October 5, 2022
নবীগঞ্জের সংবাদ

নবীগঞ্জের সংবাদ (1784)

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় সাংবাদিক এম, মুজিবুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অস্ত্রধারীরা চালায সন্ত্রাসী তান্ডব৷ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- গত (৩১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে নির্বাচনী প্রতিহিংসা ও গ্রাম্য বিরোধের জের ধরে দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর এলাকায় দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি ও ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য শাহ সুলতান আহমেদকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য ফখরুল ইসলাম জুয়েলের বাড়িতে গোপন মিটিং করে সংঘবদ্ধ দূর্বৃত্তরা হামলা চালায়৷ জুয়েলের ভাই জুনেদ মিয়াসহ ৫জনকে আসামী করে সুলতান হামলার ঘটনার জেরধরে ও সংবাদ প্রকাশ এবং প্রতিবাদ করায় এ হামলার ঘটনা ঘটে৷ । এদিকে সাংবাদিক শাহ সুলতানের উপর হামলার প্রতিবাদে ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ জানান দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি ও নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান। এ ঘটনার জের ধরে সোমবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দীঘলবাক ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জুয়েল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়ে জুয়েলসহ ২০/২৫ জন সাংবাদিক মুজিবুর রহমানের বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়। সাংবাদিক মুজিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন- আমি জরুরি কাজে সুনামগঞ্জে আছি, আমার অনুপস্থিতি সাবেক মেম্বার জুয়েলের নেতৃত্বে আমার বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে, পুলিশের যথাযথ সহযোগীতা না পাওয়ার অভিযোগ করেন সাংবাদিক মুজিব। এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ডালিম আহমেদ জানান- খবর পেয়েছি, ঘটনাস্থলে পুলিশ যাচ্ছে, যাতায়াত ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় পুলিশ যেতে সময় লাগছে।

হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ মিলাদ বলেছেন, যে শিক্ষা প্রতিষ্টান যত উন্নত সে শিক্ষা প্রতিষ্টানের মান বেশী উন্নত। নবীগঞ্জ উপজেলা স্কুল হচ্ছে নবীগঞ্জের একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্টান। তিনি স্কুলটিকে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, আগামীতে এই স্কুল  আরো এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, আজকের এই ছোট্ট শিশুরা আগামী দিনে আমাদের নেতৃত্ব দেবে। দেশ পরিচালনায় ভূমিকা পালন করবে। উপজেলা স্কুলের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা পজীপ কর্মকর্তা শাকিল আহমেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,হবিগঞ্জ-১ আসেনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ মিলাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন দেলোয়ার, নবীগঞ্জ পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এডঃ গতি গোবিন্দ দাশ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম, ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান, আক্তার মিয়া ছুবা, নির্মলেন্দু দাশ রানা, হাবিবুর রহমান হাবিব, উপজেলা স্কুলের অধ্যক্ষ কাঞ্চন বণিক, উপাধ্যক্ষ সৈয়দা সুমাইয়া আফরুজ চৌধুরী, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিঠু, উত্তম কুমার পাল হিমেল, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ মিলু, সাংবাদিক মোঃ হাসান চৌধুরী, অঞ্জন রায়,সাগর মিয়াসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকগণ প্রমূখ।নবীগঞ্জ উপজেলা স্কুলের উদ্যাগে রবিবার ( ১১ সেপ্টেম্বর)  বিকাল ৪ টায় স্কুল প্রাঙ্গনে "গ্রীল স্থাপন, রং করা, আর্ট করানো, সি.সি ক্যামেরা, ল্যাপটপ, ওয়াটার পিউরিফায়ার মেশিন স্থাপন, ক্ষুদ্র মেরামত কাজের" উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। অনুষ্টানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন স্কুলের ছাত্র আদিল আহমেদ ও পবিত্র গীতা পাঠ করেন অনন্যা দাশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যকালে প্রতিষ্টানকে ২ লক্ষ টাকা, ১টি ডিপ টিউবওয়েল, এমপিও ভূক্তির জন্য ডিও লেটার প্রদানসহ নানান সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

আগামী আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন আলহাজ্ব ডাঃ মোঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত তালিকা প্রকাশ করা হয়। গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবনে গণভবনে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় জেলা পরিষদের দলীয় প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য আমির হোসেন আমু, শেখ সেলিম, কাজী জাফরুল্লাহ, কর্নেল ফারুক খান, ড. আব্দুল রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, মাহবুব উল আলম হানিফ।
তফসিল অনুযায়ী-মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১৮ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ভোটগ্রহণ ১৭ অক্টোবর। গত ২৪ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ তানভীর আজম ছিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি এডঃ মোঃ আব্দুল হামিদ এর আদেশক্রমে আলহাজ্ব ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরীকে হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়। এর আগে ২০১১ সনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আলহাজ্ব ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরীকে প্রথম হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়। তখন তিনি ৫ বছর সততা ও নিষ্টার সাথে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে প্রজাতন্ত্রের আদেশ অনুযায়ী প্রশাসক পদ বিলুপ্ত করেন জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ ভোটে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে নির্বাচনের প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ, পৌর পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, মেয়র ও কাউন্সিলরগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সে অনুযায়ী ২০১৬ সনের ডিসেম্বর মাসে হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে আলহাজ্ব ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এর পর থেকে তিনি সকলের সহযোগিতায় দক্ষতার সাথে জেলা পরিষদের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করেন। গত ১৭ এপ্রিল জেলা পরিষদ ভেঙ্গে দেয়ার পর জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পাবার জন্য অনেকেই লবিং শুরু করেন। কিন্তু ১০ দিনের মাথায় পুনরায় ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরীকেই হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়। ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব পালন কালীন সময়ে জেলা পরিষদের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলায় শিক্ষা ও সংস্কৃতি উন্নয়ন, মসজিদ, মন্দির, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কর্মকান্ডের মধ্যে রয়েছে ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে মেজর জেনারেল এম এ রব বীরউত্তম স্মৃতি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার নির্মাণ, ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল এম এ রব বীরউত্তম স্মরনে হবিগঞ্জ জেলা সদরের প্রবেশ মুখে দৃষ্টিনন্দন গেইট নির্মাণ, প্রায় ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০০ আসন বিশিষ্ট জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম নির্মাণ, প্রায় ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ, ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ উন্নয়ন, সাড়ে ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নবীগঞ্জের বাউসা ইউনিয়নের শাখা বরাক নদীর উপর একটি ব্রীজ নির্মাণ, ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘নাট মন্দির’ এর উন্নয়ন, ১ কোটি টাকা ব্যয়ে শায়েস্তাগঞ্জে অবস্থিত রাধা কৃষ্ণ মন্দির আধুনিকায়ন, ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে আলেয়া জাহির কলেজের একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণ, ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার কুতুবের চক ঈদগাহ উন্নয়ন, প্রায় ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার জরাজীর্ণ বাস ভবন উন্নয়ন, প্রায় সাড়ে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে লাখাই উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের মসজিদের সামনের খালের উপর একটি ফুট ব্রীজ নির্মাণ, প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাহুবল উপজেলার করাঙ্গী নদীর ধলিয়া ছড়ার উপর একটি ফুট ব্রীজ নির্মাণ, প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সার্কিট হাউজের পাশে জেলা পরিষদের মালিকানাধিন পুরোনো জড়াজীর্ণ ভবনটি ভেঙ্গে ৪তলা বিশিষ্ট ‘আধুনিক সদর ডাক বাংলো’ নির্মাণ কাজ চলছে। ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ে নবীগঞ্জ উপজেলার রসুলগঞ্জ বাজার রাস্তাটি আরসিসি করণ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি ধরে রাখতে জেলা পরিষদ অফিস চত্ত্বরে সাড়ে ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ম্যুরাল নির্মাণ ও এর চতুর পার্শ্বে সৌন্দর্য বর্ধন, ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে জেলা পরিষদ অফিস ভবনে মুজিব কর্ণার স্থাপন, ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক এম রব গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে মুজিব গ্যালারী স্থাপন করা হয়। এ ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দিন, ব্রীজ, কালভার্ট, রাস্তার উন্নয়ন ও সংস্কার করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরি কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী মৌলভীবাজার সরকারী হাই স্কুল থেকে এসএসসি, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে এইএসসি, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বে সাথে এমবিবিএস পাশ করেন। এর পর তিনি ঢাকা বারডেম থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও ইংল্যান্ড থেকে ডিপ্লোমা ইন এনড্রোক্রাইনজি সমাপ্ত করেন। ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী ১৯৭৬ থেকে ৭৮ সন পর্যন্ত ছাত্রলীগ সিলেট মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ থেকে ৭৯ সাল পর্যন্ত সিলেট মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি ও ১৯৮০ সনে ইন্টার্ণি ডক্টারস এসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ২ মেয়াদ হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ২০০৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিলের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচিত হন। এছাড়া ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী দীর্ঘ বছর হবিগঞ্জ জেলা বিএমএ, স্বাচিপ, হবিগঞ্জ জেলা ক্লিনিক এন্ড ডায়গনষ্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১৯৯৫ সাল থেকে হবিগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দাইমুদ্দিন এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার পরিচালক ও বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য।

জ্বালানি তেল, পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ও নারায়নগঞ্জ, ভোলাসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশের গুলিতে বিএনপি’র ৩ কর্মী নিহত হওয়ার ঘটনায় নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকর্মী ও পুলিশের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়- বৃহস্পতিবার ( ৮ই সেপ্টেম্বর) বিকেলে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি হিসেবে নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের জন্য বিএনপির বিবদমান দু’গ্রুপ ভিন্ন স্থানে সমবেত হয়। সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়ার নেতৃত্বে শহরের গোল্ডেন প্লাজায় ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সরফরাজ চৌধুরীর নেতৃত্বে অপর পক্ষ শেরপুর রোডস্থ বাংলা টাউনের সামনে অবস্থান নেয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কেন্দ্রীয় বিএনপির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব জিকে গউছসহ জেলা উপজেলার নেতৃবৃন্দ। বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। বিকাল ৩ টা থেকে গোল্ডেন প্লাজা ও বাংলা টাউনে অবস্থানরত বিএনপির নেতাকর্মীরা রাস্তায় মিছিল নিয়ে বের হতে চাইলে পুলিশের বাধাঁয় আটকা পড়ে। এক পর্যায়ে বিকাল সোয়া ৪ টায় কেন্দ্রীয় নেতা জিকে গউছ বাংলা টাউনে পৌছলে নেতাকর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকে। এদিকে সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়ার নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা গোল্ডেন প্লাজা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাঁধা দেয়। এ সময় পৌর মেয়র বিএনপি নেতা ছাবির আহমদ চৌধুরী ও সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া পুলিশের দায়িত্বরত ওসি (অপারেশন) আব্দুল কাইয়ুম ও এসআই স্বপন সরকারের সাথে কথা বলেন। এ সময় বিক্ষোদ্ধ নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে পুলিশ গোল্ডেন প্লাজার প্রধান ফটকে তালা দিয়ে রাখেন। ফলে বিএনপি নেতাকর্মীদের অবরোদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে গোল্ডেন প্লাজার পিছনের ফটক দিয়ে বের হয়ে নেতাকর্মীরা মধ্যবাজারে হোটেল এলাহিবাগ এর সামনে  অবস্থান নিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়ে। এ সময় পুলিশের সাথে বিএনপি নেতাকর্মীদের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলাকালে শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা দোকানপাঠ বন্ধ করে দেয় এবং সাধারণ মানুষ দিকবেদিক ছুটাছুটি করতে থাকে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এদিকে বাংলা টাউনের  সামনে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সরফরাজ চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপির অপর পক্ষ বিক্ষোভ মিছিল বের করতে গেলে পুলিশ কঠোরভাবে বাঁধা দেয়। এতে বিক্ষোভ মিছিল করতে না পেরে সেখানেই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কেন্দ্রীয় নেতা আলহাজ্ব জিকে গউছ। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনরি আহ্বায়ক সরফরাজ চৌধুরী। যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন  যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান শেফ,ু জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক জালাল আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক কাউন্সিলর সফিকুর রহমান সিতুসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। অপর দিকে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ন সমাবেশে বিনা উস্কানিতে পুলিশ নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে এতে আমাদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ডালিম আহমেদ বলেন, পুলিশের সাথে বিএনপির কোনো সংঘর্ষ হয়নি, বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল ছুড়াছুড়ি হয়েছে। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সতর্ক অবস্থানে ছিল। আমাদের কেউ আহত হয়নি। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জিকে গউছ বলেছেন, বিএনপির দুর্বল নেতৃত্বের কারনে নবীগঞ্জে আজ এই অবস্থা। নবীগঞ্জ বিএনপিকে  ঢেলে সাজাঁতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কোন বিকল্প নাই। তিনি বলেন, পুলিশ আমাদের প্রতিপক্ষ নয়। আওয়ামীলীগ আমাদের প্রতিপক্ষ। তাই দলকে তৃর্ণমুল পর্যায়ে সুসংঘটিত করে সরকার পতন আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। তিনি বলেন দ্রব্য মুল্যের আগুন নিভানোর জন্যই আজকের এই কর্মসুচী ছিল, সরকার পতনের সভা এটা নয়। সরকার পতনের জন্য ডাক যখন আসবে, কোন ব্যরিকেডই তখন আমাদের রুখতে পারবে না।

নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নে বজ্রপাতে মোঃ শাফিকুল ইসলাম (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে বজ্রপাতে শাফিকুল ইসলাম নিহত হন। শাফিকুল ইসলাম উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের কালিয়ারভাঙ্গা গ্রামের জামিরুল ইসলামের পুত্র।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, প্রতিদিনের ন্যায় শাফিকুল ইসলাম কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের ইমামবাড়ি বাজারের দক্ষিণ পাশে ধানক্ষেতে ধান রোপন করতে যান। হঠাৎ করে বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রপাতের বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় শাফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।শফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে । বজ্রপাতে নিহত বিষয়টি নিশ্চিত করেন নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ।

নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নে খরশ্রোতা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় অর্ধগলিত আর্য দাস(৪) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। সোমবার দুপুরে খরশ্রোতা নদীতে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয় লোকজন লাশ দেখতে পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে নবীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদের নির্দেশনায় একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন।আর্য দাস করগাঁও ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের অনজিত দাসের পুত্র।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, আর্য দাস গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে আর্য  নিখোঁজ ছিল।পরিবারের লোকজন অনেক খোজাখুজি পর না পেয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি হারানো জিডি দায়ের করেন।আর্য দাস নিখোঁজের ৩ দিন পর সোমবার দুপুরে বাড়ির পাশ্ববর্তী খরশ্রোতা নদীর ছায়া নগর নামক স্থানে স্থানীয়রা ভাসমান অবস্থা দেখতে পান। নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশটি উদ্ধার করে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ।

নবীগঞ্জে নবাগত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেছেন শাহীন দেলোয়ার। বুধবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন ফুলেল তোড়া দিয়ে নবাগত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন দেলোয়ারকে স্বাগত জানান। পরে নবাগত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন।এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। শাহীন দেলোয়ার ইতিপূর্বে মৌলভীবাজার জেলা ডিসি অফিসে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর গ্রামের বাড়ির সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর গ্রামে। নবীগঞ্জ উপজেলা নবাগত সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন দেলোয়ার বলেন, আমি আশা করছি নবীগঞ্জবাসী আমাকে সহযোগিতা করলে আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমার দায়িত্ব পালন করতে পারবো। দায়িত্ব পালনে গণমাধ্যমকর্মীসহ সকল শ্রেণীপেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

 

নবীগঞ্জ উপজেলার বিশিষ্ট সমাজ সেবক হিরা মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা মরহুম আব্দুল মন্নাফের ১৭তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ শুক্রবার(০২ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে ছিলো কোরআন খতম, কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল ও শিরনী বিতরণ। মরহুমের বাসভবন ও মসজিদে এসব কর্মসূচী পালিত হয়। মরহুম আব্দুল মন্নাফ নবীগঞ্জ উপজেলা জাসদের প্রতিষ্টাতা সভাপতি ছিলেন। নবীগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মোতায়ল্লী, নবীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের গর্ভনিং বডির সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তিনি লন্ডনে মুক্তিযোদ্ধের সংগঠকের দায়িত্বও পালন করেন। তিনি দৈনিক সিলেট মিরর পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি,দৈনিক হবিগঞ্জের মুখ ও দৈনিক শায়েস্তাগঞ্জ এর বিশেষ প্রতিনিধি এবং নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও নবীগঞ্জ প্রয়াত সাংবাদিক স্মৃতি সংসদ এর সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিঠুর পিতা। সাংবাদিক মিঠু সকলের কাছে তার পিতার জন্য দোয়া কামনা করেছেন।

নবীগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে পৌর সভাকক্ষে রিক্সা, অটোরিক্সা, মিশুক টমটম ভাড়া নির্ধারণ করণের লক্ষ্যে শ্রমিক প্রতিনিধি, মালিক প্রতিনিধি ও এলাকার সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিগণের
উপস্থিতিতে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময়
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রিক্সা, অটোরিক্সা, মিশুক টমটম উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও কাউন্সিলর ফজল আহমেদ চৌধুরী। এতে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন নবীগঞ্জ উপজেলা রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং ৩৪/২১ এর (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) সন্জব আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি রোস্তম আলী , সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম মিয়া, রিক্সা অটো রিক্সা মিশুক টমটম শ্রমিক সমিতি নবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি আহমদ ঠাকুর রানা, প্যানেল মেয়র-২ আব্দুস সোবহান, কাউন্সিল যুবরাজ গোপ, মহিলা কাউন্সিলর পূর্ণিমা রাণী দাশ, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিগণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বশীর আহমেদ চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিল রুহুল আমিন রফু, সাবেক মেম্বার রফিক মিয়া, নবীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্দাল করিম, নবীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক খয়রুল বশর চৌধুরী, অটো রিক্সা মিশুক টমটম শ্রমিক সমিতির (পূর্ব তিমিরপুর পয়েন্ট) কমিটির সভাপতি মোঃ হিলাল মিয়া ও সহ-সভাপতি মোঃ গাজী মিয়া, নবীগঞ্জ উপজেলা রিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর রশিদ, ইনাতগঞ্জ আঞ্চলিক শাখার সভাপতি জালাল আহমেদ, শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা সাজন মিয়া, আব্দুর রউফ, রাশিদুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, আব্দুল কাদির, নুর ইসলাম প্রমুখ। নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র বলেন নবীগঞ্জ পৌরসভা আপনাদের সকলের তাই যানজট মুক্ত শহর ও পরিছন্ন শহর গড়তে আপনাদের সকলের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

 

নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি শাহ সুলতান আহমেদ (৪০) কে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টার দিকে দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর নদীর বড় ব্রীজের উপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। শাহ সুলতান আহমেদ দীঘলবাক ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ও নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি।জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের ইউপি সদস্য শাহ সুলতান আহমেদ ওই ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামের আব্দুস শহিদের সন্তানের একটি জন্ম-নিবন্ধন কার্ড বাড়িতে পৌঁছে দেন। এরপর শাহ সুলতান আহমেদ হেটে হেটে নিজ বাড়ি দরবেশপুরে ফেরার পথিমধ্যে দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর নদীর বড় ব্রীজের উপর পৌঁছামাত্রই পিছন দিক থেকে ৬-৭জন দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাকে দেশীয় দাঁড়ালো অস্ত্রদিয়ে মাথায় কুপিয়ে জখম করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এদিকে সাংবাদিক শাহ সুলতানের উপর হামলার খবরে তাৎক্ষণিক তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ, থানার ওসিসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন নবীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ। অতিদ্রুত জড়িতদের গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবী জানান তারা।গুরুতর আহত সাংবাদিক শাহ সুলতান আহমেদ জানান, পূর্ব শত্রুতা ও নির্বাচনী প্রতিহিংসার জের ধরেই তার উপর হামলা হয়েছে। এ ঘটনার জড়িতদের শাস্তির দাবী জানিয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ডালিম আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে সাংবাদিক সুলতানকে দেখতে গিয়েছি, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular