Items filtered by date: Sunday, 21 June 2020

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে এক কিশোরীর আত্মহত্যা করেছে। রোববার (২১ জুন) বিকাল সাড়ে ৫টায় নবীগঞ্জ উপজেলার পার্শ্ববর্তী বানিয়াচং উপজেলার ৭ নং বড়ইউরি ইউনিয়নের বেতকান্দি গ্রামে মেয়ের নানা বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। জানা যায়, সরকার বাজারের ইমরান মিয়ার মেয়ে। পড়াশোনা করার সুবাদে নানা বাড়ি বসবাস করতেন। সে মাদ্রাসায় ৫ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। রোববার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নার্গিস আক্তার (১২) কে ঝুলন্ত অবস্থায় পাশের বাড়ির এক মহিলা জানালা দিয়ে দেখতে পেয়ে হৈচৈ শুরু করলে মেয়ের খালা ছুটে এসে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। মামার বাড়ির লোকজন জানান, কি কারণে আত্মহত্যা করতে পারে, তা তারা জানেন না। নবীগঞ্জ থানার এস আই সম্রাট তার মৃত্যুর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাতেমা-তুজ জোহরা আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের থাবায় বিপর্যস্ত পৃথিবী। এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে মারণ ভাইরাসে প্রাণ গেছে ৪ লাখ ৬৭ হাজারেরও বেশি মানুষের। আক্রান্ত প্রায় ৯০ লাখ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ক্রমবর্ধমান এই সংখ্যার দিকে তাকিয়ে ফের একবার চীনকে দোষারোপ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, কটাক্ষ করে এই ভাইরাসকে চীনা ‘কুং ফ্লু’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি।আগামী নভেম্বরে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো শনিবার ওকলাহোমার তুলসা এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন ট্রাম্প। এই সমাবেশে তিনি বলেন, কভিড-১৯ এমন একটি রোগ, ইতিহাসের অন্যান্য রোগের চেয়ে যার বেশি নাম রয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, 'করোনা নয়, আমি এটার নাম দিতে পারি 'কুং ফ্লু'। আমি এটার ১৯টি সংস্করণের নাম দিতে পারি। অনেকেই এটাকে ভাইরাস বলেন। অনেকেই ফ্লু বলেন। পার্থক্য কি? আমি মনে করি- আমাদের কাছে এর নামের ১৯ অথবা ২০টি সংস্করণ রয়েছে।'কুং ফু' চাইনিজ মার্শাল আর্ট হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। সেটি বিবেচনা করে এবং ভাইরাসটির উৎপত্তি চীনে হওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট করোনাভাইরাসকে কুং ফ্লু নামে ডাকলেন। এছাড়া বক্তৃতার সময় মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট কভিড-১৯ কে চীনা ভাইরাস বলেও মন্তব্য করেন।জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে মারা গেছেন এক লাখ ১৯ হাজারের বেশি মানুষ এবং আক্রান্ত হয়েছেন ২২ লাখের বেশি।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে এই ভাইরাসটির উৎপত্তি হয়। তারপর থেকে বিশ্বের দুই শতাধিক দেশে এই ভাইরাসে সংক্রমণ মৃত্যু প্রতিনিয়ত লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার লক্ষ্যে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেমোক্রেট দলীয় সাবেক ভাইস-প্রেসিডেন্ট ৭৭ বছর বয়সী জো বাইডেনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি।

সূত্র- এনডিটিভি।

অনলাইন ৪৮ বাংলা টেলিভিশনের হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধির উদ্দোগে উপজেলা প্রতিনিধির কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ২১ জুন রোববার সকাল ১০ টায় হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট ষ্টেশন রোড এলাকায় আড্ডা ফাষ্ট ফোডে অনলাইন ৪৮ বাংলা টিভির জেলা প্রতিনিধি শাহ্ মোঃ মামুনুর রহমানের সভাপতিত্বে কার্ড বিতরণ অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামিম ,বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি ও ঢাকা প্রেসক্লাবের সদস্য, আশাহিদ আলী আশা, দৈনিক সংবাদ পত্রিকার হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ শাহ আলম,দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি পত্রিকার লাখাই উপজেলা প্রতিনিধি ও ঢাকা প্রেস ক্লাবের সদস্য মোঃ ওযাহিদুর রহমান,৪৮ বাংলা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ও অনলাইন পত্রিকা গ্রাম বাংলার ২৪ ডট কমের সম্পাদক ঢাকা প্রেস ক্লাবের সদস্য শাহ্ মোঃমামুনুর রহমাননবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগ্ন আহবায়ক আলী জাবেদ মান্না ও এম আই মনির প্রমুখ।অনুষ্ঠানের মধ্যে প্রধান অতিথি জেলা প্রতিনিধি শাহ মোঃ মামুনুর রহমান, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রতিনিধি এম আই মনির ও নবীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি আলী জাবেদ মান্না,র হাতে আই ডি, কার্ড তুলে দেন। পরিশেষে প্রধান অতিথি অনলাইন ৪৮ বাংলা টেলিভিশন পরিবারের সবাইকে অভিনন্দন ও টিভি অগ্রযাত্রার সাফল্য কামনা করেন।

নবীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও কুর্শী ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ আল আমীন খানের মাতা সালমা খাতুন (৭৫) আর নেই। ইন্নালিল্লাহি,,,,,,,রাজিউন। তিনি গতকাল রবিবার ভোর ৪টার সময় বার্ধক্য জনিত কারনে নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি ৩ছেলে ৩ মেয়ে নাতি নাতনিসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের নামাজে জানাযা ওই দিনই বেলা ১১টার কুর্শী গ্রামে নিজ বাড়ীতে অনুষ্টিত হয়েছে। উক্ত জানাযার নামাজে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক এমপি এম এ মুনিম চৌধুরী বাবু, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ সরওয়ার শিকদার, ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহমেদ মুসা, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কামাল হাছান চৌধুরী, ইউপি মেম্বার আব্দুস সুবহান, শাহ সুজন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রাজুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নবীগঞ্জে নতুন করে  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,রাজনীতিবিদ ভূমি অফিসের  অফিস সহায়কসহ ৪ জনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। এনিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়ছে ৩৬ জন। রবিবার (২১ জুন)  আসা রিপোর্টে নবীগঞ্জ শিবপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাহেলা খানম, উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির সদস্য শাহ আবুল খায়ের, ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক পলাশ এবং একটি ঔষধ কোম্পানির লোকসহ ৪ ব্যক্তির করোনা পজেটিভ আসে। নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত ৭২৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩৬ জনের করোনা পজেটিভ এসেছে। বাকি সব নেগেটিভ। বিষয়টি নিশ্চিত করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, নবীগঞ্জে নতুন করে প্রথমে (২০ জুন) রাতে একজনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। পরেরদিন (২১ জুন) আরো তিনজনের করোনা পজেটিভ আসে। এনিয়ে নবীগঞ্জে ৩৬ জন লোক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৮ জন। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৭২৭ জনের। নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে তিনজনের অবস্থান নবীগঞ্জ পৌর এলাকায়।

নবীগঞ্জ উপজেলাবাসীকে করোনা সতর্ক বার্তা  দিয়ে মাইক হাতে নির্দেশনা দিয়েছেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার বিশ্বজিৎ কুমার পাল। প্রতিদিন  বিকেল ৪ টার পর পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ফার্মেসী ব্যতিত সব ধরণের দোকান পাট বন্ধ রাখার ঘোষণা প্রচারানায় নামেন তিনি।  জরুরী প্রয়োজনে ব্যাতিত কাউকে ঘর থেকে বের না হওয়ার আহবান জানান। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় করতে গেলে মুখে মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। মুখে মাস্ক বাধ্যতামুলক। মাস্ক ছাড়া কাউকে বাহিরে পেলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রবিবার বেলা ১২ টায় নবীগঞ্জ শহরে মাইক হাতে উপজেলাবাসীকে সতর্ক করতে প্রচার অভিযানে নামে প্রশাসন। এসময় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে চাল, মুদি, কাপড়, হোটেল দোকান মালিকসহ প্রায় ১০ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ১৭ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা বিভিন্ন আইনের ধারায় ১০টি মামলা দেওয়া হয়েছে । এতে নেতৃত্ব দেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার পাল। অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছাবির আহমদ চৌধুরী, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিজুর রহমান, বাউসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আবু সিদ্দিক, জেলা পরিষদের সদস্য আঃ মালিক, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ আলমগীর মিয়াসহ সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, পুলিশ। এব্যাপারে ইউএনও বিশ্বজিৎ কুমার পাল বলেন, করোনাভাইরাস একটি মহামারী আকার ধারন করেছে। আমরা সবাই সতর্ক থাকতে হবে। সামাজিক দুরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি,  মুখে মাস্ক, এসব নির্দেশনা মানতে হবে। তিনি আরো বলেন, জনগনকে সতর্ক করতে আমাদের প্রচার অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং যারা নির্দেশনা অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বাহুবল উপজেলার স্নানঘাট ইউনিয়নে হবিগঞ্জ ১ আসনের এমপি গাজী  শাহ নওয়াজ মিলাদ এর বিশেষ বরাদ্দ থেকে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসের কারনে  কর্মহীন ও অসহায় ২ শ” জন মানুষের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরন করা হয়েছে। ২০ জুন শনিবার দুপুরে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এ সময় উপস্থিত  ছিলেন.
উপজেলা আওয়ামীলীগের  সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই, ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম,  ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফুল মিয়া চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগের সদস্য হুমায়ুন রশীদ জাবেদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। ইতিপূর্বে বাহুবল সদর ইউনিয়নে ২শ” জন মানুষের মাঝে বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

এলাকায় একসাথে এত টু-লেট কখনো দেখিনি। প্রায় সব বাড়িতেই ভাড়ার নোটিশ। অজস্র মানুষ ঢাকা ছাড়ছে। কিন্ত সব দোষ কি করোনার? আমাদের মধ্যবিত্তের বদলে যাওয়া লাইফস্টাইল কি দায়ী নয় এজন্যে?

কাজী তাহসিন আহমেদ: একটা অপ্রিয় কথা বলি, কিছু মনে করবেন না। আমাদের এই শহরে লাইফস্টাইলে প্রব্লেম ছিলো। শো অফ বেশি ছিলো। নইলে অন্তত ছয় মাস বসে খাওয়ার মতো টাকা সব পরিবারেই জমে থাকার কথা। যতটুকু ইনকাম, কালের স্রোতে গা ভাসাতে যেয়ে খরচ তারচেয়ে বেশি হয়েছে।  যতটুকু স্ট্যাটাস, যতটুকু সামর্থ্য, মানুষ নগদে তার চেয়ে উঁচু তলায় বাস করেছে।

আমি আমার এলাকায় একসাথে এত টু-লেট কখনো দেখিনি। প্রায় সব বাড়িতেই টু-লেটের নোটিশ। অজস্র মানুষ ঢাকা ছাড়ছে। দুঃখজনক।

৯০ দশকে মানুষের আর্থিক অবস্থা এখনকার চেয়ে অনেক খারাপ ছিল। কিন্তু এই গরীব মানুষদেরই আজীবন যথেস্ট সেভিংস ছিলো, খেয়ে না খেয়ে শহরের কোনায় এক টুকরো জমি ছিলো। গ্রামে একটা স্থায়ী ঠিকানা ছিলো। পরিবার গরীবি হালে চললেও মায়ের আঁচলের গিঁট আর ডানোর খালি ডিব্বাতেও কয়েক গাছি টাকা থাকতো।

আর এখনকার মানুষদের কার্ড ভর্তি লোন, ইন্সটলমেন্ট, ব্যাংক লোন। জমি জিরাতের খবর নেই অথচ শহরের প্রাণকেন্দ্রে টাইলসওয়ালা ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতে পারলেই খুশি। সঞ্চয়ের খবর নেই অথচ ঘোরাঘুরি আর রেস্টুরেন্টে খেতে পারলেই খুশি। পকেটে টাকা নেই তাই মন মানসিকতা মলিন, অথচ পার্লারে/সেলুনে হাজার টাকা খরচে ফেসিয়াল করে চামড়া চকচকে করতে পারলেই হলো। এটা কোনো লাইফ?

কেউ এখন আর ঘরের ড্রইংরুমে আড্ডা দেয়না। পাঁচ দশ টাকার বাদাম কিনে ছাদে গোল হয়ে বসে গল্পগুজব করেনা। সবার ফাস্টফুডের দোকানে যেতে হবে। মাল্টিপ্লেক্সেই মুভি দেখতে হবে। শখের সব খেলনাই কিনতে হবে। এফেয়ার করতেই হবে, ভ্যালেন্টাইন ডে থেকে শুরু করে চকলেট ডে কিস ডে সব সেলিব্রেট করতে হবে। অথচ বিশ বছর আগেও রেস্পন্সিবল লাইফ কাটাতে হবে দেখে অনেক ছেলে চাকরী পাবার আগে মেয়েদের ধারে কাছেও যেতোনা। এখন সবাই হিরো, পাপাস প্রিন্স, মাম্মাস প্রিন্সেস।

ছবি যখন কথা বলে

এসব করে মাসে মাসে যে পাঁচ সাত হাজার টাকা বেশি খরচ করেছে, সেটা জমালে বছরে ৬০-৭০ হাজার টাকা অতিরিক্ত জমতো। দশ বছরে ৬-৭ লাখ টাকা। যেটি দিয়ে এখন ঘরে বসে ছয় সাত মাস বড়লোকের মতোই পরিবারগুলো কাটাতে পারতো। অথচ সেটা না করে বরং গর্ব ভরে মিম শেয়ার করেছে যে মানিব্যাগে পাঁচশো নিয়ে বের হলে এক ঘন্টা পরে ভাংতি বিশ ত্রিশ টাকার বেশি থাকেনা।

একটু রোজগার করতে পারলেই একান্নবর্তী পরিবার থেকে সবাই আলাদা হয়ে গেছে। ইউনাইটি কি জিনিস ভুলে গেছে। গ্রামের শেকড় ভুলে গেছে গর্বের সাথে, অথচ গ্রাম থেকে বছরে দু চার আসা বস্তা ভর্তি আম কাঠাল বা চাল/মুড়ির কি বরকত সেটা বুঝতে চায়নি। ছুটিতে কক্সবাজারের ফাইভ স্টার হোটেলে খরচ না করে গ্রামের বাড়িতেও যে বেড়ানো যায় সেটা বুঝেনি। আগে মানুষ কয়েক বছরে এক আধবার লাক্সারি ট্যুর দিতো। আর এখন  প্রতি বছর লাখ টাকা খরচ করে ইন্সটলমেন্টে হলেও দেশ-বিদেশে ঘুরতে যাচ্ছে দুইটা ফটো তোলার জন্য।

আমি গত পাঁচ সাত বছরে এই শহরে মধ্যবিত্ত বলে কিছু দেখিনি। সবার ঠাঁঠবাট প্রায় একরকম। তবে এখন দেখছি, গত কয়েক মাস ধরে। এত খরুচে আর ভোগপণ্যের দাস হয়ে আজীবন বর্তমানে বেঁচে থাকতে গিয়ে দুই-তিন মাসের ভবিষ্যত নিরাপত্তাটা নিয়েও ভাবার ক্ষমতা হারানো এই শহরবাসীদের এখনকার বাস্তবতা খুব দুঃখজনক।

Published in মতামত

সিলেট বিভাগের চার জেলায় আরো ১৩৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যসহ সাধারণ মানুষ রয়েছেন। তাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ১৮ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ৮৪ জন, মৌলভীবাজার জেলায় ৩৪ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলায় ৩ জন রয়েছেন।

আজ শনিবার (২০ জুন) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাব এবং ঢাকার ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তাদের করোনা শনাক্ত হয়।  

ওসমানী হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওসমানীর ল্যাবে আজ ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩২ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। সিলেট সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলার ১৭ জন এবং বাকি ১৫ জন হবিগঞ্জ জেলার। আক্রান্তদের মধ্যে র‌্যাব, পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। শনিবার সকাল পর্যন্ত সিলেট জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬৮৮ জন। নতুন আরো ১৭ জন শনাক্ত হওয়ায় এ সংখ্যা এখন ১ হাজার ৭০৫ জন।

এছাড়া শনিবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার ৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাম্মাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে মাত্র ২৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তার মধ্যে ৪টি নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের তিনজন সুনামগঞ্জ জেলার আর একজন সিলেট জেলার বাসিন্দা।  এনিয়ে সুনামগঞ্জে ৭৮৮ জনের করোনা শনাক্ত হলো।

এদিকে, শনিবার ঢাকার ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় হবিগঞ্জের আরও ৬৯ জনের এবং মৌলভীবাজার জেলার ৩৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। 

উল্লেখ্য, শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯৮৬ জন। রাতে শনাক্ত হওয়া ১৩৯ জন মিলে এ সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ হাজার ১২৫ জনে। তাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ১ হাজার ৭০৫ জন, সুনামগঞ্জে ৭৮৮ জন, হবিগঞ্জে ৩৪৫ জন ও মৌলভীবাজারে ২৭১ জন রয়েছেন।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular

LIVE STREAMING

Jun 11, 2019 257 Movies