Login to your account

Username *
Password *
Remember Me

Create an account

Fields marked with an asterisk (*) are required.
Name *
Username *
Password *
Verify password *
Email *
Verify email *
Captcha *
Reload Captcha

Heirloom consequat, irure reprehenderit duis Shoreditch. Art party wayfarers nihil pour-over cupidatat id. Brunch incididunt minim, in bitters adipisicing.

নারায়ণগঞ্জে যোগ দেয়ার আগে গাজীপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হারুন অর রশীদ। টানা চার বছর এ জেলায় দায়িত্ব পালনের সময় তার বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ ওঠে। ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের জিম্মি করে টাকা আদায়, জমি দখলে সহায়তা ও মদত দেয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। ক্ষমতার দাপটে কোনঠাসা ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এমনকি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও। টাকার জন্য তার জিম্মি ফাঁদে পড়েন খোদ ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরাও। গাজীপুর থেকে বদলি হওয়ার পর হারুনের নানা অপকর্মের বিষয় আলোচনায় আসে। তবে ভয়ে কেউ মুখ খুলেননি। নারায়ণঞ্জ থেকে প্রত্যাহারের পর তার বিরুদ্ধে তদন্তের ঘোষণা দেয়ায় এখন গাজীপুরের ভুক্তভোগীরাও মুখ খুলতে শুরু করেছেন।

যত অভিযোগ: ২০১৮ সালে মাওনার নয়নপুর বাজারে প্রায় ২১ শতাংশ জমির ওপর একটি মার্কেট দখলে এসপি হারুন সহযোগিতা করেন। বিনিময়ে তিনি নেন বড় অংকের টাকা। এমন অভিযোগ করেছেন ওই মার্কেটের মালিক আমিনুল হাজী। তিনি বলেন, আমরা তিন ভাইয়ের নামে ওই মার্কেটটি ছিল। প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৪৪ শতাংশ জমি কিনেছিলেন আমাদের বাবা। পরে সরকার এই জমির ২৩ শতাংশ নিয়ে যায়। বাকি ২১ শতাংশ জমির ওপরই মার্কেটটি ছিল। কিন্তু গত বছরের ৪ঠা অক্টোবর জমির পূর্বের মালিকের ছেলে আমির হোসেন এসপি হারুন ও ডিবির সহযোগিতায় মার্কেটটি দখলে নিয়ে যায়। অথচ জমির সবকিছু ঠিক ছিল। একদিন গভীর রাতে শ’ শ’ পুলিশ ও ডিবি সদস্যদের উপস্থিতিতে বুলডোজার দিয়ে মার্কেটটি ভেঙ্গে তারা দখলে নেয়। এর আগে জমি ছেড়ে দেয়ার জন্য ডিবি আমাদের বাড়িতে গিয়ে খারাপ আচরণ করেছিলো। তারা আমাদের অনেক ভয়ভীতি হুমকি দিয়েছিলো। এরপর এসপি অফিসে গিয়ে ডিবির ওসি আমির হোসেনের কাছে আমরা ঘটনা বুঝিয়ে বলি। কিন্তু তিনিও আমাদেরকে সহযোগিতা না করে উল্টো মার্কেটটি ছেড়ে দেয়ার কথা বলেন। ২০১৭ সালের ৪ঠা নভেম্বর দুপুর ১টা। গাজীপুর পৌর সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলার মুক্ত সংবাদ পত্রিকার অফিস থেকে ডিবি পুলিশের সদস্যরা জোরপূর্বক টেনে হিচড়ে তুলে নিয়ে যায় পত্রিকাটির সম্পাদক প্রকাশক মো. সোহরাব হোসেনকে। তিনি ছোটবেলা থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধি।

যারা তুলে নিয়ে যাচ্ছিলো তাদের তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন কেন তাকে নেয়া হচ্ছে। ডিবির সদস্যরা জবাব দেন এসপি হারুনের নির্দেশে তাকে নেয়া হচ্ছে। সোহরাব বলেন, আমাকে প্রথমে নেয়া হয় গাজীপুর ডিবি অফিসে। সেখানে গিয়ে দেখি সাব রেজিষ্টার মনিরুল ইসলাম বসে আছেন। যার বিরুদ্ধে ঘটনার কয়েকদিন আগে বিভিন্ন দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে আমার পত্রিকায় তথ্যভিত্তিক রিপোর্ট করেছিলাম। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তৎকালীন ডিবির ইন্সপেক্টর আমির হোসেন আমাকে বলেন, সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে গিয়ে আমি চাঁদা চেয়েছি। কিন্তু কখনওই আমি সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে যাইনি। ওই অফিসের আটটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই সেটি নিশ্চিত হওয়া যেত। কিন্তু তারা আমার কথা শুনেননি। বরং আমাকে বিভিন্ন এলাকা ঘুরিয়ে কোর্টে নিয়ে গারদখানায় আটকে রাখতে চেয়েছিলেন। পরে সেখানে দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রেখে চাঁদাবাজির মামলা তৈরি করে আমাকে আদালতে তোলা হয়। ওই মামলায় আমি ১৭দিন জেলে ছিলাম। ওইদিনই আবার জেলগেট থেকে তুলে নিয়ে এসপি হারুনের কাছে আমাকে মুচলেকা দিতে হয়েছে।

চার বছর আগে একশ কোটি টাকা মুল্যের একটি জমি জোর করে রেজিষ্ট্রি করতে আর্থিক সুবিধা নিয়ে সহযোগিতা করেছেন এসপি হারুন এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে জেলা যুগ্ম জজ আদালতে মামলাও হয়েছিলো। ২০১৬ সালের ১০ই মে ভুমি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দা এই মামলা করেন। পরে এসপি হারুন আদালতে মুচলেকা দিয়ে জামিন নেন।

এসপি হারুনের হয়ানির শিকার হয়েছিলেন শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. মাহতাব উদ্দিন। বর্তমান এমপি ইকবাল হোসেন সবুজের রাজনৈতিক সমন্বয়ক হিসাবে কাজ করায় তখন তাকে হয়রানি করা হয়। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলাও দেয়া হয়েছিল। এর নেপথ্য ছিলেন সাবেক একজন এমপি পূত্র। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ই এপ্রিল গভীর রাতে মাওনা চৌরাস্তার পাশে মাহতাব উদ্দিনের বাড়িতে ডিবি পুলিশ গিয়ে হানা দেয়। তখন তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন তার নামে কোনো মামলা আছে কিনা বা কেনইবা তাকে নেয়া হবে। তখন ডিবির এক কর্মকর্তা বলেছিলেন, এসপি হারুন নিয়ে যেতে বলেছেন। এরপর ডিবির সদস্যরা গাজীপুর নেয়ার উদ্দেশে একটি মাইক্রো বাসে উঠায় তাকে।

কিন্তু তারা গাজীপুরের রাস্তায় না নিয়ে মাওনা চৌরাস্তা ঘুরিয়ে অন্যদিকে জেলা ডিবি অফিসে নিয়ে একটি রুমে রাখে। পরের দিন সকালে একটি কালো মাইক্রোতে তুলে শহরের বাইরে নির্জন একটি এলাকায় নিয়ে অন্তত পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখে। বিকালে মাহতাব উদ্দিনকে কোর্টের গারদ খানায় নেয়া হয়। গারদ খানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা ডিবির কাছে মামলার ফরোয়ার্ডিং চান। তখন ডিবি সদস্যরা বলেন উনার নামে কোনো মামলা নেই, মামলা আসছে। স্যার আপনাদের কাছে রাখার জন্য বলছেন। তখন ফরোয়াডিং ছাড়া তাকে রাখতে রাজি হননি ওই কর্মকর্তা। পরে ডিবি সদস্যরা ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে ওই কর্মকর্তার কথা বলান। এরপর মাহতাব উদ্দিনকে নিয়ে ওই কর্মকর্তা তার কক্ষে রাখেন। এরপর বিকাল বেলা তাকে মাদক মামলায় আদালতে হাজির করা হয়। মাহতাব উদ্দিন বলেন, আমার সঙ্গে নাকি দুই শত পিস ইয়াবা আছে এমন মিথ্যা অভিযোগে মামলা দিয়ে ২৪ দিন জেল খাটায়। একদম বিনা অপরাধে আমাকে তারা এই হয়রানি করেছে। মাহবুব হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে জিম্মি করে টাকা আদায় করেন হারুন। নানা রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আদায় ও অমানবিক নির্যাতন করেন। এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মাহবুব হোসেন নিজেই। তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার শফিকুর বাজারের সাবেক ব্যবসায়ী নেতা। ভয়াল ওই রাতের বর্ননা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আমাকে মোবাইল ফোনে ডিবি অফিসের লোক পরিচয় দিয়ে কথা বলতে চায় এক ব্যক্তি।

আমি তাদের আমার ঠিকানা দেই। ঠিকানা মত এসে তারা আমাকে বলে এসপি স্যারের (হারুন অর রশীদ) নির্দেশ আপনাকে গাজীপুর যেতে হবে। তখন তারা আমাকে একটি গাড়িতে তোলে মৌচাক পার হওয়ার পর পেছনে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে চোখ-মুখ বেধে ফেলে। টের পেয়েছি আমি ছাড়াও বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও কয়েকজনকে আটক করেছিলো। তারপর আমাকে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরাতে থাকে। একপর্যায়ে আমাকে গাড়ির মধ্যেই নির্যাতন শুরু করে। বেধড়ক পেটাতে পেটাতে আমাকে তারা বলে আপনার কোনো লোক নাই। থাকলে আলোচনা করেন। না হলে কালেমা পড়েন। আপনাকে রক্ষা করতে পারবো না আমরা, মেরে ফেলবো। একটা উপায় আছে দুই কোটি টাকা দিলে রক্ষা করতে পারবো। তখন গভীর রাতে আমার ভাইকে ফোন দিয়ে বলি আমাকে ধরে নিয়ে আসছে। এখন তারা টাকা চায়, পারলে টাকার ব্যবস্থা করে আমাকে বাঁচা। এরপর তারা আমাকে নিয়ে যায় কড্ডা। সেখানে গিয়ে দেখি ইন্সপেক্টর বাচ্চু। তিনিও আমাকে খুব মারধর করেন। তারপর সেখান থেকে নিয়ে যায় এসপি হারুনের ঘনিষ্ট জসিমের বাড়িতে।

ততক্ষণে তারা আমার ভাইয়ের কাছ থেকে চার লাখ টাকা নিয়ে গেছে। আমার কাছে ছিল আরও নগদ ৭০ হাজার ও ২০ লাখ এবং সাড়ে ১৮ লাখ টাকার দুটি চেক। সেগুলো তারা নিয়ে বলে পরেরদিন সকালে আরও টাকা দিতে হবে। এছাড়া পুলিশের সামনেই জসিম বলে ১০ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রি করে দিতে হবে। আমি দিতে রাজি না হলে তারা আমাকে ভয়ভীতি দেখায়। পরে চার শতাংশ জমি দেয়ার কথা বলে আমাকে ছেড়ে দেয়। পরেরদিন অস্ত্রসহ ১০/১২ জন পুলিশ ও জসিম আমার বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়। আমার কাছ থেকে নেয়া চেক দিয়ে টাকা তুলে দিতে বলে। এভাবে দুটি চেকের মাধ্যমে আমি সাড়ে ৩৮ লাখ টাকা তুলে দেই। এর ঠিক কয়েক দিন পর তারা অস্ত্রের মুখে আমার মেয়ে ও আমাকে তুলে নিয়ে চার শতক জমি রেজিষ্ট্রি করে নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে তারা আমার কাছ বিভিন্ন সময় ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা নিয়ে গেছে। আর সব কিছু এসপি হারুনের নির্দেশে তারই ঘনিষ্টদের দিয়ে করানো হয়েছে।

চাঁদাবাজি ও ব্যবসায়ীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর বদলি হওয়া পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ নারায়ণগঞ্জ থেকে বিদায় নিলেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন তিনি।

দুপুরে শহরের মাসদাইর পুলিশ লাইনসে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এসপি হারুনকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় তিনি কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন। তাঁর দাবি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তদন্ত হলেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে।

 

এসপি হারুন বলেন, ‘অপরাধীদের বিরুদ্ধে কাজ করে সমালোচিত হয়েছি। অপরাধী যখন ফেঁসে যায়, মামলা হয়, গ্রেপ্তার হয় অথবা তদবির করে ব্যর্থ হয় তখন তারা একটিই কথা বলে পুলিশ আমার কাছ থেকে টাকা চেয়েছে- সম্ভবত পুলিশের ওপর দোষ চাপানো এটাই সহজ কাজ।’

পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ হাশেমের ছেলের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে বিদায়ী এসপি হারুন বলেন, ‘আমার কোনো সহকর্মীর দিকে কেউ পিস্তল তাক করবে সেটা তো হতে পারে না। তা ওই ব্যক্তি কত বড় সম্পদশালী বা শক্তিশালী সেটা দেখিনি। বিধি মোতাবেক চ্যালেঞ্জ করে তার গাড়ি আটকিয়ে মাদক ও গুলি পেয়েছি। সে অস্ত্রসহ পালিয়েছে। আইন মোতাবেক মামলা হয়েছে, পুলিশ রেইড দিয়েছে। কিন্তু বলা হয়েছে, টাকা দাবি করেছি।’

