October 7, 2022
নবীগঞ্জের সংবাদ

নবীগঞ্জের সংবাদ (1787)

ষ্টাফ রিপোর্টার: নবীগঞ্জ উপজেলারপানিতে ডুবে ইমন আহমদ নামের ২ বছরের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে ওই উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের বহরপুর গ্রামের মোঃ মুজিব মিয়ারিশিশু পুত্র  ইমন (২) পরিবারের লোকজনের অগোচরে বাড়ীর আঙ্গিনা খেলা করার সময় সকলের অগোচরে বাড়ীর পার্শ্ববর্তী পুকুরে পড়ে যায়।  অনেক খুজাখুঁজির পর তাকে পুকুরের ভাসমান অবস্থায় পেয়ে  নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।  । 

 নবীগঞ্জে এক শিক্ষকের লঙ্কা কান্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে। স্কুলের বেতন দেরিতে দেয়ায় সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকের বিরুদ্ধে।   ঘটনাটি ঘটেছে নবীগঞ্জ পৌরসভার নবীগঞ্জ সরকারি কলেজের স্কুলে।  সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের জন্তরী গ্রামের সপ্তম শ্রেণীর জনৈক ছাত্রীর সাথে এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রী দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় স্কুলের ৪ মাসের বেতন বকেয়া পরে।  পরে চলতি মাসের ১৫ জুন ২ মাসের বেতন স্কুলে নিয়ে গেলে শিক্ষক রাজিব চৌধুরী উত্তেজিত হয়ে ওই ছাত্রীকে বেত আঘাত করেন। বেত আঘাতে ছাত্রীর শরীরে বিভিন্ন অংশে জখম হয়। শুধু এই ছাত্রীতেই থেমে থাকেননি অভিযুক্ত  শিক্ষক রাজিব চৌধুরী। স্কুলে নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অষ্টম শ্রেণীর আরেক ছাত্র মোঃ আলী জানায়, এ বিষয় স্যারের নতুন কিছু না। একটু দেরিতে বেতন দিলেই স্যার ক্ষিপ্ত হন সব সময়। ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের বাবা, মা, কে নিয়ে অকত্য ভাষায় কথা বলেন স্যার।সে আর ও জানায়, পরিবারের কেউ যদি প্রবাসী হন তাহলে তাদের নিয়ে অশুভ কথা বলেন আমাদের স্যার। রাজিব চৌধুরীর এহেন আচরণে ক্ষুদ্ধ স্কুলের অবিবাকরা। স্কুলে বেতনের জন্য ছাত্রছাত্রীর সাথে অশুভ আচরণ বেত্রাঘাত ও মানসিক শারীরিকভাবে নির্যাতন প্রবাসীদের নিয়ে তার কুরুচিপনা বক্তব্য নবীগঞ্জের সুশীল সমাজে মিশ্র প্রক্রিয়া দেখা দিয়েছে।  এদিকে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে বেত আঘাত মানসিক ও শারীরকিভাবে নির্যাতনে স্কুলের সভাপতি নবীগঞ্জ সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ সফর আলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ছাত্রীর বড় ভাই চন্দন বৈদ্য।  এব্যাপারে অভিযুক্ত রাজিব চৌধুরী বলেন,  আমার বিরুদ্ধে করা এ অভিযোগ মিথ্যা।  স্কুলের সভাপতি নবীগঞ্জ সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলেন, বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখছি। এব্যাপারে জানতে চাইলে নবীগঞ্জ উপজেলা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, বেতনের জন্য ছাত্রছাত্রীর উপর প্রহার করা এক ধরনের বড় অপরাধ। বকেয়া বেতনের জন্য একজন শিক্ষক এমন কাজ করতে পারেন না। ঘটনার সত্যতা পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শিক্ষক হিসেবে রাজিব চৌধুরীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ও প্রশ্ন উঠেছে। অসম্পূর্ণ ডিগ্রি দিয়ে কিভাবে একটি হাই স্কুলের শিক্ষকতা করছেন রাজিব চৌধীরী প্রশ্ন অনেকের।   এভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এজন্য যতদ্রুত সম্ভব শিক্ষক রাজিব চৌধুরীর বিষয় তদন্ত করে আইনানুগভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি  উঠেছে।

 মোঃ আলাল মিয়া নবীগঞ্জ ॥ নবীগঞ্জ উপজেলায় পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি রক্ষা করতে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ লোকের হামলায় একই পরিবারের ৫ জন আহত হয়েছেন। তাদেরকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।  ঘটনা ঘটেছে শনিবার সকাল ১০টায় উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে। আহত ও স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্যের প্রেক্ষিতে প্রকাশ, ওই গ্রামের চাঁদ মোহাম্মদ মারা যাওয়ার সময় কন্যা মোছাঃ মুমিনা বিবিসহ  তিন কন্যাকে তার সহায় সম্পত্তি দিয়ে যায়। কিন্তু দীর্ঘদিন থেকে ওই সম্পত্তির দিকে কুদৃষ্টি রয়েছে একই গ্রামের আজিদ মোহাম্মদের পুত্র ফরিদ চৌধুরী ও ফজলুল হক চৌধুরী গংদের। এরই জের নিয়ে গতকাল তারা মোছাঃ মুমিনা বিবির বাড়ি রকম ভুমি দখল করতে গেলে তখন তিনি বাঁধা প্রদান করা মাত্রই অতর্কিত হামলা চালানো হয় তার ওপর। এসময় তাকে রক্ষা করতে কন্যা ও ছেলে ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে তাদের ওপর ও হামলা চালালো হয়। হামলায় আহত প্রত্যেক্ষদর্শী ও প্রতিবেশী একই গ্রামের আব্দুল মমিন মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ হেনা বেগম জানান,ওই গ্রামের বাহার আলীর পুত্র মোঃ রুহুল আমীন, মোঃ ইউসুফ আলী, আজিজ মোহাম্মদের পুত্র ফরিদ চৌধুরী গংরা মিলে আম্বর আলীর স্ত্রী মোছাঃ মুমিনা বিবি (৬০) তার পুত্র নওশাদ আলী (১৭) এরশাদ আলী (২৬) কন্যা মোছাঃ রুহেলা আক্তার (৩০) শাহেলা আক্তার (২৩)কে  পিঠিয়ে আহত করেছে। অপরদিকে হামলার আহত বৃদ্ধা মুমিনা বিবি (৬০) জানান-তার পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি রক্ষা করতে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি আইনের আশ্রয় নিবেন।

সংবাদদাতা॥ নবীগঞ্জ উপজেলা তালামীযের সাবেক সভাপতি হাফেজ মো. অাব্দুল মন্নানের পিতা আউশকান্দি ইউনিয়নের দেওতৈল গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বী ক্বারী মোঃ রমজান আলী (৮০) আমাদের মাঝে আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গত বৃহস্পতিবার বিকালে ষ্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিসৎসাধীন থাকা অবস্তায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মরহুমের নামাজের জানাযা আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় দেওতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাযার পূর্বে ক্বারী রমজান আলীর স্মৃতিচারন ও রুহের মাগফেরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া, এম. এ মুনিম চৌধুরী বাবু, আউশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মো. মুহিবুর রহমান হারুন ও মরহুমের পুত্র হাফেজ আব্দুল মন্নান সহ অনেকেই। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন মরহুমের প্রথম পুত্র মোঃ আব্দুর রব। এতে অংশগ্রহণ করেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী অালহাজ্ব মাও. অাব্দুল হালিম, বাংলাদেশ অানজুমানে আল ইসলাহ'র কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক কাজী মাও. এম.হাসান আলী, নবীগঞ্জ রুস্তমপুর ন-মৌজা দাখিল মাদরাসার সুপার মাও. মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান, অাউশকান্দি ইয়াকুবিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাও. মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, মাও. অাব্দুল হান্নান, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুরাদ অাহমদ, বাংলাদেশ অানজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান সানি, অফিস সম্পাদক মো. অাব্দল মুহিত রাসেল, হবিগঞ্জ জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান অাল-ইমন, উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মনর মিয়া, যুবলীগ নেতা মো. অাব্দুল হামিদ নিকছন, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি এম. মুজিবুর রহমান, হাজী সানুর মিয়া, ফকির ফজলু মিয়া, কাছন মিয়া, লেবু মিয়া, উপজেলা তালামীযের সভাপতি মো. শামসুল ইসলাম'সহ সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ এলাকার হাজারো মানুষ। জানাযা শেষে মরহুম ক্বারী রমজান আলীকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৮ পুত্র, ১ মেয়ে, নাতি-নাতনি, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জেলা সাংবাদিক ফোরামের আইন সম্পাদক ও দৈনিক আলোকিত সকালের নবীগঞ্জ প্রতিনিধি আশাহীদ আলী আশার এক মাত্র ছেলে তানজিদ হোসেন জয়ের শুভ জন্মদিনে শুভকামনা রহিল।দৈনিক নবীগঞ্জের ডাক পরিবারের  পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন সে সাথে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করি। সে যেন মানুষের মত মানুষ দেশ ও সমাজের মঙ্গল এ কাজ করতে পারে তার জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন দৈনিক আলোকিত সকালের সসম্পাদক নজরুল ইসলাম। জয়ের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নবীগঞ্জ ডাকের সম্পাদক শামীম আহমেদ চৌধুরী,ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোঃ আলমগীর মিয়া, বার্তা সম্পাদক মোঃ নাবিদ মিয়া,নবীগঞ্জ ডাক পরিবারের মোঃ আলাল আহমেদ,কৌশিক আহমেদ শুভ,হাসান চৌধুরী,ইকবাল তালুকদার প্রমুখ।

ঈদ-পূণর্মিলন উপলক্ষে নবীগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকদের আনন্দ ভ্রমণে দীর্ঘদিন পর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুগমপথ তৈরী হয়েছে। গত শনিবার ১৫ জুন নবীগঞ্জ থেকে বৃহত্তর সিলেটের অন্যতম পর্যটক কেন্দ্র বিছনাকন্দির উদ্দেশে বাস যোগে আনন্দ ভ্রমণের যাত্রা শুরু হয়। সকাল ৭ থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত চলন্ত বাসে পিছনের সব ক্লান্তি দূর করতে বিভিন্ন রকমের সংগীতে মেতে উঠেন সাংবাদিকরা। দুপুর ২ টায় নৌকা যোগে  সিলেটের পিয়াং নদী অতিক্রম করে অন্যতম পর্যটক কেন্দ্র বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যভর্তি সীমান্ত বিছনাকান্দি পৌছায়। বিছনাকান্দির প্রাকৃতিক রূপ ও লোকসমাগমের অপরূপ চিত্র আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসতে দেখা যায় কয়েক হাজার পর্যটকদের। এসময় নবীগঞ্জে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা ফুটবল খেলায় মেতে উঠেন। তাদের সাথে অংশ নেন আর অন্যান্য পর্যটকরা। এ যেন শুধুই আনন্দ কেন্দ্র। সাম্প্রতিক সময়ে নবীগঞ্জের সাংবাদিকরা এক হয়ে এই প্রথম বিছনাকান্দি পর্যটক কেন্দ্রে আনন্দ ভ্রমণে আসেন। এ আনন্দ ভ্রমণ দীঘদিনের একে অপরের প্রতি ভুল বুঝাবুঝির অবসান হয়েছে। একে অপরের প্রতি সহানুভূতি রেখে দেশের জন্য কাজ করার অঙ্গিকার করা হয়। উক্ত আনন্দ ভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সাংবাদিক সমকাল পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি এমএ আহমেদ আজাদ,আমাদের সময় প্রতিনিধি সলিল বরন দাশ, যুগান্তর পত্রিকার প্রতিনিধি সারোয়ার সিকদার, কালের কন্ঠ প্রতিনিধি মোঃ আলমগীর মিয়া, এম এ মুজবিুর রহমান, চ্যানেল এস প্রতিনিধি রাকিল হোসেন, বিবিয়ানা পত্রিকার বার্তা ইনচার্জ হাবিবুর রহমান চৌধুরী, বিবিয়ানা পত্রিকার বার্তা সম্পাদক শাহ তজমুল আলী নিলু, , চ্যানেল এস প্রতিনিধি বুলবুল আহমেদ, বদরুজামান,ইউরোপীয় চ্যানেল এনটিভির প্রতিনিধি মুহিবুর রহমান তছনু। অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক সৈকত আহমেদ,সুলতান মাহমুদ, রোমেল আহমেদ,আলী হাছান লিটন, নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত আওয়াজ বিডি প্রতিনিধি মোঃ নাবিদ মিয়া, জয়যাত্রা টিভি হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ছনি চৌধুরী, সেলিম আহমেদ, জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজের নবীগঞ্জ প্রতিনিধি এসএম আমীর হামজা, তরফ বার্তা প্রতিনিধি ইকবাল হোসেন তালুকদারসহ প্রায় ৩০ জন কর্মরত সাংবাদিক আনন্দ ভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন। তবে ব্যাক্তিগত সমস্যার কারনে আনন্দ ভ্রমণে অংশ গ্রহণ করতে পারেননি বেশ (ক)জন সিনিয়র সাংবাদিক। আনন্দ ভ্রমণে অংশ না নিতে পারলে ও তারা এ ভ্রমণের সাথে একমত পোষন করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন, সিনিয়ির সাংবাদিক  এস আর চৌধুরী সেলিম,আলাউর রহমান,ফখরুল হাসান চৌধুরী,কাজী ওবাদুল কাদের হেলা্ল,ফখরুল ইসলাম চৌধুরী,সাইফুল জাহান চৌধুরী, এটিএম সালাম,সুবিনয় রায় বাপ্পি, ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, উত্তম কুমার পাল হিমেল, শাহ মিজানুর রহমান,মহিবুর রহমান, আশাহিদ আলী আশা অলিউর রহমান,প্রমুখ।

নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ সাজাপ্রাপ্ত আ: রশিদ (৪০) নামে এক সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আ: রশিদ উপজেলার বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের শৈলারামপুর গ্রামের হরমুজ আলীর পুত্র।  গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির এএসআই এমরান, এএসআই রবেল হোসেন, এএসআই অনিক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একদল পুলিশ নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে শৈলারামপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।
ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক সামছুদ্দিন খাঁন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত আঃ রশিদ বিজ্ঞ আদালত কতৃক সাজাপ্রাপ্ত আসামী। সে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিল। তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নবীগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার জয়নগরের ছোট একটি দরিদ্র পরিবারে সন্তান শাবেন্ড দাস। একটু স্বঞ্চলতা ও বেশি টাকা আয় করতে গিয়ে পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে লাশ হয়ে ফিরতে হলো তাকে। তাপ বিদ্যু কেন্দ্রর ৬ তলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় তার। সেই সঙ্গে এক দরিদ্র চা বিক্রতা পিতার বাবা ও দুই কন্যা সন্তানের ‘সোনালী স্বপ্নের সমাধি ঘটে গেলো চিরতরে।
গত মঙ্গলবার পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের টাওয়ারে পাইপ ফিটিংসের কাজ করার সময় নিরাপত্তা বেল্ট ছিড়েঁ নিচে পড়ে মারা যায় শাবেন্ড দাশ (২৮)। পরে শাবেন্ডের লাশ উদ্ধার করে কলাপাতা থানায় রাখা হয়। পরর্বতীতে বুধবার পটুয়াখালীর সদর হাসপাতালে লাশের ময়না তদন্ত শেষে রাত দুই টায় নবীগঞ্জ জয়নগরস্থ পৌর শশ্মান ঘাটে লাশের সৎকার করা হয়। শাবেন্ডের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ পৌর শহরের জয়নগর পূর্ব পাড়ার দরিদ্র চা বিক্রেতার নগেন্দ্র দাশের ছেলে শাবেন্ড দাশ পাইপ ফিডার হিসাবে কাজ করতো। এলাকায় তেমন কাজ-কর্ম না গত মাসের ১৮ তারিখ মামা গোপাল দাস তাকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কাজে নিয়ে যায়। তার বাবার প্রত্যাশা ছিল, ছেলে সেখানে ভাল কাজ করে সংসারের অভাব দূর করবে। কিন্তু তাপ বিদ্যৎ কেন্দ্রে সেই স্বপ্ন আর প্রত্যাশার সমাধি ঘটেছে।
শাবেন্ডর কাকাতো ভাই অনন্তর দাস জানায় মঙ্গলবার বিকাল ২.৩০ মিনিটে তার ভাই কবিন্ড দাশ ও অন্তর দাশ কাজের ফাঁকে ভাইয়ের খোঁজ নিতে গিয়ে তার কাজের জায়গা না পেয়ে ফোন করলে ফোন বন্ধ পায়। পরে জানতে পারে তার ভাই কাজ করতে গিয়ে বেল্ট ছিড়ে নীচে পরে তাৎক্ষণিকভাবে মারা যায়। সাথে সাথে তার নীচে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। তখন লাশ চায়না কতৃপক্ষ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তাদের হস্তক্ষেপে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে বাড়ীতে নিয়ে আসে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বিকালে নির্মাণাধীন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বয়লার থেকে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিক শাবিস চন্দ্র দাস মারা যান। এ ঘটনার জের ধরে বিকালে বাংলাদেশি শ্রমিক এবং চীনা শ্রমিকদের মাঝে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাংলাদেশি ১০ জন এবং চায়নিজ ৬ শ্রমিক আহত হন। এদিকে শাবেন্ডর বাড়ীতে গিয়ে দেখা যায় তার বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদে বাড়ীতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রাতে ভিড় কিছুটা কমলেও গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবার বাড়ীতে শত-শত নারী-পুরুষ ভিড় করতে থাকেন। এদিকে ভাইয়ের মৃত্যুতে তার ছোট ভাই কবিন্ড দাশ (২৩) গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যপারে শোকাহত তার স্ত্রী শুক্লা দাস ও পিতা নগেন্দ্র দাশ বলেন শাবেন্ডর সুস্মিতা ও উস্মিতা নামে তার দুই কন্যা সন্তান আছে। রেখে যাওয়া কন্যা সন্তানকে কিভাবে তারা মানুষ করবেন এই চিন্তায় তারা বারবার মুছ্যা যাচ্ছিল। পরিবারের অন্যতম উপার্জন কর্ম ব্যক্তি ছিল সে। তাকে হারিয়ে তারা বাকরুদ্ধ কোন কথা বলতে পারছিল না। এদিকে লাশ নিয়ে আসা শাবেন্ডর মামা গোপাল দাস বলেন, চায়না কতৃপক্ষ লাশ নিয়ে আসা সময় একটি সাদা কাগজে শাবেন্ডর পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান। স্থানীয় অনেকেই বলছেন, শাবেন্ড এক দিকে যেমন ছিলেন বিনয়ী অন্যদিকে খুবই ভদ্র। সকলেই তাকে খুব ভালোবাসতেন, তার মৃত্যুর সংবাদে এখন এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নবীগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার জয়নগরের ছোট একটি দরিদ্র পরিবারে সন্তান শাবেন্ড দাস। একটু স্বঞ্চলতা ও বেশি টাকা আয় করতে গিয়ে পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে লাশ হয়ে ফিরতে হলো তাকে। তাপ বিদ্যু কেন্দ্রর ৬ তলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় তার। সেই সঙ্গে এক দরিদ্র চা বিক্রতা পিতার বাবা ও দুই কন্যা সন্তানের ‘সোনালী স্বপ্নের সমাধি ঘটে গেলো চিরতরে।
গত মঙ্গলবার পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের টাওয়ারে পাইপ ফিটিংসের কাজ করার সময় নিরাপত্তা বেল্ট ছিড়েঁ নিচে পড়ে মারা যায় শাবেন্ড দাশ (২৮)। পরে শাবেন্ডের লাশ উদ্ধার করে কলাপাতা থানায় রাখা হয়। পরর্বতীতে বুধবার পটুয়াখালীর সদর হাসপাতালে লাশের ময়না তদন্ত শেষে রাত দুই টায় নবীগঞ্জ জয়নগরস্থ পৌর শশ্মান ঘাটে লাশের সৎকার করা হয়। শাবেন্ডের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ পৌর শহরের জয়নগর পূর্ব পাড়ার দরিদ্র চা বিক্রেতার নগেন্দ্র দাশের ছেলে শাবেন্ড দাশ পাইপ ফিডার হিসাবে কাজ করতো। এলাকায় তেমন কাজ-কর্ম না গত মাসের ১৮ তারিখ মামা গোপাল দাস তাকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কাজে নিয়ে যায়। তার বাবার প্রত্যাশা ছিল, ছেলে সেখানে ভাল কাজ করে সংসারের অভাব দূর করবে। কিন্তু তাপ বিদ্যৎ কেন্দ্রে সেই স্বপ্ন আর প্রত্যাশার সমাধি ঘটেছে।
শাবেন্ডর কাকাতো ভাই অনন্তর দাস জানায় মঙ্গলবার বিকাল ২.৩০ মিনিটে তার ভাই কবিন্ড দাশ ও অন্তর দাশ কাজের ফাঁকে ভাইয়ের খোঁজ নিতে গিয়ে তার কাজের জায়গা না পেয়ে ফোন করলে ফোন বন্ধ পায়। পরে জানতে পারে তার ভাই কাজ করতে গিয়ে বেল্ট ছিড়ে নীচে পরে তাৎক্ষণিকভাবে মারা যায়। সাথে সাথে তার নীচে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। তখন লাশ চায়না কতৃপক্ষ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তাদের হস্তক্ষেপে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে বাড়ীতে নিয়ে আসে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বিকালে নির্মাণাধীন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বয়লার থেকে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিক শাবিস চন্দ্র দাস মারা যান। এ ঘটনার জের ধরে বিকালে বাংলাদেশি শ্রমিক এবং চীনা শ্রমিকদের মাঝে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাংলাদেশি ১০ জন এবং চায়নিজ ৬ শ্রমিক আহত হন। এদিকে শাবেন্ডর বাড়ীতে গিয়ে দেখা যায় তার বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদে বাড়ীতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রাতে ভিড় কিছুটা কমলেও গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবার বাড়ীতে শত-শত নারী-পুরুষ ভিড় করতে থাকেন। এদিকে ভাইয়ের মৃত্যুতে তার ছোট ভাই কবিন্ড দাশ (২৩) গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যপারে শোকাহত তার স্ত্রী শুক্লা দাস ও পিতা নগেন্দ্র দাশ বলেন শাবেন্ডর সুস্মিতা ও উস্মিতা নামে তার দুই কন্যা সন্তান আছে। রেখে যাওয়া কন্যা সন্তানকে কিভাবে তারা মানুষ করবেন এই চিন্তায় তারা বারবার মুছ্যা যাচ্ছিল। পরিবারের অন্যতম উপার্জন কর্ম ব্যক্তি ছিল সে। তাকে হারিয়ে তারা বাকরুদ্ধ কোন কথা বলতে পারছিল না। এদিকে লাশ নিয়ে আসা শাবেন্ডর মামা গোপাল দাস বলেন, চায়না কতৃপক্ষ লাশ নিয়ে আসা সময় একটি সাদা কাগজে শাবেন্ডর পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান। স্থানীয় অনেকেই বলছেন, শাবেন্ড এক দিকে যেমন ছিলেন বিনয়ী অন্যদিকে খুবই ভদ্র। সকলেই তাকে খুব ভালোবাসতেন, তার মৃত্যুর সংবাদে এখন এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।


মোঃ আলাল মিয়া নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত: আব্দুস সোবহান মাস্টার সাহেবের বড় ছেলে, নবীগঞ্জ শহরের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী সমাজ সেবক আবুল হোসেন আজাদ এর বড় ভাই আবুল কালাম আজাদ (আবু মিয়া) লন্ডনের নর্থ মিড্লসেক্স হসপিটালে আই.সি.ইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গোলবার লন্ডনের সময় দুপুর ১ ঘটিকায় ইন্তেকাল করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। মৃতকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। মৃতকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে, দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।  বুধবার বাদ জোহর লন্ডনের ইক আল মসজিদ প্রাঙ্গণে উনার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে, পরবর্তীতে এডমন্টন শহরের ওয়ান ফাইভ ওয়াক্স লেন কবরস্থানে উনার দাফন সম্পূর্ণ হয়েছে।  তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছেন নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের সংসদ সদস্য  শাহ নেওয়াজ মিলাদ গাজী,সাবেক সংসদ সদস্য  শেখ সুজাত মিয়া,সাবেক সংসদ সদস্য  এম এ মুনীব চৌধুরী,সাবেক সংসদ সদস্য এডঃ অমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া,নবীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছাবির আহমদ চৌধুরী, নবীগঞ্জ ডাকের সম্পাদক শামীম আহমেদ চৌধুরী, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ আলমগীর মিয়া, মোঃ নাবিদ মিয়া, কৌশিক আহমেদ শুভ, হাসান চৌধুরী প্রমুখ।  বিবৃতিদাতাগন শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। 

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular