করোনাকালীন সময়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে প্রতি ইঞ্চি জমি আবাদের আওতায় আনার লক্ষ্যে এবছর কৃষি প্রণোদনায় ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। বিগত বছরগুলোতে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করে থাকলেও এবছর তার পাশাপাশি বিতরণ করা হচ্ছে ১৫ প্রকার সবজি বীজ ও ফলের চারা। শুধু তাই নয়, সবজি বাগান স্থাপনে সার ক্রয়, বেড়া তৈরি ও পরিচর্যা বাবদ সংশ্লিষ্ট কৃষকদের মোবাইলে বিকাশের মাধ্যমে ১৯৩৫ টাকা করে প্রদান করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার এ, কে, এম, মাকসুদুল আলম জানান, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে এবং করোনাকালীন সময়ে পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে এ বছর খরিফ-১ মৌসুমে প্রথম ধাপে প্রতি ইউনিয়নের ৩২ টি বসতবাড়িতে পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হচ্ছে। সে লক্ষ্যে উক্ত কৃষি পরিবারে সবজি বীজ, ফলের চারা ও মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ১৯৩৫ টাকা প্রদান করা হয়েছে। নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম গত ৩০ জুন এ কার্যক্রম শুভ উদ্ভোধন করেন। বর্তমানে ব্লক পর্যায়ে কর্মরত উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণের সার্বক্ষণিক পরামর্শে বসতবাড়ির আঙ্গিনায় এসব পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হচ্ছে। সরকারের এ মহতি উদ্যোগ সফল হলে একদিকে পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে অন্যদিকে এসব বাগানে কাজ করে মানষিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে।

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় বেড়েই চলছে করোনার প্রকোপ। তবু ও থেমে নেই মানুষের অবাধে চলাফেরা। এভাবে চলতে থাকলে করোনার সংক্রমন দ্রুত আকারে বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা।দেশের সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিদিনের তালিকায় নবীগঞ্জে আসছে করোনার পজিটিভ রিপোর্ট। এতে করে আতংক দেখা দিয়েছে নবীগঞ্জ উপজেলায়।শনিবার (০৪ জুলাই) করোনার রিপোর্টে ৫ জনের পজিটিভ আসে।নবীগঞ্জ উপজেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে মোট ৮৮৬ জনের তাদের মধ্যে আজ নতুন করে ৫ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।এনিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬ জন।মোট ৬৬৮ জনের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।এরমধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪০ জন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ।

 
 

কেন্দ্রীয় নির্দেশনা এবং জেলা কমিটি কর্তৃক অনুমোদনের মধ্য দিয়ে ‘সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি’ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা শাখায় প্রথমবারের মতো কমিটি গঠিত হয়েছে। আজ শনিবার কালের কণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ছোটন কান্তি নাথকে সভাপতি এবং সংবাদের প্রতিনিধি এম জিয়াবুল হককে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক মঈনুল হাসান পলাশ ও সায়ীদ আলমগীর স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আংশিক এ কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটির জেলা সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) জেলা সভাপতি সম্পাদক মো. মিজান উর রশীদ মিজান এতে সমর্থন দেন।দেশব্যাপী নির্যাতিত সাংবাদিকদের পাশে থাকার প্রত্যয়ে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় কমিটি উপজেলা পর্যায়ে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন করার নির্দেশনার আলোকে চকরিয়া উপজেলায় এই দুই সাংবাদিককে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে জেলা কমিটির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটি বরাবর পাঠানোর জন্য আহ্বান জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।বিএমএসএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সাংবাদিকদেরও সকলের সাথে আন্তরিক ও সহনশীল মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে এই কমিটি ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রতিবাদ-প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করে তিনি দেশব্যাপী সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে আহ্বান জানান।

গায়ক আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন গায়িকা দিনাত জাহান মুন্নি। ২ জুলাই রমনা সাইবার ক্রাইম অফিসে অভিযোগ জানাতে গেলে মুন্নিকে পাঠানো হয় হাতিরঝিল থানায়। সেখানে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গায়িকা। অভিযোগের প্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে মামলা। আসিফ-মুন্নির তিনটি দ্বৈত অ্যালবাম আছে, দুজন প্লেব্যাক করেছেন প্রায় ১৫টি চলচ্চিত্রে। এর মধ্যে কয়েকটি গান জনপ্রিয়তাও পেয়েছে। তবু কেন সম্পর্ক তিক্ত হলো দুজনের? কেন করতে হলো মামলা? মুন্নি বলেন, ‘একটা মানুষের পিঠ যখন দেয়ালে ঠেকে যায় তখনই সে মামলা করতে বাধ্য হয়। কয়েক দিন ধরে আমাকে নিয়ে ফেসবুকে ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন আসিফ। সেখানে তাঁর ভক্তরা আমাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেই যাচ্ছেন। আসিফকে সতর্ক করেছেন সাইবার ক্রাইমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। উল্টো আসিফ বলেছেন, পারলে কিছু করে দেখাতে। ছেলে-মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে সমাজে বসবাস করি, এভাবে চলতে থাকলে সবাই ভেবে নেবে আসিফের বক্তব্যই ঠিক! তাই পদক্ষেপ নিয়েছি। আইনের প্রতি বরাবরই শ্রদ্ধাশীল আমি। আশা করছি, সঠিক বিচার পাব।’মামলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আসিফ আকবর বলেন, ‘আমি সব সময় সত্যের পথে চলি। কোনো ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাকে থামানো যাবে না। তা ছাড়া মুন্নিকে নিয়ে সরাসরি কোনো স্ট্যাটাস দিইনি। তিনি কেন নিজেকে জড়িয়ে নিলেন? জেল খাটার অভিজ্ঞতা আমার আছে। তবে বিশ্বাসঘাতকদের চেহারা কেমন হয় মানুষকে সেটা দেখাতে চাই। সব প্রশ্নের উত্তর রেডি, সাক্ষীও রেখেছি সলিড। কিছু চমকও থাকছে। গতবারের মতো একচেটিয়া সুযোগ আর কেউ পাবে না।’উল্লেখ্য, এর আগে গীতিকার সুরকার শিল্পী শফিক তুহিন ও প্রীতম আহমেদের করা এক মামলায় জেলে যেতে হয়েছিল ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ খ্যাত আসিফ আকবরকে। সেই মামলা এখনো চলছে।

শহীদ মিনার চত্বরে পরিবহন স্ট্যান্ড, মূল বেদিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকে সিগারেটের উচ্ছিষ্ট, খড়কুটো, ময়লা-আবর্জনা। চারপাশে নোংরা পরিবেশ। জুতা পায়ে মূল বেদির ওপর বসে আড্ডা দেন পরিবহনের চালকেরা। বগুড়ার ধুনট উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটির অমর্যাদার প্রতিদিনের চিত্র এটি। 

জানা গেছে, উপজেলা পরিষদের পুকুর পাড়ে প্রায় ৩৫ বছর আগে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হয়েছে। এটি উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি পুরনো শহীদ মিনারটির আধুনিকায়ন হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনারটি বর্তমানে অবহেলার শিকার। জাতীয় দিবসগুলোতে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়ে থাকে। দিবসগুলোর দু-এক দিন পূর্বে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করলেও বাকি দিনগুলো অযত্মে-অবহেলায় পড়ে থাকে। 

দীর্ঘদিন ধরে শহীদ মিনার চত্বরে সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। পরিবহনের চালক, শ্রমিক ও যাত্রীদের জুতা পায়ে শহীদ বেদিতে বসে বিড়ি-সিগারেট ফুঁকতে দেখা যায়। সন্ধ্যার পরে নেশাখোররা শহীদ মিনারের চারপাশে নেশার আসর বসায়। শহীদ মিনারের পাশে মাটির তৈরি গৃহস্থালি সামগ্রীর হাট বসে। এ সব কারণে শহীদ মিনারের পাশের সড়কে পথচারী চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। ওই সড়কের পাশে পুকুরে পাড়ে ময়লা-আর্বজনার দুর্গন্ধে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে শহীদ মিনারের মর্যাদাও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

পরিবহনের চালক কোরবান, লতিফ, সাইফুল ইসলাম জানান, স্ট্যান্ড না থাকায় শহীদ মিনার চত্বরে গাড়ি রাখা হয়। তবে আমাদের দ্বারা শহীদ মিনারের কোনো অমর্যাদা হয় না।  

শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কলাম লেখক রেজাউল হক মিন্টু বলেন, শহীদ মিনারটি যেভাবে মর্যাদাহীন হচ্ছে এর চেয়ে বড় দুঃখ আর কিছুই হতে পারে না। দেশে যত আন্দোলন হয়েছে, সব কিছুর সূতিকাগার হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের স্মরণেই এ শহীদ মিনার। এর মর্যাদা রক্ষা করা না হলে স্বাধীনতাযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও ভাষা আন্দোলনের শহীদদের অপমান করা হয়। তাই এই শহীদ মিনারটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান তিনি।

ধুনট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, উপজেলা পরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে শহীদ মিনারের মর্যাদা রক্ষায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পাথরবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই চালক নিহত হয়েছেন। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) গভীর রাতে রায়পুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক সড়কের চৌধুরীপুল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের নাম জানা যায়নি।

জানা গেছে, শনিবার (৪ জুলাই) সকালে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও পিকআপ ঘটনাস্থলে খালে পড়ে আছে। গাড়িগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। 

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা পাথরবাহী ট্রাকের সঙ্গে রায়পুর থেকে আসা পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে গাড়ি দুটি সড়কের পাশে খালে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই পিকআপ চালক (৩৮) মারা যান। ট্রাক চালককে (৪৫) উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোতা মিয়া জানান, নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন হবিগঞ্জ-১ নবীগঞ্জ-বাহুবলের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ মিলাদ এমপি। ৩ জুলাই শুক্রবার এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘সিলেট বিভাগের রাজনৈতিক, সামাজিক অঙ্গণে এম এ হক ছিলেন সকলের  পরম প্রিয় একজন শ্রদ্ধেয় আলোকিত মানুষ । নির্লোভ নিরহংকার বিশাল মনের দরদী সমাজ সেবক ছিলেন। তিনি ছিলেন সাদা মনের সত্যিকার একজন দেশপ্রেমিক। সাবেক মন্ত্রী মরহুম দেওয়ান ফরিদ গাজী সাহেবের লামাবাজারস্থ বাসার পিছনে এম এ হক’র বাসা ছিল পারিবারিকভাবে তাদের সু সম্পর্ক ছিল। এছাড়া তাদের পরিবারের পক্ষ থেকেও গভীর শোক জানানো হয়। মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন যেন তিনিকে জান্নাতবাসী করেন-আমীন।

কুষ্টিয়ায় শুক্রবার ছুরিকাঘাতে তরিকুল ইসলাম (১৮) নামে তরুণ খুন হয়েছেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা শহরের থানাপাড়া পুলিশ ক্লাব সংলগ্ন খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তরিকুল শহরের চর কুঠিপাড়ার কামু আলীর ছেলে। লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে থানাপাড়া পুলিশ ক্লাব সংলগ্ন খেলার মাঠে ছিলেন স্থানীয় যুবক কিশোরেরা। এ সময় চর থানাপাড়ার আব্দুস সালামের ছেলে মিনারুল ইসলামের (২১) সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তরিকুলের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মিনারুল তাঁর পকেটে থাকা ছুরি বের করে তরিকুলের শরীরে উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যান। স্থানীয় লোকজ গুরুতর আহত তরিকুলকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

 স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, থানাপাড়া এলাকায় কয়েকটি কিশোর গ্যাং রয়েছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কয়েক দিন ধরে দুটি পক্ষের বিরোধ চলে আসছিল। দুই তিন আগে তরিকুলের সঙ্গে প্রতিপক্ষের একটা ঝামেলা বাঁধে। তারই জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে সবার ধারণা।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত প্রথম আলোকে বলেন, খুনের ঘটনায় জড়িত কয়েকজনের নামপরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের ধরতে পুলিশ ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে। থানায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি জে আই স্যুট গার্মেনন্স নামক স্থানে সঞ্জু বিশ্বাস (৪২)নামে এক মানসিক রোগির লাশ উদ্ধার শেরপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, মহাসড়কের আউশকান্দি এলাকায় স্থানীয় জনতা লাশ থেকে খবর দিলে শেরপুর হাইওয়ে থানা পুলিশে খবর দিলে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। লাশের মরাদেহ দেখে তার আতœীয় স্বজন শেরপুর থানায় আসেন। লাশের আতœীয় স্বজন জানান মরাদেহ ব্যাক্তি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার কাশিলা গ্রামের অমর বিশ্বাসের পুত্র সঞ্জু বিশ্বাস। সে একজন মানসিক রোগি। পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করছে। শেরপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ এরশাদুল হক জানান  নিহত সঞ্জু বিশ্বাসের পরিবারের লোকজনের দাবি সঞ্জু বিশ্বাসের বিভিন্ন রোগ ছিল  হয়তো সে রোগের কারনে মারা গেছে। আমরা প্রাথমিক ধারনা করতেছি সে রোগের কারনে মারা গেছে তার শরিরের কোন অংশেই আঘাতের চিহ্ন নেই ময়না তদন্তের রিপোট আসালে পরে বুঝা যাবে কি কারনে তার মৃত্যু হয়েছে।

নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের বানুদেব গ্রামে রাস্তার মেরামত কাজে বাধা প্রধানকে কেন্দ্র করে দু পক্ষের লোকের সংঘর্ষে মহিলাসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের  নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে গুরুত্বর আহত ৩ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। শুক্রবার (০৩ জুলাই) সকাল ১১টায় দেবপাড়া ইউনিয়নের বানুদেব গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী আহতসূত্রে জানাযায়, বানুদেব গ্রামের বাসিন্দা সাইম উদ্দিন প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের ন্যায় এবছর বাড়ীর চলাচলের রাস্তা কাজ করতে শুরু করেন এতে বাধা প্রদান করেন সামছু উদ্দিনগংরা। এ নিয়ে গত বৃস্পতিবার সকালে হাতাহাতিঘটনা ঘটে। পরে এঘটনায় সাইম উদ্দিন থানায় একটি লিখত অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল মিয়া ও সাবেক মেম্বার আব্দুল হাই বিষয়টি মিমাংসা করার আশ্বাস প্রদান করেন। শুক্রবার সকালে  গ্রামে বিষয়টি সমাধানের জন্য বসার আগেই সামছু উদ্দিন,ইসলাম উদ্দিন, বুরহান উদ্দিন, তরাছ উদ্দিন,আলাল মিয়া, ইব্রাহিম,সলিম উদ্দিনসহ একদল লোক রামদা, পাইব,লাটিসহদেশীয় অস্ত্র  নিয়ে সাইম উদ্দিনের পরিবারের উমর এলোপাতারি হামলা চালায়। এর উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে ছড়িয়ে পড়ে এতে মহিলাসহ অনন্ত ১৫ জন আহত হন। আহতের মধ্যে উভয় পক্ষের ৯ জনকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা  প্রদান করেন। এদের মধ্যে গুরুত্বর আহত সাইম উদ্দিন(৫০) তার পুত্র মাওলানা ইমাদ উদ্দিন, ও সহিবুর উদ্দিনের পুত্র বাহার উদ্দিন(১৬)কে সিলেট ওসমানী মেডিকেতল কলেজ হাসাপাতালে প্রেরন করা হয়।অন্যান্য আহতরা হলেন সামছু উদ্দিন(৩০),আঃ আজিজ(৩৫), ফয়েজ আহমদ(৩৫),সফিনা বেগম (৩০),হাবিবুর রহমান (২০)ও মহি উদ্দিন (১৮)কে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular

LIVE STREAMING

Jun 11, 2019 255 Movies