হারুন বলেন, আমরা তার বাড়িতে অভিযান চালিয়েছি। গুলশান ডিসিকে এ ব্যাপারে জানানো হয়েছিল। রাসেলের ছেলে বলেছিল অস্ত্র সম্পর্কে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করবে। তাই তাকে আনা হচ্ছিল, তখন তার মা বললো, তার ছেলে বিদেশে লেখাপড়া করে এসেছে তাকে একা ছাড়বে না। তিনি নিজেও আসতে চান। আমরা তাঁকেও সম্মানের সঙ্গে সাথে করে নিয়ে এসেছি। পরের দিন পারটেক্স গ্রুপের কর্ণধার হাশেম সাহেব আসলেন। তিনি নিজেও স্বীকার করলেন রাসেলের কাছে অস্ত্র থাকা নিরাপদ নয়। তিনি এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবেন বলে মুচলেকা দিয়ে তার ছেলের বউ ও নাতিকে নিয়ে যান। এগুলো আপনারা সবই জানেন, তবুও আমি বললাম।’

ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান সিনহাকে আটকের প্রসঙ্গ টেনে হারুন বলেন, ‘এর আগে আনিসুর রহমান সিনহাকে আটক করেছিলাম। তাঁর বিরুদ্ধে ৬৭টি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। পরদিন তাঁকে আদালতে প্রেরণ করব। কিন্তু তিনি ব্যবসায়ী, ভিআইপি মানুষ। তাঁকে আদালতে পাঠানো হলে তাঁর সম্মান নষ্ট হবে। তিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কাটাতে এক সপ্তাহের সময় নিলেন। আমরা সম্মানিত ব্যক্তি বলে সেদিনই তাঁকে ছেড়ে দিই। তিনিও মুচলেকা দিয়েছিলেন এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি সবগুলো মামলায় আদালতে হাজির হবেন।’

আনিসুর রহমান সিনহা কিংবা পারটেক্স গ্রুপের কেউ অভিযোগ দেয়নি দাবি করে বিদায়ী এই এসপি বলেন, অভিযোগ তুলেছেন ওই পক্ষটি। যে পক্ষটি আমার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত। আমার কারণে যারা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ভূমি দস্যুতা করতে পারেনি। সেই তারা অভিযোগ দিয়েছে। এসব কিছু তদন্ত হলেই বের হয়ে আসবে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন।

বিদায় অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন এসপি হারুন। ছবি: প্রথম আলো

বিদায় অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন এসপি হারুন।

নারায়ণগঞ্জের পরিস্থিতি তুলে ধরে হারুন বলেন, ‘আমি আসার পূর্বে নারায়ণগঞ্জ কেমন ছিল? এখন কেমন আছে তা আপনারা অবগত আছেন। আমি কাউকে ছাড় দিই নাই। জেলার প্রত্যেকটি সংসদ সদস্য ও মেয়র আমাকে সাহায্য করেছেন। তারা কেউ কখনো বাধা দেয়নি। তদবির করেনি। তাই আমি অপরাধীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতে পেরেছি। নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যরা আমাকে সহযোগিতা করেছেন। তাই আমি অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পেরেছি।’ যেখানেই যাবেন সেখানেই সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে বলে জানান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। জামায়াত-শিবির আমার চাকরি খেয়ে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী আমাকে আবার চাকরিতে ফিরিয়ে দিয়েছেন। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। সারা জীবন আমি স্বাধীনতার পক্ষে ছিলাম। ভবিষ্যতেও থাকব।

গত ৪ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাকে বদলি করে পুলিশ সদর দপ্তরে (ট্রেনিং রিজার্ভ) সংযুক্তির আদেশ দেওয়া হয়। হারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চাঁদার জন্য তিনি একাধিক শিল্পপতিকে তুলে নিয়ে সাজানো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর ভয় দেখিয়েছেন।

তবে, তাকে প্রত্যাহারের কারণ সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি

টাকার বান্ডেলের উপর ঘুমিয়ে থাকা ডিবির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) তাকে ডিবি থেকে প্রত্যহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। রবিবার (১০ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক (ডিআই-১) মমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, "প্রশাসনিক কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে কারণ সম্পর্কে কিছু বলা যাচ্ছে না।" 

প্রসঙ্গত, গত ৬ নভেম্বর এসআই আরিফুর রহমানের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ওই ছবিতে দেখা যায়, একটি গাড়িতে রাখা টাকার বান্ডিলের ওপর ঘুমিয়ে আছেন আরিফুর। পাশে ছিল তার ব্যবহৃত ওয়ারলেস। ফেসবুক পোস্টটিতে এই ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়, "অভিযান পরিচালনা করে ক্লান্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মো. আরিফ মাইক্রোবাসের ভেতর টাকার উপর এভাবেই ঘুমিয়ে পড়েন।”

এদিকে ছবিটি নিজের বলে স্বীকার করে নিয়েছেন এসআই আরিফুর রহমান, "ছবিটা চার থেকে পাঁচ মাস আগের। আমার মা অসুস্থ ছিল। আমি আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলাম। মায়ের অসুস্থতার টেনশনে ইচ্ছা না থাকলেও গাড়িতেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হয়তো ওইসময় কেউ ছবিটা তুলে ফেলে। তাছাড়া গাড়িটাও প্রায় তিনমাস আগে এই গাড়ি ব্যবহার করা হয়। এই ছবি কোন এলাকায় সেটাও এখন আর মনে নেই। আমার মনে হয় কেউ তার স্বার্থ হাসিলের জন্যই এই কাজ করেছে।"

'নূর হোসেন কে? একটা অ্যাডিকটেড ছেলে। একটা ইয়াবাখোর, ফেন্সিডিলখোর।'

শহীদ নূর হোসেনকে "ইয়াবাখোর" হিসেবে অভিহিত করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা। রবিবার (১০ নভেম্বর) বনানীতে জাপা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন বলে বাংলা ট্রিবিউনের একটি খবরে বলা হয়।

জাপা মহাসচিব বলেন, "হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কাকে হত্যা করলেন, নূর হোসেনকে? নূর হোসেন কে? একটা অ্যাডিকটেড ছেলে। একটা ইয়াবাখোর, ফেন্সিডিলখোর।"

"নূর হোসেনকে নিয়ে গণতান্ত্রিক দুই দল, আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নাচানাচি করে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় দেখবেন নূর হোসেন দিবস। সেই নূর হোসেন চত্বর এরশাদ করে দিয়েছেন।" যোগ করেন তিনি।

মশিউর রহমান রাঙ্গা আরও বলেন, "এরশাদ ছিলেন গণতন্ত্রের ধারক-বাহক। তিনি এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন।" 

এসময় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি'র কঠোর সমালোচনা করে রাঙ্গা আরও বলেন, "আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির গণতন্ত্রটা হলো এমন- যারা অতি ফেন্সিডিলখোর, ইয়াবাখোর, যারা ক্যাসিনোর ব্যবসা করে তারাই গণতন্ত্রের সোনার সন্তান।"

উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর বুকে ও পিঠে "স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক" শ্লোগান লিখে রাস্তায় নেমেছিলেন নূর হোসেন। এরশাদের স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলন তখন তুঙ্গে। ওইদিন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন নূর হোসেন। মিছিলটি "জিরো পয়েন্ট" এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ও গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান নূর হোসেন। মূলত এই ঘটনার পর এরশাদবিরোধী আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে এবং ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন স্বৈরাচার এরশাদ।

Lumbersexual meh sustainable Thundercats meditation kogi. Tilde Pitchfork vegan, gentrify minim elit semiotics non messenger bag Austin.

Odio deserunt ea, mlkshk Banksy delectus distillery sartorial YOLO Blue Bottle American Apparel irure chambray enim Odd Future. Sapiente sint McSweeneys ut tempor.

Lumbersexual meh sustainable Thundercats meditation kogi. Tilde Pitchfork vegan, gentrify minim elit semiotics non messenger bag Austin.

Odio deserunt ea, mlkshk Banksy delectus distillery sartorial YOLO Blue Bottle American Apparel irure chambray enim Odd Future. Sapiente sint McSweeneys ut tempor.

  1. Popular
  2. Trending
  3. Comments

Calender

« January 2020 »
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
    1 2 3 4 5
6 7 8 9 10 11 12
13 14 15 16 17 18 19
20 21 22 23 24 25 26
27 28 29 30 31