October 7, 2022
নবীগঞ্জের সংবাদ

নবীগঞ্জের সংবাদ (1787)

দীর্ঘ ৪ বছর ধরে অন্যের বাড়িতে ভাড়ায় থেকে ১০ সদস্য পরিবার নিয়ে সাংবাদিক সাগর ও তার পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছেন। নবীগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর মোঃ কবির মিয়া কারণে দীর্ঘ ৪ বছর ধরে সাংবাদিক সাগর এর পরিবার নিজ বসত ঘরে ঢুকতে পারছেন না। বাড়ীর রাস্তার প্রবেশ পথে বাশেঁর বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে রেখেছেন কাউন্সিলর। এ ব্যাপারে সাংবাদিক সাগর ও তার পরিবার সমাজপতি ও প্রশাসনের দরজায় দরজায় ধর্ণা দিয়েও কোন সুরাহা পাচ্ছেন না। ফলে আটকে আছে সাগরের বাড়ীর নির্মাণ কাজও। শেষ পর্যন্ত নবীগঞ্জ থানার মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা ওসি ডালিম আহমদ, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিঠু, সাবেক প্যানেল মেয়র-১ এটি এম সালাম ও নবীগঞ্জ থানার বেশ কয়েকজন অফিসারসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় ওসি সাংবাদিক সাগরের পরিবারের প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি পরিলক্ষিত হলে তিনি সাগরের পরিবারকে মানবিক কারনে বসত ঘরে প্রবেশের রাস্তা অপসারনের জন্য কাউন্সিলরকে অনুরোধ করেন। এতে কাউন্সিলর দু’দিনের সময় নেন। কিন্তু সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও কাউন্সিলর কবির মিয়া সাগরের বাড়ীর প্রতিবন্ধকতা রাস্তা খোলে দেন নি।স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর কবির মিয়া এবং প্রতিবেশী মরহুম ছুরাব উল্লার পরিবারের সাথে বাড়ি সীমানা ও চলাচলের রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রায় ৫ বছর যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মামলা মোকদ্দমা চলছে। প্রায় ৪ বছর পুর্বে মরহুম ছুরাব উল্লার ছেলে সাংবাদিক সাগরসহ তার পরিবারের লোকজন প্রভাবশালী কাউন্সিলর ও তার পরিবারের লোকজনের অত্যাচার ও নির্যাতনের কারনে বসত বাড়ীঘর পেলে এসে আত্মরক্ষা করেন। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে সাংবাদিক সাগরের পরিবার পরিজন বাসা ভাড়া করে বসবাস করে আসছেন। নিজ গৃহে পরবাসীর মতো অবস্থা সাগরের পরিবারের নিজের বাড়ি ঘর থাকার পরও অন্যত্র বাসাভাড়া করে বসবাস করার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।দিকে প্রায় ৪ বছর ধরে খালি বাড়িঘর থাকার সুবাধে ঘরের বাশঁপালাসহ মুল্যমান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায় কাউন্সিলরের লোকজন। এছাড়া সম্প্রতি সাংবাদিক সাগরের পরিবার রাস্তার প্রতিবন্ধকতা অপসারনের জন্য বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলার প্রেক্ষিতে প্রতিবন্ধকতা অপসারনের জন্য ওসি নবীগঞ্জকে আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাস্তার সীমানায় দেয়া বেড়া সরিয়ে প্রতিবন্ধকতা দুর করার জন্য কাউন্সিলরকে অনুরোধ করেন। এতে কাউন্সিলর কোন তোয়াক্ষা করেন নি। এক পর্যায়ে নবীগঞ্জ থানার মানবিক অফিসার ইনর্চাজ মোঃ ডালিম আহমদ সরজমিনে গিয়ে সাংবাদিক সাগর ও তার পরিবারের লোকজনকে তাদের বাড়িঘরে প্রবেশ করতে রাস্তার প্রতিবন্ধকতা অপসারনের জন্য অনুরোধ করলে তিনি দু’দিনের সময় নেন। কিন্তু রির্পোট লেখা পর্যন্ত ৭ দিন অতিবাহিত হলেও কাউন্সিলর কবির মিয়া রাস্তার বেড়া অপসারন করেন নি।অভিযোগ উঠেছে উক্ত কাউন্সিলর সাংবাদিক সাগরের বাড়িঘর ও জায়গা জবর দখল করার পায়তারা করে আসছেন। এছাড়া উক্ত কাউন্সিলর কবির মিয়ার বাড়ির সামনে ও আশপাশে সরকারের কোটি টাকার ভুমি রয়েছে যা কাউন্সিলরের দখলে। সরকার অনুমতি ছাড়াই সরকারী কোটি টাকার সম্পত্তি জোরপুর্বক দখল করে ভোগ করে আসছেন।
এ ব্যাপারে সাংবাদিক সাগর মিয়া বলেন, প্রায় ৭০/৮০ বছর তারা ওই বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। এই দীর্ঘ সময় যে সব রাস্তা দিয়ে তারা চলাচল করতো, প্রভাবশালী কাউন্সিলর কবির মিয়া তা বন্ধ করে দিয়েছেন।কাউন্সিলর কবির মিয়া বলেন, সাংবাদিক সাগরদের বাড়িতে ঢুকতে দেয়া যাবে না। কারন তাদের রাস্তা নাই। দীর্ঘ প্রায় ৭০ বছর ধরে তারা ওই বাড়ি থেকে কি ভাবে চলাচল করতো প্রশ্ন করলে তিনি জবাব দিতে অনিহা প্রকাশ করেন।নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ডালিম আহমদ বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির কাছে যা আশা করেছিলাম, কাউন্সিলর কবির মিয়ার কাছে তা পাওয়া যায়নি। তিনি আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ারও কথা বলেন।

নবীগঞ্জে মা ভাই ও প্রতিবেশীকে নেশার টাকার জন্য চরম অপমান ও শারীরিক আঘাত ও নির্যাতন করার দায়ে পুত্রকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।রবিবার দুপুরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারিকান্দি গ্রামের মৃত রফিক মিয়ার পুত্র রুমান আলী (১৯)কে মোবাইল কোর্টের (দন্ড বিধি ১৮৬০ এর ৩৫৫ ধারার অপরাধ) মাধ্যমে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। নেশার টাকার জন্য চরম অপমান ও শারীরিক আঘাত, বাড়ি ঘর ভাঙচুর ইত্যাদি নিয়মিত অপরাধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। ছেলেটির এহন আচরণে গ্রামবাসী ও অবগত ছিল এবং ব্যাপক অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রসিকিউশকন এবং আসামি ধরতে সহায়তা করেন নবীগঞ্জ থানার এস আই দুর্গা দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ।মোবাইল কোর্টের সত্যতা নিশ্চিত করেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন।

নবীগঞ্জে আই এফ আই সি ব্যাংক লিঃ এর উদ্যোগে নবীগঞ্জ উপজেলা উপশাখার সার্বিক সহযোগিতায় বন্যায় কবলিত ৭৩ টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে নবীগঞ্জ আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন,আই এফ আই সি ব্যাংক লিঃ সিলেট শাখার ব্যবস্থাপক ও এভিপি মোঃ আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, হবিগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক ও প্রিন্সিপাল অফিসার মোঃ মশিউর রহমান,নবীগঞ্জ আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলী আমজাদ মিলন,আই এফ আই সি ব্যাংক লিঃ নবীগঞ্জ উপজেলা উপশাখার অফিসার ইনচার্জ পিন্টু রায়,উমেদনগর উপশাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আকবর হোসেন, চুনারুঘাট উপশাখার অফিসার ইনচার্জ মিনহাজুর রহমান চৌধুরী,কোর্ট স্টেশন রোড উপশাখার অফিসার ইনচার্জ হরিদাস চক্রবর্তী পঙ্কজ,বানিয়াচং উপশাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম,ট্রানজেকশন সার্ভিস অফিসার সাজিদুল হাসান,কানিজ ফাতেমা,ঋতু সরকার,সেলস এন্ড মার্কেটিং অফিসার সিদ্ধার্থ শংকর ভট্টাচার্য্য ও পারভেজ মিয়া।

অবৈধ অটো চলাচল ও মালিক-শ্রমিক অনৈক্যকে কেন্দ্র করে নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ রুটে হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতি ১৫ দিন ধরে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা। এতে চরম দূর্ভোগে পড়েছে নবীগঞ্জের জনসাধারণ। বাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির নেতারা বলছেন, সিদ্ধান্তহীনতার কারণে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। জানা যায়, ইলেকট্রিক চালিত অটোরিক্সার জন্য ঠিক মতো গাড়ি চালাতে না পাড়ায় ও কাংঙ্কিত যাত্রী না পাওয়ায় এবং মালিকদের সাথে গাড়ী চালানোর আয়-ব্যয়ের বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ১৪ই জুলাই থেকে কোন ধরনের নোটিশ না দিয়ে গাড়ি চালানো বন্ধ করে দেয় বাস শ্রমিক সমিতি। মালিকদের না বলে বাস বন্ধ করে দেওয়ায় দুই পক্ষের টানা পুড়ানে ১৫ দিনেও চালু হয়নি নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ রুটের বাস। এ ঘটনার পর থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় উভয় সমিতি। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। ওই রোড দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার যাত্রী আসা-যাওয়া করেন। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় গত ১৫ দিন থেকে যাত্রীরা অনেকটা বাধ্য হয়ে সিএনজি টমটম ও অটোরিক্সা যোগে চলাচল করছেন। কয়েক দফা বৈঠকের পরও আপোস মীমাংসা না হওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার এ সংবাদ লেথা পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। হঠাৎ করে বাস বন্ধ হওয়ায় দূর্ভোগে পড়েছে জনসাধারণ। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জজ কোর্ট ও বিভিন্ন অফিস আদালতে আসতে দূর্ভোগে স্বীকার হয়েছে। বাস বন্ধ থাকায় শহরের আখড়া পয়েন্ট থেকে অবাদে চলাচল করছে অটোরিক্সা। বাস বন্ধ হওয়ার সুযোগে অটোরিক্সা ও সিএনজি গুলো তাদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে অটোরিক্সা চালকদের সাথে বাক-বিতন্ডা লেগেই আছে। জেলা শহর কিবরীয়া ব্রিজ পয়েন্ট থেকে গত সোমবার পর্যন্ত অটোরিক্সার ভাড়া ছিল ৫০ টাকা, ইমামবাড়ির ভাড়া ছিল ৩০ টাকা, এখন ৫০ ও ৭০ টাকা। এমনকি স্থানভেদে ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের। রেজাউল করিম নামে এক ব্যক্তি বলেন, গত কয়েকদিন আগেও হবিগঞ্জ থেকে নবীগঞ্জ শহরের এসেছি ৫০ টাকা ভাড়া দিয়ে। কিন্তু আজ গ্যাস বন্ধ তেলে চলতে হয় বিভিন্ন অজুহাতে ভাড়া দিতে হয়েছে ৭০-৮০ টাকা। এছাড়া অটোরিক্সা ভাড়াও নিয়ন্ত্রণহীন। বিকল্প কোন মাধ্যম না থাকায় বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে বেশি ভাড়া দিয়ে। নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ রোডের বাস শ্রমিক সমিতির সভাপতি আব্দুস সামাদ অভিযোগ করে বলেন, অটোরিক্সার জন্য তারা ঠিক মতো গাড়ি যেমন চালাতে পারছে না সেইভাবে আয় করতে না পারায় তাদের ছেলে মেয়েদের না খেয়ে থাকতে হচ্ছে। এমনকি তাদেরকে মালিক পক্ষ থেকে কোন ধরনের সহযোগিতা না করায় তাদের পক্ষে বাস চালানো সম্ভব হচ্ছে না বিধায় তারা বাস বন্ধ করে দিয়েছেন। হবিগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সজীব আলী বলেন, আঞ্চলিক সড়কে অটোরিক্সা বন্ধ না করা হলে দুরপাল্লার বাস চালিয়ে পরিবহন শ্রমিকরা পেটের ভাত যোগাতে না পারলে বাস চালিয়ে কি করবে। এ ব্যাপারে মালিক শ্রমিক সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শংঙ্ক শুভ রায় বলেন, আমরা অচিরেই শ্রমিকদের সাথে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। তবে প্রশাসন অতি শীঘ্রই অটোরিক্সা বন্ধ না করলে এই রুটটি চালু রাখা আমাদের জন্য কষ্ট সাধ্য হবে। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন বলেন, বাস বন্ধের বিষয়ে মালিক-শ্রমিক কোন পই আমার সাথে এখন পর্যন্ত যোগাযোগ করে নাই। তবে বিষয়টি আমি দেখছি, যাতে অতি শীঘ্রই বাস চলাচল চালু করা যায়।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এম এ মুনিম চৌধুরী বাবুর স্ত্রী তানিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে প্রতারণা করে টাকা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঝুমুর সরকারের আদালতে তানিয়া আক্তারের ননদ দাবীকারী সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার আদেশে আদালত-পিবিআইকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলার আসামীরা হলেন-তানিয়া আক্তার (২৫), তার পিতা কনা মিয়া(৫০), জিতু মিয়া (৪৫), এনামুল হক (২৭), নুরুল হক (২০), মায়া বেগম (৪২)। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়-২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তানিয়া আক্তারের পিতা কনা মিয়া মামলার বাদী সুফিয়া বেগমের চাচাতো ভাইয়ের মাধ্যমে কনা মিয়ার মেয়ে তানিয়া আক্তারকে সুফিয়া বেগমের দুবাই প্রবাসী ভাই মহসিন আহমেদের সাথে বিবাহের প্রস্তাব দেন। এরপর ৩ লক্ষ টাকার কাবিন, ৪ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার ও বিবাহের দামী শাড়ীসহ অন্যান্য মালামাল প্রদানের শর্তে বিবাহের কথাবার্তা সম্পন্ন হয়। এক পর্যায়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মহসিন ও তানিয়ার মধ্যে স্বাক্ষীগণের সম্মুখে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক আক্দ সম্পন্ন হয়। এরপর থেকে মহসিন আহমেদ প্রবাস থেকে নিয়মিত স্ত্রী তানিয়ার সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন। এমন কী বিভিন্ন মাধ্যমে বিভিন্ন সময় মহসিন আহমেদ বিদেশ থেকে তানিয়ার কাছে নগদ অর্থসহ স্বর্ণালংকার বাবদ ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেন। এরপর তানিয়ার পরিবার তানিয়ার ভাই নুরুল হককে গাড়ি কিনে দেয়ার জন্য মহসিনের কাছে ২ লাখ টাকা চাইলে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় প্রবাস থেকে মহসিন আহমেদ বাড়িতে এসে টাকা দেবেন এবং বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন বলে আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে গত (১৬ মে) গণমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন তানিয়া অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এ বিষয়ে বাদী সুফিয়া বেগম তানিয়ার পরিবারের সাথে কথা বলতে গেলে তানিয়ার পরিবার বিবাহের আক্দ, টাকা স্বর্ণালংকার নেয়ার কথা অস্বীকার করে মহসিনের পরিবারের সাথে খারাপ আচরণ করে বাড়ি থেকে তাড়িঁয়ে দেন। এ প্রসঙ্গে মামলার বাদী সুফিয়া বেগম বলেন- আমার প্রবাসী ভাইয়ের সাথে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরও তানিয়া আমার ভাই এবং আমার পরিবারের সাথে প্রতারণা করে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে অন্যত্র বিবাহ করেছে। আমি নিরুপায় হয়ে প্রতারণার ঘটনায় জড়িত তানিয়াসহ অন্যান্য জড়িতদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছি। আদালত মামলা তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন, আশা করছি আদালতে আমরা ন্যায় বিচার পাবো। এ বিষয়ে তানিয়া আক্তারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার স্বামী এম এ মুনিম চৌধুরী বাবু জানান- মামলার ঘটনায় তানিয়া আক্তার কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন। উল্লেখ্য-গত (১৫ মে) হবিগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও নবীগঞ্জের কুর্শি গ্রামের বাসিন্দা এম এ মুনিম চৌধুরী বাবুর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন গজনাইপুর ইউনিয়নের সাতাইহাল গ্রামের কনা মিয়ার মেয়ে তানিয়া আক্তার।

নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুনার্মেন্টের ফাইনাল ২০২২ অনুষ্টিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে নবীগঞ্জ জেকে মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফাইনাল খেলায় অংশ করে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের শেরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় বনাম গজনাইপুর ইউনিয়নের গাবদেব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। উক্ত খেলায় ২-০ গোলে শেরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জয়ী হয়। বিজয়ী দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ গোল করেন মারকুজ মিয়া। বঙ্গমাতা গোল্ডকাপে বড় ভাকৈর ইউনিয়নের হরিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে করগাঁও ইউনিয়নের বড় শাকোয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ২-০ গোলে জয়ী হয়। সর্বোচ্চ ২ টি গোল করেন পূর্ণিমা সরকার। রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান মিজান,আব্দুল আলীম,শামীম আহমেদ। খেলা শেষে আলোচনা সভা ও পূরস্কার বিতরণ অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন। পরিচালনা করেন বড় শাকোয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: রুবেল মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী সাইফুল ইসলাম, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাতি রাকিল হোসেন শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাহিনুর আক্তার চৌধুরী, রাহেনা খানম চৌধুরী,সুবিনয় পুরকায়স্থ, বিপুল দেব,প্রভাত ভূষন রায়,অন্বেষ কুমার দাশ,শামীম আহমেদ,আব্দুল মজিদ,মৃনাল দাশ,মিত্রা চৌধুরী প্রমূখ। আলোচনা সভা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের মধ্যে পূরস্কার বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ১৪ ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা গোল্ডকাপ খেলায় ১৪টি দল অংশ গ্রহণ করে।

নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর (পূর্ব ) ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে আনসার উল্লাহ (৭০) নামের এক বৃদ্ধার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। বুধবার সকালে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন।আনসার উল্লাহ সোনাপুর গ্রামের মৃত তরছ উল্লার পুত্র।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, আনসার উল্লাহ মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী ছিলেন। পরিবারের লোকজন তাদের ঘরের তীরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ডালিম আহমেদের নির্দেশনায় এস আই দূর্গা দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ  ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার এস আই দূর্গা দাশ বলেন,আনসার উল্লাহ মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হয় এটি আত্মহত্যা। ময়না তদন্তের পর জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

ঢাকা সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের বডচর নামক স্থানে সকালে  একটি কাভার্ট ভ্যানকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয় একটি মালবাহী ট্রাক। ওই সময় ধাক্কায় ট্রাক চালক  আজিজ মিয়া (৫০)ঘটনাস্থলে নিহত হন।সোমবার সকালে সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে। এলাকাবাসী ও পুুলিশ সূত্রে জানাযায়,ঢাকা থেকে সিলেট গামী মালবাহী একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো ট-২৪-৪৩৯৯) সিলেট গ্রামী কাভার ভ্যান (ঢাকা মেট্রো ট ২০-৮৮০৭)কে পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ট্রাক চালক ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানার মৃত কালু মিয়ার পুত্র আজিজ মিয়া (৫০) নিহত হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরাদেহ উদ্ধার করে হাইওয়ে থানা নিয়ে আসেন।শেরপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ পরিমল দেব দুর্ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,দুর্ঘটনায় কবলিত গাড়ী উদ্ধার করে হাইওয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নবীগঞ্জ উপজেলা আউশকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা এহিয়া আহমেদ চৌধুরী জাবেদ এর মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা অকাল মৃত্যুতে শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আউশকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদলসহ অঙ্গসংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আউশকান্দি রহমান কমিউনিটি সেন্টারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবাদুর রহমান রানার সভাপতিত্বে ও বিএনপি নেতা শিহাব আহমদ চৌধুরী ও জাকির আহমদ এর যৌথ পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ- সম্পাদক বাবুল আহমদ চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক নেতা ও উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মতিউর রহমান পেয়ারা, আহবায়ক সরফরাজ চৌধুরী সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মুজিবুর রহমান, পৌর বিএনপির নেতা তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ডাঃ আব্দুল আলীম ইয়াছিনী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শিহাব আহমদ চৌধুরী, মজিদুর রহমান মজিদ, সফিউল আলম বজলু, আসফাকুজ্জামান চৌধুরী নোমান, মুরশেদ আহমদ, যুক্তরাজ্যে বিএনপির নেতা এডঃ রহুল আমিন, বিএনপির নেতা সোহেল আহমদ চৌধুরী রিপন, শাহেদ তালুকদার, কেন্দ্রীয় ফোরাম নেতা মুরাদ আহমদ, জগন্নাথপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন, যুক্তরাষ্ট্র মিশিগান বিএনপির নেতা শেখ ছাইদুর মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মুকিত, নিহত জাবেদ এর পিতা কবির আহমেদ চৌধুরী (কচি মিয়া), ছোট ভাই জাকির আহমদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাহীন পাঠান, পৌর যুবদলের সাবেক আহবায়ক শাহেদুল ইসলাম চৌধুরী রিপন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান চৌধুরী, বর্তমান আহবায়ক মোঃ আলমগীর মিয়া, উপজেলা যুবদলের নেতা অলিউর রহমান অলি, আবুল কালাম মিঠু, স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম আহবায়ক আল-আমিন, ইউপি সদস্য শায়েল আহমদ, সুমন মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির নেতা, রুয়েল আহমদ, তানিম চৌধুরী, সাজু আহমদ, ছাত্রনেতা মোফাজ্জল হোসেন, রকি পারভেজ, ফরহাদ, আকিকুর শুভ, সৌরভ, পলাশ, আবুল হোসেন সাফি। সভয়া বক্তারা মরহুম বিএনপির তরুন নেতা আন্দোলন সংগ্রামে নিবেদিত সৈনিক এহিয়া আহমদ চৌধুরী জাবেদ এর অকাল মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন আউশকান্দিবাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওঃ আব্দুল কাদির জালালী। শোক সভা ও দোয়া মাহফিলের পূর্বে খতবে কোরআন ও এতিমখানা শিরনী বিতরণ করা হয়।

নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামের রুমন মিয়ার বাড়িতে প্রতিপক্ষের লোকজন বন্দুক দিয়ে ফাকা গুলিসহ দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে হামলা বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে ।হামলার কাজে ব্যবহৃত দেশীয় দাড়ালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। হামলাকারীদের হামলায় গর্ভবতী মহিলাসহ ১০ জন আহত হয়েছে।আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,ইউনিয়নের কল্যানপুর গ্রামের আমির মিয়া ও তাহিরপুর গ্রামের রুমন মিয়ার সাথে বিরোধ চলে আসছিল। উভয় পক্ষের মাঝে একাধিক মামলা মোকদ্দমা রয়েছে। কিছুদিন পূর্বে একটি ছাগল চুরি ঘটনা নিয়ে তাদের মাঝে নতুন করে বিরোধ দেখা দেয়। পরে এলাকাবাসী তাহিরপুর বাজারে বিষয়টি সমাধান করেন। সালিশ বিচার অমান্য করে আমির মিয়া, মতিন মিয়া গংরা একটি চুরি মামলা দায়ের করে। মামলার ঘটনার সালিশ বিচারক গংদের সাথে রুমন মিয়া আলাপ করার কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে আমির মিয়া,মতিন মিয়া, আলী হোসেন ও সফিক মিয়াসহ তাদের পরিবারের মহিলাসহ তার নিকট আত্মীয় ১০ থেকে ১৫ জনের একদল দাঙ্গাবাজ লোক বন্দুকসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বাড়ীঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও গর্ভবতী মহিলাসহ শিশুদের উপর হামলা চালায়। হামলার খবর পুলিশের হট লাইন ৯৯৯ ফোন করে জানালে পুলিশ আসার খবর পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। আহতরা হলেন,গর্ভবতী মহিলা সোহেল আহমেদের স্ত্রী ফারজানা বেগম (৩০),পুত্র উসমান (৫) ,রুমন মিয়ার স্ত্রী রুজিনা বেগম (২৭),ইমন আহমেদের স্ত্রী রাজমিনা (২৭),ও তার শিশু পুত্র ইমাম  উদ্দিন (৯ মাস)কে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভর্তি করা হয়েছে।এ ঘটনায় রুমন মিয়া বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় ১০/১২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।হামলায় ভাংচুর ঘটনাস্থল স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, জন প্রতিনিধি,এলাকার মুরুব্বী যুবকসহ সচেতন মহলসহ অনেকই পরিদর্শন করেন এবং হামলাকারীর দৃষ্টান্ত মূলক বিচার দাবি করেন।
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular