দিয়েই তার প্রমাণ হয়েছে। তিনি গতকাল সোমবার সংবাদপত্রে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।জি কে গউছ আরও বলেন- বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়েই আওয়ামীলীগ পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করছে। তারা একেকটি কাল্পনিক ঘটনা তৈরী করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরোদ্ধে গায়েবী মামলা দায়ের করে বিএনপিকে দমিয়ে রাখতে চায়। আওয়ামীলীগ মনে করে, মিথ্যা মামলা দিলেই বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। কিন্তু তাদের ধারণা ভুল। অতিতে এ রকম শত শত মামলা দায়ের করা হয়েছে কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়নি, করা যাবেও না।তিনি বলেন- রাষ্টযন্ত্রকে ব্যবহার করে পৃথিবীর কোন স্বৈরশাসক ঠিকে থাকতে পারেনি। বিনাভোটের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ঠিকে থাকতে পারবে না। গণআন্দোলনের মুখেই আওয়ামীলীগের পতন নিশ্চিত করা হবে। সেই দিন আর বেশি দুরে নয়।পুলিশ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে জি কে গউছ বলেন- একই শহরে আওয়ামীলীগ মিছিল করবে, সভা-সমাবেশ করবে, আর বিএনপি করতে পারবে না, তা জনগণ বরদাস্ত করবে না। এতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা হারাবে, আস্থার সংকট তৈরী হবে। পুলিশ আমাদের প্রতিপক্ষ না। তাই আমরা প্রত্যাশা করি, পুলিশ প্রশাসন নিরপে হয়ে কাজ করবে।তিনি ছাত্রদল নেতা হাফিজুল ইসলাম ও যুবদল নেতা শাহীন তালুকদারের মুক্তির দাবী জানান এবং ৬৪ জনকে আসামী করে আওয়ামীলীগ যে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে তার নিন্দা জানান।

নবীগঞ্জে পূর্ব  বিরোধের জের ধরে মিথ্যা ইভটিজিংয়ের নাটক সাজিয়ে প্রতিপক্ষর লোককে ফাসানোর ঘটনায়  এলাকা তোলপাড় চলছে।  এই  মিথ্য ইভটিজিংয়ের নাটকে এলাকায়  মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। খোঁজ  নিয়ে জানাযায়, কুর্শি ইউনিয়নের  বাংলা বাজার নামক স্থানে  ইভটিজিং নাটকের  মুলহুতা জনৈক ছাত্রী এনাতাবাদ গ্রামের নুনু মিয়ার  লোকজন নাটকীয়  ইভটিজিং  সাজাপ্রাপ্ত  মখলিছ মিয়ার চাচাতো ভাইদের উপর বিগত ২/৩ মাস পূর্বে হামলা চালায়। এ ঘটনায় মখলিছ মিয়ার চাচাতো ভাই মুমিন মিয়া বাদী থানায় ১০ জনকে আসামী করে নবীগঞ্জ  থানায় মামলা দায়ের করেন।  ওই ঘটনার  জনৈক ছাত্রী  পিতা নুনু মিয়া এবং তার ভাই তছু মিয়া ১৯ দিন কারাভোগ করেন।  জামিনে এসে প্রতিপক্ষের  লোককে ফাসোনোর চেষ্টা  লিপ্ত থাকে।  কুর্শি ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান বিষয়টি নিষ্পত্তি করা চেষ্টা করলে বাদী পক্ষের লোকজন  বিষয়টি  আপোষে দেখবেন না বললে চেয়ারম্যান সহ আসামী বিভিন্ন মামলায় সহ নানা ধরনের ভয়ভীতি  প্রদর্শন করেন। ইতিপূর্বে কোন উপায়  গত সোমবার চেয়ারম্যান কতিথ ইভটিজার কে  জনৈক মেয়ের আপন ভাই মামলার আসামী ছাবির মিয়াসহ কয়েক জন লোক মিলে  ধরে নিয়ে চেয়ারম্যান বাড়ীতে নিয়ে মারধর  করার অভিযোগ রয়েছে। খবর পেয়ে মখলিছ মিয়ার  ভাই আশিক মিয়া, আকলিছ মিয়া ছুটে গিয়ে তার ভাই লোক দিয়ে ধরে আনার কারন জানতে চান। চেয়ারম্যান কোন ব্যাখা দিতে রাজি নন। সকাল থেকে চেয়ারমানের বাড়ীতে মখলিছ মিয়ার নির্যাতনের  খবর এলাকায় ছড়িয়ে বিষয়টি কে অন্যভাবে প্রবাহিত করতে এই ইভটিজিংয়ের নাটক সাজিয়ে তাকে ফাসানো হয়। সহজ সরল প্রকৃতির  লোক মখলিছ মিয়াকে মিথ্যা ইভটিজিং  নাটক  করে ফাঁসানোর  ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য অলিউর রহমান বলেন,মকলিছ মিয়া কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী ,ঠিকমত কথার উত্তরে কথা বলতে পারেনা । ওর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ কষ্ট দায়ক ও বোধগম্য নয় ।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular