Items filtered by date: Thursday, 11 June 2020

২০২০-২১ অর্থবছরের ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় সংসদের বিশেষ বাজেট অধিবেশনে ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভতিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’ শীর্ষক স্লোগান সম্বলিত ১১০ পৃষ্ঠার বাজেট বক্তৃতা শুরু করেন তিনি। এবার দেখে নেওয়া যাক, প্রস্তাবিত বাজেটে কোন পণ্যগুলোর দাম বাড়ছে এবং কোন পণ্যগুলোর দাম কমার সুখবর থাকছে।

দাম কমতে পারে যেসব পণ্যের : প্রস্তাবিত বাজেটে দেশীয় সর্ষের তেলে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্বর্ণ আমদানি, অটোমোবাইল ফ্রিজ এসির ওপর মুসক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ডিটারজেন্টের কাঁচামালের ওপর শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়াপারের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা বাড়ানো হবে। ইস্পাত শিল্পের রিফ্রাক্টরি সিমেন্টের ওপর শুল্ক কমানো হবে। এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমতে পারে। রেফ্রিজারেটর ও এসির কাঁচামাল আমদানিতে  রেয়াতি সুবিধা বাড়ছে।

দাম বাড়তে পারে যেসব পণ্যের :  শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লঞ্চের টিকিট দাম বাড়বে। আগে ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর ছিল, নতুন অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। চার্টার্ড বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার ওপর সম্পূরক শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রসাধনসামগ্রীর ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ থেকে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

পেঁয়াজ আমদানিতে কিছুটা শুল্ক আরোপ হবে। আসবাব কেনায় মূসক বেড়েছে। ৫ থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। মোবাইল ফোনে কথা বলার ওপর কর বাড়ছে। কার ও জিপ রেজিস্ট্রেশনসহ বিআরটিএ প্রদত্ত অন্যান্য সার্ভিস ফির ওপর সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সিরামিকের সিঙ্ক বেসিনের ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। মধুর বাল্ক আমদানি শুল্ক বাড়ছে। বিদেশি মধুর দাম বাড়বে।

Published in সংবাদ


নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কানাইপুর জামে মসজিদের ইমামের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মিথ্যে অভিযোগ দায়ের নিয়ে কানাইপুর গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘনাটর সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে তথা কথিত ইমামের বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি এলাকাবাসীর।
সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, সরকার দেশের সকল মসজিদ মোয়াজ্জিনদের এই মহামারী করোসাভাইরাস প্রাদুর্ভাবকালীন সময়ে ৫ হাজার টাকা করে বরাদ্ধ প্রদান করেন। নবীগঞ্জ উপজেলার সকল মসজিদে এই বরাদ্ধ প্রদান করা হয়েছে। কানাইপুর জামে মজসিদের নামে একটি চেক ইসালামী ফাউন্ডেশেন রয়েছে বলে আমরা গ্রামবাসী জানতে পেরেছি। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাছে লিখিত অভিযোগকারী কথিত ইমাম হাফেজ নুর উদ্দিনকে আমরা মসজিদ পরিচালনা কমিটির লোকজনসহ গ্রামবাসী মিলে মসজিদের দানবক্সের টাকা ও বিভিন্ন সহায়তার টাকার গরমিল এবং হিসাব না দিতে পারায় বিগত ৪ মাস পূবেই ইমামতি থেকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন ইমাম নিয়োগ করি। যেখানে তিনি মসজিদের ইমাম নয় সেখানে তিনি ইমাম দাবি করে আমাদের গ্রামের প্রবীন মুরুব্বী হাজী আঃ রহিমের বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা আত্মসাত দাবি করে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আমরা মনে করি গ্রামের কিছু কুচক্রি মহলের যোগসাজসে ওই কথিত ইমামকে দিয়ে হাজ্বি আঃ রহিম সাহেবের মান সম্মান ক্ষুন করা জন্য এই মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। আমরা গ্রামবাসী এই ভুয়া ইমাম পরিচয় দানকারী এবং গ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনৃষ্ট করার জন্য যে কুচক্রী মহল এই মিথ্যা দায়েরের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসানের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে হাজ্বী আঃ রহিম বলেন, বিগত ১৪ মাস পূবেই  ওমরা পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার সময় আমি কানাইপুর গ্রামে মসজিদ কমিটির মোয়াতল্লী থেকে কমিটির সদস্য এবং গ্রামবাসীর সামনে বয়সের দিক বিবেচনা করে সেচ্ছায় অব্যাহতি নেই। আজ পর্যন্ত আমি আর মসজিদের কোন দায় দায়িত্ব নেই এবং কোন প্রকার লেনদেরনের সাথে জড়িত নয়। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ দাখিলকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ  ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। এ অভিযোগের ব্যাপারে নবীঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল বলেন, আমি আত্মসাতের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম কানাইপুর জামে মসজিদের চেক এখন ও দেয়া হয়নি সুতরাং আত্মসাত আসবে কোথা থেকে। অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নবীগঞ্জে কৌশলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি করার ৬ ঘন্টার মধ্য অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্র জানায়, নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের টঙ্গিটুলা গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান ( আল ইমান) এর পুত্র  ভিকটিম সৈয়দ কামাল মিয়া (৩০) একজন গানের শিল্পি। এই সুবাদে তার সাথে পরিচয় হয় একই উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামের রাসু মিয়ার পুত্র অপহরণকারী  বাবলু আহমেদ (৩০) এর সাথে। শুধু পরিচয় নয় দুজনের মধ্য গড়ে উঠে বন্ধুত্বের সম্পর্ক। বুধবার (১০জুন) বিকেলে বাবলু আহমেদ পূর্বপরিকল্পনানুযায়ী সৈয়দ কামাল মিয়াকে মোবাইল ফোনে তার এলাকা কসবা গ্রামে আসতে বলে। দুজন মিলে বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডে ছবি তোলার কথাও বলে বাবলু।
বন্ধুর দেয়া দাওয়াতকে প্রাধান্য দিয়ে সৈয়দ কামাল সন্ধার আগেই কসবা গ্রামে বাবলুর বাড়িতে আসে। এ সময় বাবলুসহ তার ৩/৪ জন সহযোগি তাকে বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডের নর্থ প্যাডের লিংক রোডে নিয়ে এসে জিম্মি করে। এসময় বাবলু ও তার সহযোগিরা ছুরি বুকে ধরে সৈয়দ কামালকে একটি বিকাশ নাম্বার দিয়ে বলে তোর বাড়ীত বলে দে এই নাম্বারে ৩০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিতে। অন্যতায় তোকে হত্যা করা হবে। তবে কিসের জন্য টাকা পাঠাতে হবে কিছু বলা যাবেনা। শুধু বল তোর টাকার দরকার। সৈয়দ কামাল প্রাণ বাচাতে তার ভাইকে ফোন করে অপহরণকারীদের দেয়া বিকাশ নাম্বারে ৩০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিতে বলে। তার ভাই বিষয়টি বুজতে পেরে গোপলার বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে গিয়ে পুলিশকে জানায়। পুলিশ ওই বিকাশ নাম্বারটি ট্যাকিং করে ইনাতগঞ্জের বান্দের বাজার এলাকার আশপাশে অপহরণকারীদের অবস্থান বলে নিশ্চিত হয়। গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ব্যবস্থা নিতে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়িকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক সামছদ্দিন খাঁন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে রাত ১২ টায় অভিযান চালিয়ে বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডের নর্থপ্যাড এলাকা থেকে অপহরণকারী বাবলু মিয়াকে গ্রেফতার করে জিম্মিদশা থেকে সৈয়দ কামালকে উদ্ধার করেন। বাবলুর অন্য ৩/৪ জন সহযোগি পুলিশের উপস্থিতি বুজতে পেরে পালিয়ে যায়।
পুলিশ পরিদর্শক সামছদ্দিন খাঁন জানান পূর্ব পরিচিত কামালকে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে জিম্মি করে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করায় তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে অপহরণকারী বাবলুকে আটক করে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নবীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে জানিয়ে তিন বলেন অপহরণকারীকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাধবপুর থানার এক এএসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য ও এক নারীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে গীতা রানী রায় নামের এ নারী করোনার উপসর্গ নিয়ে গত তিনদিন আগে মারা গেছেন। তিনি পৌর এলাকার কাটিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা।

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইশতিয়াক মামুন বলেন, গত ৩ জুন মাধবপুর থানায় কর্মরত ১৭ পুলিশ সদস্যসহ ২৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে ৮ পুলিশ ও একজন মৃত নারীর করোনা পজিটিভ আসে।

মাধবপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) গোলাম দস্তগীর আহমদ জানান, করোনার উপসর্গ দেখা দেয়া ও নমুনা রিপোর্ট সংগ্রহের পর থেকেই পুলিশ সদস্যরা হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলছেন।

উল্লেখ্য, মাধবপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মোট ২০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন।

নবীগঞ্জ উপজেলা সদর সোনালী ব্যাংক শাখায় পর পর ০২ করোনা আক্রান্ত হওয়ায় কর্মকর্তা কমর্চারীরা আতংকে। সোনালী  ব্যাংক কর্মকর্তাসহ উপজেলায় আজ পর্যন্ত ২৭ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার(১১জুন) সকাল ৯ টায় ব্যাংক কর্মকর্তার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। নতুন করে করোনা আক্রান্ত রোগী হলেন নবীগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখার অফিসার ইমরান আহমেদ।  ইতিপূর্বে গত ১০ মে আব্দুস সামাদ নামে আরেক অফিসার আক্রান্ত হয়েছিল,তিনি সুস্থ হয়ে কর্মস্থলে ফিরেছেন।এদিকে গত ০২ জুন নমুনা দেওয়ার ৯ দিন পর করোনা শনাক্ত হওয়া ও পর পর ২ জন কর্মকর্তা করোনা শনাক্ত হওয়ায় নবীগঞ্জ উপজেলা সদর সোনালী ব্যাংক শাখায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এব্যাপারে নবীগঞ্জ সদর সোনালী  ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ সফিকুল ইসলাম জানান,পর পর ০২ জন আক্রান্ত হওয়ায় আমরা আতঙ্ক আছি। শাখা লকডাউনের ব্যপারে আমরা উপজেলা প্রশাসনসহ উপর মহলে কথা বলেছি।সিদ্ধান্ত আসলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জের স্বাস্থ্য ও পঃপঃ  কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নতুন আক্রান্তদের নিয়ে এখন পর্যন্ত ০৩ জন ব্যাংক কর্মকর্তা সহ উপজেলায় মোট ২৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হলো। আক্রান্ত ব্যাংক কর্মকর্তার বাসা সিলেট হওয়ায় তাকে সিলেট নিজ বাসার আইসোলেশনে  পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৯ দিন পর নমুনা শনাক্ত হওয়ায় সোনালী ব্যাংকের সব কর্মকর্তার কর্মচারীর নমুনা সংগ্রহ করা হবে। নবীগঞ্জে পর পর ০২ জন সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত : শাখা লকডাউনের দাবী

২৩২ কেভি গ্রিড লাইনের ত্রুটিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এক ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় হবিগঞ্জ জেলাসহ সাতটি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদী। গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে আশুগঞ্জ-ঘোড়াশাল গ্রিড লাইনের আশুগঞ্জ সাবস্টেশনে সমস্যা দেখা দিলে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ‘ট্রিপ’ করে। আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজ্জাদুর রহমানকে উদ্ধৃত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসি হায়াত-উদ-দৌলা খান সাংবাদিকদের জানান, আশুগঞ্জ-ঘোড়াশাল ২৩২ কেভি গ্রিডলাইনে ত্রুটির কারণে বেশ কয়েকটি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যা চিহ্নিত করে কারখানার প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। অল্প সময়ের মধ্যে সব জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলেও জানান তিনি। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক সূত্র জানায়, সন্ধ্যায় হঠাৎ করে আশুগঞ্জ-ঘোড়াশাল ২৩২ কেভি গ্রিড লাইনের আশুগঞ্জ সাবস্টেশনে ত্রুটি দেখা দেয়। এতে করে ২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কেন্দ্র তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে হবিগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদীসহ কয়েকটি জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পিজিসিবির জনসংযোগ শাখার কর্মকর্তা বদরুদ্দোজা সুমন জানান, আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনের একটি ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে ওই স্টেশন থেকে প্রায় আড়াইশ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম আসতে থাকে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে এর চাপ গিয়ে পড়ে ফেঞ্চুগঞ্জ - শ্রীমঙ্গল গ্রিড লাইনে। ওভার লোডের কারণে ওই লাইনটি ট্রিপ করে যায়। এতে করে ওই অঞ্চলের কয়েকটি জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মুজিব জানান, হঠাৎ করেই সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে জাতীয় গ্রীডে সমস্যা দেখা দেওয়ায় হবিগঞ্জ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ৩ ঘন্টার চেষ্টায় রাত ১০টার দিকে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। ভোল্টেজ উঠানামার বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, জাতীয় গ্রীডে কিছু সমস্যা হওয়ায় এ ধরণের বিপত্তি দেখা দেয়। ভোল্টেজ উঠানামা নিয়ে গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এতে করে ফ্রিজ, এসিসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান তারা।

নবীগঞ্জে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর। বুধবার রাতে উপজেলার বারৈকান্দি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১৫০ পিস ইয়াবা। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো, নবীগঞ্জ উপজেলার বারৈকান্দি এলাকার বাসিন্দা আউয়াল মিয়া ও স্বাধীন মিয়া। জানা যায়, আটককৃতরা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন যাবত ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। ওই সময় ১৫০ পিস ইয়াবাসহ তাদেরকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে নবীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular